1. gnewsbd24@gmail.com : admi2019 :
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০, ০৮:০২ অপরাহ্ন

আড়াই মাসেও প্রেফতার হয়নি ধর্ষক প্রভাষক মিজান

আব্দুস সবুর, তানোর প্রতিনিধি(রাজশাহী) ঃ
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২০
  • ৮ বার পঠিত

রাজশাহীর মোহনপুর সরকারী ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মিজানুর রহমান মিজানের বিরুদ্ধে তানোর থানায় ধর্ষণ মামলার আড়াই মাসেও রহস্যজনক কারনে গ্রেফতার হয়নি। এতে করে ভুক্তভোগী চরম হতাশায় ঘর বন্ধি জীবন যাপন করছেন । অন্যদিকে ধর্ষণ মামলার আসামী হয়েও দেদারসে চলাফেরা করছেন ধর্ষক নামের মানুষ গড়ার কারিগর মিজান বলেও প্রচার রয়েছে।

অথচ আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তাঁর নাকি হুদিশ পাচ্ছেন না। দীর্ঘ আড়াই মাসে হতে চললেও গ্রেফতার না হওয়ার কারনে প্রশাসনের বিরুদ্ধেও বইছে নানা সমালোচনা। ফলে ধর্ষককে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি তুলেছেন ভুক্তভোগী। আবার ভুক্তভোগীর দাবি তাহলে ধর্ষক ক্ষমতার কারনে গ্রেফতার হচ্ছেন নাকি অন্য কিছু লুকিয়ে আছে এমন নানা প্রশ্ন দুই উপজেলা বাসির নানা শ্রেণী পেশার সুশীল সমাজের মধ্যে বিরাজ করছে।

জানা গেছে, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তানোর উপজেলার জৈনক ব্যাক্তির মেয়ের সাথে প্রতারণার মাধ্যমে বিগত প্রায় বছর ধরে ভুক্তভোগীর বাড়িতে এবং শহরের নানান জায়গায় লাগাতর ধর্ষণ করে লাপাত্তা হয়ে যাবার পর ওই নারী বিয়ের দাবিতে প্রভাষকের বাড়িতে চলতি বছরের জুলাই মাসের ২২ তারিখে অনশন শুরু করলে মোহনপুর থানা পুলিশ ওই নারীকে তাদের হেফাজতে নেন। এর পর ওই দিন রাতেই মোহনপুর থানা পুলিশ তানোর থানা পুলিশে ওই নারিকে সোপর্দ করেন ।

ওই রাতেই ধর্ষক প্রভাষক মিজানকে আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করা হয় ।কিন্তু রহস্যজনক কারনে মামলার এত দিন অতিবাহিত হলেও গ্রেফতার হয়নি ধর্ষক । এদিকে এঘটনার পর থেকে ওই নারি ঘর বন্ধি জীবন যাপন করলেও নতুন সংসার নিয়ে দেদারসে রয়েছেন ধর্ষক মিজান বলেও নিশ্চিত করেন ভুক্তভোগী।

তবে জুলাই মাসের দিকে প্রভাষক মিজানের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে জানান আমি অসুস্থ, মেয়ের বয়স অনেক বেশি, খুব বেশি কথা বলা যাবেনা। আমার মাম সুলতান আছে তাঁর সাথে কথা বলার পরামর্শ দেন তিনি। তাঁর মামার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান এঘটনার কোন প্রমান আছে, অযথা আমার ভাগ্নের সুনাম খন্ন করা হচ্ছে। অবশ্য প্রভাষকের ওই মোবাইল নম্বরে সম্প্রতি ফোন দেয়া হলে বন্ধ পাওয়া যায়।

ভুক্তভোগী মেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান আমার জীবনটা শেষ করে দিয়েছে মিজান।আড়াই মাস হতে চললেও তাকে কেন গ্রেফতার করছেনা বুঝতে পারছিনা। শুনেছি তাঁরা ক্ষমতাসীন দলের লোক এজন্যই হয়তো তাকে ছাড় দিচ্ছে। আমি তাঁর চরম সাজা চাই যাতে করে অন্যরা এমন কাজ করতে ভয় পায়।

থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি রাকিবুল হাসান রাকিব জানান মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে, গ্রেফতারের অভিযান চলছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এ জাতীয় আরো খবর..

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি  © All rights reserved © 2011 Gnewsbd24
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazargewsbd451