সংবাদটি প্রকাশ হয়েছেn: Sat, Jun 23rd, 2018
bashundhara

পাবনার সুজানগরে চিনাবাদাম চাষে কৃষকদের ব্যাপক সাফল্য

China Badam Picশফিক আল কামাল, পাবনা প্রতিনিধি: পাবনার সুজানগর উপজেলার চরাঞ্চলে এ বছর চিনাবাদাম চাষে কৃষকরা ব্যাপক সাফল্য লাভ করেছে। হাট-বাজারে বাদামের দাম আশানুরুপ হওয়ায় চাষীদের মাঝে আনন্দের হাসি।

উপজেলার রাইপুর, ভায়না, সাতবাড়ীয়া, মানিকহাট, নাজিরগঞ্জ এবং সাগরকান্দী ইউনিয়নে রয়েছে বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল। এসব চরাঞ্চলের জমিতে ধান পাট আবাদ করলে তেমন ভাল হয়না। এর আগে কৃষকরা ওই সকল জমিতে ধানপাট আবাদ করে  লোকসানে সন্মুখিন হয়েছেন।

লোকসান থেকে বাঁচতে এ বছর উপজেলা কৃষি বিভাগের পরামর্শক্রমে চরাঞ্চলের বেশিরভাগ জমিতে চিনাবাদাম আবাদ করেন। এই চিনা বাদাম চানাচুরের মধ্যে ব্যাপক সমাদৃত। পাবনার সদর উপজেলায় ছোট বড় অনেকগুলো ফুড এন্ড বেভারেজ কোম্পানী থাকায় এখানে বাদামের চাহিদা রয়েছে। তাছাড়াও পায়েশ, বিরানী, বিভিন্ন বেকারী পণ্যে চিনা বাদাম ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। সে কারণেই পাবনাসহ সারাদেশে চিনাবাদামের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

উপজেলার গোপালপুর গ্রামের কৃষক বিল্লাল হোসেন বলেন, তিনি এ বছর ৫বিঘা জমিতে বারি-৪জাতের বাদাম আবাদ করেছিলেন। প্রতিবিঘা জমিতে ফলন হয়েছে প্রায় ১০মণ যা, অন্য বছরের তুলনায় প্রায় দিগুণ। বর্তমানে হাট-বাজারে বাদামের দামও বেশ ভাল। উপজেলার কামারহাট গ্রামের কৃষক হাতেম আলী জানান, ১বিঘা জমিতে বাদাম আবাদ করতে সার, বীজ ও শ্রমিকসহ উৎপাদন খরচ হয় ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত। বর্তমান বাজার মূল্যে প্রতি বিঘা জমিতে উৎপাদিত বাদামের মূল্য প্রায় ২৫ হাজার টাকা যা, উৎপাদন খরচের চেয়ে ১৮হাজার টাকা বেশি। ফলে বাদাম চাষিরা বর্তমান বাজারে খুবই আনন্দিত।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ ময়নুল হক সরকার জানান, এ অঞ্চলের ৬‘শত হেক্টর জমিতে চিনাবাদাম আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। আবহাওয়া-জলবায়ু অনুকূলে থাকায় এবং সময়মত সার বিষ প্রয়োগ করায় লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে ৫০ হেক্টর বেশি জমিতে বাদাম আবাদ করা হয়। ফলনও হয়েছে গেল বছরের তুলনায় প্রায় দিগুন। কৃষকরা উৎপাদন খরচ বাদেও ভাল আয় করতে পারবে।
সম্পাদনা : আ ই (জি-নিউজবিডি২৪ )

bashundhara
The Most Shocking Kim K's Bikini Body Photos

সর্বশেষ আপডেট

আরকাইভ