1. gnewsbd24@gmail.com : admi2019 :
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০, ০৭:১৪ অপরাহ্ন

আলোচনায় নেই তানোরের দুই ধর্ষণ কারীর

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২০
  • ৫ বার পঠিত

সারা দেশ ধর্ষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার হলেও রাজশাহীর তানোরে দুই ধর্ষকের তেমন একটা আলোচনা নেই বললেই চলে। অবশ্য দুইজনের মধ্যে মিশনের ফাদার গ্রেফতার হলেও সহায়তা কারীরা ধোরা ছোয়ার বাহিরে এবং অন্য জন মানুষ গড়ার কারিগর প্রভাষক মিজান গ্রেফতার পর্যন্ত হয়নি। প্রভাষক বিয়ের প্রলোভনে তানোর উপজেলার উচ্চ শিক্ষিত এক নারীকে স্ত্রীর মত বছর জুড়ে মেলামেশা করেন।

তাঁর নামে মামলা হলেও আড়াই মাস অতিবাহিত হলেও তদন্ত চলমান বলে দায় এড়িয়ে যাচ্ছেন প্রশাসন। অথচ গির্জার ফাদার এক কিশোরীকে তিন দিন আটক রেখে ধর্ষণের পর সহায়তা কারীদের মাধ্যমে গির্জা থেকে পালাতে পারলেও শহরে র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার হন আলোচিত ফাদার। ধর্ষক ফাদার ও সহায়তা কারীদের শাস্তির দাবিতে শহরে এবং মুণ্ডুমালা বাজারে আদিবাসি ছাত্র পরিষদ ও প্রতিবন্ধি সংগঠন মানববন্ধন করলেও সচেতন মহল যারা নির্যাতন বিরোধী কার্যক্রম করেন এবং জনপ্রতিনিধিরা এসব ঘটনায় ভুমিকা না রাখার জন্য বেড়েই যাচ্ছে ঘটনা।

জানা গেছে, উপজেলার মুণ্ডুমালা পৌর এলাকায় মাহালী পাড়ায় অবস্থিত মিশনের ফাদার প্রদীপ মে গেরি গত মাসের ২৬ সেপ্টেম্বর ওই পাড়ায় ৭ম শ্রেণী পড়ুয়া কিশোরীকে তিন দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করেন। ঘটনাটি স্থানিয়রা জানতে পারলে মিশনে সালিশ বৈঠক বসানো হয়। বৈঠকে ফাদারকে বাচাতে মেয়ের পরিবারকে ধর্মের ভয় দেখিয়ে তাঁর ভোরন পোষণের দায়িত্বের কথা বলে ফাদারকে পালাতে সহায়তা করেন মুণ্ডুমালা সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উপজেলা পারগানা পরিষদের সভাপতি কামিল মারডিসহ গ্রামের দুই প্রধান ও রাজশাহীর ধর্ম প্রদেশের দুই প্রতিনিধি।

এছাড়াও বিয়ের প্রলোভনে বছর ধরে জেলার মোহনপুর সরকারী কলেজের প্রভাষক মিজানুর রহমান মিজান তানোর উপজেলার জৈনক ব্যাক্তির উচ্চ শিক্ষিত মেয়ের সাথে স্বামী স্ত্রীর মত মেলামেশা করেন। কিন্তু গত জুলায় মাসে প্রভাষক অন্যত্র বিয়ে করলে মেয়ে তাঁর বাড়িতে বিয়ের দাবি নিয়ে অনশন করলে ক্ষমতাসীন নেতার কথায় কোন ধরনের সুরাহ না করে ওই নারীকে মোহনপুর থানা পুলিশ তুলে নিয়ে তানোর থানায় সোপর্দ করেন। গত জুলাই মাসের ২২ তারিখে ঘটে ঘটনাটি এবং সেই রাতেই প্রভাষকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলার আড়াই মাস পার হলেও রহস্যজনক কারনে প্রশাসন নিরব অবস্থায়।

অপর দিকে ধর্ষক প্রভাষক মিজান নতুন সংসার নিয়ে রাজশাহীর উপশহরে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। অথচ গত ৪ অক্টোবর থেকে একাদশ শ্রেনির অনলাইন ক্লাশ শুরু হলেও হুদিস নেই তাঁর। তবে কলেজের প্রিন্সিপাল অধ্যক্ষ মফিজ উদ্দিন কবিরাজ জানান কলেজ তো ছুটি ছিল তারপরও মিজান যাতায়াত করত এবং যে দিন ক্লাশ থেকে সেই দিন ক্লাশ নেয়।

মামলার বিষয়ে আমার জানা নেই। আর কলেজের বিষয়ে কিছু লিখেন না। পরে কথা হবে। আপনার কলেজের সভাপতি কে তিনি জানান সরকারি কলেজ সভাপতি কেউ নেই।এখানে একাডেমিক কাউন্সিল হিসেবে আমার এবং ইউএনওর স্বাক্ষরে বেতন ভাতা উত্তোলন হয়।

মোহনপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানোয়ার হোসেনের সাথে যোগাযোগ করে বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত করা হলে এড়িয়ে গিয়ে জানান আমার এসব কিছুই জানা নেই। প্রিন্সিপাল বলতে পারবেন।

মিজানের মামা ক্ষমতাসীন দলের নেতা সুলতান জানান মেডিকেল রিপোর্টে ধর্ষণের কোন আলামত নেই। সব কিছু সাজানো, যারা আমার ভাগ্নেকে নিয়ে এসব করেছেন তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে দম্ভক্তি প্রকাশ করেন।

ভুক্তভোগী ওই নারী জানান সব ধর্ষকের বিচার হলেও মামলার এত দিনেও তাকে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে না কেন। তিনি কি এতই ক্ষমতাধর ব্যাক্তি যে প্রশাসন নিরব অবস্থায় আছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

মোহনপুর থানার ওসি মুস্তাক আহম্মেদের সাথে কথা বলা হলে তিনি জানান মামলা তানোরে হয়েছে তারাই ভালো বলতে পারবেন। তানোর থানার ওসি রাকিবুল হাসান জানান মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে আসামীকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে। এব্যাপারে রাজশাহীর পুলিশ সুপার মহোদয়ের মোবাইলে ফোন দেয়া হলে তিনি রিসিভ করেননি।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এ জাতীয় আরো খবর..

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি  © All rights reserved © 2011 Gnewsbd24
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazargewsbd451