1. gnewsbd24@gmail.com : admi2019 :
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২০, ০৫:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাগেরহাটে সাত কর্মদিবসেই ধর্ষণ মামলার রায়ে এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন সৈয়দপুর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন উত্তর কোরিয়ার বিচার ব্যবস্থায় মানুষ ‘পশুর চেয়েও অধম’ বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যালস রিপ্রেজেনটেটিভ এ্যাসোসিয়েশন মানবন্ধন ফররুখ আহমদ ছিলেন গণমানুষের কবি : মোস্তফা ইতিহাসের এক উজ্জল নক্ষত্র ভাষা সৈনিক অলি আহাদ বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী কর্তৃক মেডিকেল ডিসপেনসারি উদ্বোধন বিশ্বে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৪ কোটি ছাড়িয়েছে পোরশায় সবুজে ঘেরা ফসলের মাঠে আমনের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা ক্ষমতার দম্ভে সরকার অন্ধ হয়ে গেছে : এলডিপি

কেশবপুরে ঘোড়া কিনে অবশেষে আশা পূরণ হলো যুবকের

গাজী যুবায়ের আলম, ব্যুরো প্রধান, খুলনা ঃ
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২০
  • ৫ বার পঠিত

কেশবপুরে ঘোড়া কিনে তার শখ পূরণ করলেন এক যুবক। শখের বসে ৪০ হাজার টাকা দিয়ে ঘোড়া কিনে আনায় ঐ যুবক আনন্দ আর খুশিতে দিন পার করছে। ছেলের চাওয়া পূরণ করলো তার পিতা। ঘোড়াটি পোষার জন্য কিনা হয়েছে বলে ঐ যুবক সাংবাদিকদের জানান। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ঘোড়াটি নিয়ে ব্যস্ত থাকেন যুবক। এদিকে ঐ যুবকের শখ পূরণ হওয়ায় বন্ধুদেরকে মিষ্টি খাওয়ানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

ঘোড়ায় চড়ে বিভিন্ন স্থানে যেয়ে থাকেন ঘোড়ার মালিক ও তার ছেলে। এলাকাবাসীর সূত্রে জানা গেছে কেশবপুর উপজেলার ব্রক্ষকাটি গ্রামের মৃত হনু জবার আলী গাজীর ছেলে মুদি গাজী গত এক মাস আগে নড়াইল জেলার কালিয়া থানার এলাকার আফসার হোসেনের কাছ থেকে পোষার জন্য লাল রং এর একটি ঘোড়া ২৫ হাজার টাকা দিয়ে কিনে আনে।

এর পর মুদি গাজী কিছুদিন ঘোড়াটি পোষার পর ব্রক্ষকাটি গ্রামের সোহরব হোসেন মোড়লের নিকট ৪০ হাজার টাকায় বিক্রয় করে দেয়। সোহরব হোসেনের ছেলে দিসান মোড়ল সাংবাদিকদের জানান, আমার পিতা ঘোড়াটি কিনে দেওয়ার পর থেকে আমি আমার গ্রামসহ বিভিন্ন গ্রামে ঘোড়াটি নিয়ে যায় খাওয়ানো জন্য।

ঘোড়াটি নিয়ে গেলে এলাকাবাসী এক নজর দেখার জন্য ভীড় জমাতে শুরু করেন। সারাদিন ঘোড়াটিকে ঘাস খাওয়াতে হয়। দীর্ঘ ৫ বছর ধরে ঘোড়া কিনার জন্য অপেক্ষায় থেকে অবশেষে ঘোড়াটি কিনে আমার আশা পূরণ হয়েছে। ঘোড়ার খাদ্য কিনা লাগে প্রতিদিন। তবে ঘোড়ার প্রধান খাদ্য হলো ঘাস, তাই বেশিভাগে ঘোড়াটিকে ঘাস খাওয়ানো জন্য বিভিন্ন গ্রামে যেতে হয় আমার।

আমি প্রতিদিন ঘোড়ায় চড়ে বাড়িতে যেয়ে থাকি আর বাজারে আসি। ঘোড়ায় চড়া দেখে শখের বসে অনেক যুবক ঘোড়ায় চড়ে অনেক দুরে যায় খুশি হয়ে যুবকরা আমাকে কিছু চা খাওয়ার খরচ দিয়ে থাকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এ জাতীয় আরো খবর..

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি  © All rights reserved © 2011 Gnewsbd24
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazargewsbd451