1. gnewsbd24@gmail.com : admi2019 :
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০, ০৩:৫৮ অপরাহ্ন

মান্দায় ভূল চিকিৎসায় একটি ষাঁড় গরুর মৃত্যুর অভিযোগ

এম এম হারুন আল রশীদ হীরা, মান্দা প্রতিনিধি (নওগাঁ) :
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২০
  • ১০ বার পঠিত

নওগাঁর মান্দায় ভূল চিকিৎসায় ভূমিহীন পরিবারের একটি ষাঁড় গরুর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে কথিত এক পশুচিকিৎসকের বিরুদ্ধে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার ভারশোঁ ইউনিয়নের পাকুড়িয়া গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটেছে।

পরিবারের একমাত্র সম্বল গরুটি হারিয়ে দিশোহারা হয়ে পড়েছে। ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরের অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী জামাল হোসেন।

স্থানীয়রা জানান, ভূমিহীন জামাল হোসেন পাকুড়িয়া গ্রামে সরকারি একটুকরো জমিতে ছোট্ট বসতঘর নির্মাণ করে সপরিবারে বসবাস। জামাল হোসেনের নিজের পরিশ্রমের আয় দিয়ে কোন রকমে সংসারের ভরণ-পোষণ চালান। তাদের এ দুরাবস্থায় বেসরকারি সংস্থা আশ্রয় একটি বাছুর গরু প্রদান করেন। সেই গরুটি পালন করে বড় করছিলেন তারা। কিন্তু ভূল চিকিৎসায় গরুটি মেরে ফেলায় দিশেহারা হয়ে পড়েছে পরিবারটি।

ভুক্তভোগী জামাল হোসেন জানান, ‘আমার ঘরে বিবাহযোগ্য একটি মেয়ে রয়েছে। গরু বিক্রির টাকায় মেয়ের বিয়ে দেব এমন আশায় এক বুক স্বপ্ন দেখছিলেন। এক মাস আগে গরুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে গ্রাম্য পশু চিকিৎসক সাহাপুর গ্রামের আলমগীর হোসেনকে ডেকে ৭ হাজার টাকা খরচ করে ওই গরুর চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করে তোলেন তিনি।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে আলমগীর ডাক্তার আমার বাড়িতে গিয়ে গরুর খোঁজখবর নেন। এ সময় আমি বলি গরু সুস্থ হয়ে গেছে। এরপরও আমার অনিচ্ছার বিরুদ্ধে ভিটামিনের কথা বলে তিনি গরুকে কয়েকটি ইনজেকশন পুশ করেন। এর দু’এক মিনিটের মধ্যেই মাটিতে পড়ে সটফট করতে করতে মারা যায় গরুটি। পরে অবস্থা বেগতিক দেখে আমার হাত থেকে ইনজেকশনের অ্যাম্পুলটি নিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করে চলে যান আলমগীর হোসেন।

ঘটনায় জামাল হোসেন বাদি হয়ে কথিত পশুচিকিৎসক আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরে সুবিচার চেয়ে অভিযোগ দাখিল করেছেন।

এ বিষয়ে কথিত পশুচিকিৎসক আলমগীর হোসেন বলেন, গরুটিকে আমি শুধুমাত্র ভিটামিন ইনজেকশন পুশ করেছি। এতে গরুটি স্টোক করে মারা যেতে পারে বলে আমার ধারণা। ল্যাবে পরীক্ষা করলেই আসল কারণ জানা যাবে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা অভিমান্য চন্দ্র বলেন, ‘বিষয়টি অবহিত হয়েছি। আলমগীর হোসেন কোন পশুচিকিৎসক নন। তিনি একজন প্রজনন কর্মি। এ ঘটনায় তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল হালিম সাংবাদিকদের জানান, ‘অভিযোগের বিষয়ে অবহিত নই। তবে, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এ জাতীয় আরো খবর..

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি  © All rights reserved © 2011 Gnewsbd24
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazargewsbd451