1. gnewsbd24@gmail.com : admi2019 :
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

তানোরে ত্রান নিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যানের দলবাজি

আব্দুস সবুর, তানোর প্রতিনিধি :
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২০
  • ৪৩ বার পঠিত

রাজশাহীর তানোর পৌরসভার মেয়র মিজানুর রহমান মিজানকে ত্রানের চাল দলীয় ভাবে দিতে ভিবিন্ন ভাবে চাপ সৃষ্টি করে গুদাম থেকে ত্রানের চাল উত্তোলন করতে দিচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে।এমন মহামারীর সময় চেয়ারম্যান ময়নার এসব কর্মকাণ্ডে ফুঁসে উঠছে পৌর বাসী।

শুধু পৌরসভা না প্রতিটি ইউপি এলাকায় ময়নার অনুসারীরা বারবার পাচ্ছেন ত্রান বলেও প্রচার রয়েছে। ফলে প্রকৃত ব্যক্তিরা যাতে ত্রান পায় এজন্য সর্বদলীয় ত্রান কমিটি গঠনের জোরালো দাবি উঠেছে।

নচেৎ এসব ত্রান নিয়ে ব্যাপক সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন সুশিল সমাজ। কারন ঘর বন্ধি শুধু আ”লীগের লোকজন না সব শ্রেণী পেশার মানুষ। এমুহূর্তে চেয়ারম্যান ময়না সরকারী নির্দেশনা অমান্য করে ত্রান নিয়ে শুরু করেছেন দলবাজি, যা মোটেই কাম্য না বলে মনে করেন উপজেলাবাসী।

জানা গেছে মহামারী প্রাণঘাতী করোনার রোগী যতই দিন যাচ্ছে ততই হুহু করে বাড়ছে। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে সবার মাঝে । করোনা মোকাবেলায় তানোরে চলেছে লকডাউন। এঅবস্থায় সকল শ্রেণী পেশার মানুষের আয় বলতে কিছুই নেই। এজন্য সরকার সবার মাঝে ত্রান পৌছে দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু তানোরে মাত্র একজন বিএনপির জনপ্রতিনিধি রয়েছে ।

তিনি তানোর পৌর মেয়র মিজানুর রহমান মিজান। তানোর পৌরসভায় ৩য় দফায় ৬ মেঃটন চাল বরাদ্দ আসে। কিন্তু উপজেলা চেয়ারম্যান সাংসদ ভাতিজা সেই চাল দলীয় ভাবে বণ্টনের জন্য বিভিন্ন ভাবে উত্তোলন করতে দেয় নি। তাঁর এমন ত্রান নিয়ে দলবাজি খেলার কারনে পৌরবাসি পাচ্ছেনা ত্রানের চাল। বিগত দু তিন ধরে চালও তুলতে পারছেন না মেয়র মিজান।

এ অবস্থায় মেয়র গত শনিবার বিকেলের দিকে সকল কাউন্সিলর নিয়ে সভা করে চাল উত্তোলনের জন্য রেজুলেশন করেন।

মেয়র মিজানুর রহমান মিজান জানান পৌরসভায় আ”লীগ বিএনপির কাউন্সিলর রয়েছে তাঁরা যে ভাবে তালিকা দেন সে ভাবেই বিতরণ করা হয়। শুধু তাই না পৌরসভার অনেক আ”লীগ নেতা তালিকা দিলেও সেটাও গ্রহণ করা হয়। আর এখন দলমত নির্বিশেষে সবাই ঘরবন্দি সবার সমস্যা আর এসময় উপজেলা চেয়ারম্যান ত্রানের চাল নিয়ে দলবাজি শুরু করেছেন।

আমাকে নাকি চাল দিতে দিবেনা দলীয় লোকজন দিয়ে চাল বিতরণ করবেন। এটা তাঁর স্বেচ্ছাচারিতা ছাড়া কিছুই না। এখন সময় সবাই মিলে ঘরবন্দি মানুষের কাছে খাবার পৌছানো। যেখানে সরকার প্রধান বলছেন সবার ঘরে যেন ত্রান পৌছে এবং যারা মধ্যবিত্ত তাদের কে গোপনে ত্রান পৌছানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

আমি বাড়ি ঘর ছেড়ে পৌর সভায় দিন রাত থাকছি শুধু পৌরবাসির সেবা ও সমস্যা দূর করার জন্য।

জেলা খাদ্য কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান এবিষয়ে আমার জানা নেই। যদি সমস্যা হয় তাহলে মেয়র আমাকে অবহিত করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদের মোবাইলে ফোন দেয়া হলে বন্ধ পাওয়া যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এ জাতীয় আরো খবর..

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি  © All rights reserved © 2011 Gnewsbd24
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazargewsbd451