1. gnewsbd24@gmail.com : admi2019 :
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, ১২:৫০ অপরাহ্ন

বিরামপুর উপজেলার পল্লীতে কলেজ পড়ুয়া ছাত্রী মামনী আক্তার ধর্ষণ

মোঃ আফজাল হোসেন, ফুলবাড়ী প্রতিনিধি (দিনাজপুর ) :
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২০
  • ২১ বার পঠিত

বিরামপুর উপজেলার চকহরিদাসপুর পূর্ব পাড়া গ্রামের কলেজ পড়ুয়া দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী মোছাঃ মামনি আক্তার (১৮) কে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে একই উপজেলার জোত জয়রামপুর গ্রামের মোঃ লুৎফর রহমানের পুত্র মোঃ তুহিন (২০) ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। বিরামপুর উপজেলার চকহরিদাসপুর পূর্ব পাড়া গ্রামের মৃত মাহাবুর রহমান এর কন্যা মোছাঃ মামনি আক্তার (১৮) এর গত ২০/০৮/২০২০ ইং তারিখের বিরামপুর থানায় দায়েরকৃত মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, যে মৃত মাহবুবুর রহমানের কন্যা মোছাঃ মামনী আক্তার বিরামপুর সরকারি কলেজে দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়াশুনা করে।

জোত জয়রামপুর গ্রামের লুৎফর রহমানের পুত্র মোঃ তুহিন (২০) একই কলেজের পড়াশুনা করার সুবাদে উভয়ের মধ্যে পরিচয় হয়। পরিচয় হওয়ার পর থেকে মোঃ তুহিন বিভিন্ন সময় তাকে বিবাহ করার প্রলোভন দিয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। সেই সুবাদে মোঃ তুহিন মোছাঃ মামানির বাড়িতে গিয়ে ফুসলিয়ে বিবাহ করবে মর্মে অতি কৌশলে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে।

মোছাঃ মামনি তুহিনকে বিবাহ করার কথা বারবার বললে সে কালক্ষেপন করে আসছিল। গত ০৫/০৮/২০২০ ইং তারিখে রাত্রি সাড়ে ১১টায় মোছাঃ মামনী আক্তার এর গ্রামের বাড়িতে পশ্চিম দুয়ায়ী ঘরের কক্ষে মোঃ তুহিন বাড়ির প্রাচীর টপকাইয়া তার সোয়ার ঘরে ঢুকে পড়ে এবং তাকে বিবাহ করবে মর্মে আবারও তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক পরনের জামাকাপড় ছিড়ে ফেলে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। ঐ দিন রাত সাড়ে ৩টার সময় তুহিন বাড়ি থেকে বাহির হয়ে চলে যায়।

পরের দিন সকালে মৃত মাহবুবুর রহমানের স্ত্রী অর্থাৎ তার মা মোছাঃ মাসুমা বেগম (৪০) কে এবং চক হরিদাসপুর গ্রামের মৃত একামুদ্দিনের উদ্দিনের পুত্র মোঃ নাসিম উদ্দিন (৬০) মোঃ স্বপন এর স্ত্রী মোছাঃ মিম বেগম (২১) মোঃ আতাউর রহমাানের স্ত্রী মোছাঃ সায়মা বেগম (৫৫), তারা ঘটনা শুনার পর ধর্ষক তুহিনের বাড়িতে গিয়ে তার পিতা লুৎফর রহমান ও মাতা মোছাঃ ফেন্সিয়ারা কে ঘটনার কথা খুলে বলেন।

পুত্রের এসব ঘটনা শুনে তুহিনের পিতা সুষ্ঠু সমাধান করবেন মর্মে কালক্ষেপন করে আসে। গত ২১/০৮/২০২০ ইং তারিখে দুপুর দেড়টার সময় ধর্ষিতা কলেজ ছাত্রী মোছাঃ মামনী আক্তার তার বাড়িতে গিয়ে সব ঘটনা বলতে চাইলে তার কথা না শুনে বাড়ির উঠান থেকে তারা বের করে দেয়। এ ব্যাপারে ৭নং পলিপ্রাগপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ রহমতকে মেয়ের পরিবার ন্যায় বিচার চাইলে উক্ত চেয়ারম্যান টাকা পয়সা দিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করার কথা বলেন।

এতে মোছাঃ মামনী রাজি হয়নি। অবশেষে ধর্ষিতা কলেজছাত্রী মামনী গত ২৫/০৮/২০২০ ইং তারিখে বিরামপুর থানায় ৯(১) ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনী ২০০৩ ইচ্ছঅর বিরুদ্ধে ধর্ষন করার অপরাধে একটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং- ২৬, তারিখ- ২৫/০৮/২০২০ ইং।

এ বিষয়ে বিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মনিরুজ্জামান এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, মামলা হয়েছে। দু’পক্ষের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে মীমাংসা হওয়ার কথা ছিল। মেডিকেল রিপোর্ট পাওয়া গেছে, সব মিলিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অপরদিকে কলেজ ছাত্রী মোছাঃ মামনি বলেন, ০৩ বছর ধরে বিবাহ করবে মর্মে আমাকে ধোঁকা দিয়েছে। আমার সর্বস্ব শেষ করেছে। আমি সুষ্ঠু বিচার চাই। মামলা করার পর তারা আমাকে এবং আমার পরিবারকে বিভিন্নভাবে হুমকি প্রদর্শন করছে। এমনকি আমার ভাইকে তুলে নিয়ে গিয়ে গুম করার কথাও বলছে। এ ব্যাপারে সে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে নিরাপত্তা চেয়েছেন। এ বিষয়ে মোঃ তুহিনের ৫টি মোবাইল নম্বরে ফোন দিলে সব মোবাইল নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এ জাতীয় আরো খবর..

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি  © All rights reserved © 2011 Gnewsbd24
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazargewsbd451