1. gnewsbd24@gmail.com : admi2019 :
মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ০৩:৩১ অপরাহ্ন

ব্যবহার হচ্ছেনা বেসিন: শীতে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা

জহুরুল ইসলাম খোকন, সৈয়দপুর প্রতিনিধি (নীলফামারী) ঃ
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২০
  • ১১ বার পঠিত

চলতি শীত মৌসুমে দ্বিতীয় ধাপে করোনার আশঙ্কা থাকলেও সরকারি বেসরকারি উদ্যেগে বসানো হাত ধোয়ার বেসিনগুলোর কোনোটাই ব্যবহার করা হচ্ছে না। সরকারি ও পৌর পরিষদের তদারকি না থাকায় করোনা সংক্রমন নিয়ন্ত্রনে স্বাস্থ্য বিধির কোনো তোয়াক্কাই করছেন না নীলফামারী ও সৈয়দপুরের মানুষ। ঘরের বাইরে বের হলে মাস্কের ব্যবহার তো হচ্ছেই না। অপরদিকে শহরের মোড়ে মোড়ে উপজেলা পরিষদ চত্তরে বসানো পানি ও সাবান না থাকায় হাতও ধুচ্ছেন না কেউই। ফলে অব্যবহৃত বেশিনগুলোতে ময়লায় ভরে গেছে।

পৃথিবীর শীত প্রধান দেশগুলোতে করোনার সংক্রমন বেশি হওয়ায় চলতি বছরে আশা শীতে দেশে করোনার সংক্রমন দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কায় সবাই সচেতন হতে বলা হয়েছে। কিন্তু সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে বসানো বেমিনগুলোতে পানি ও সাবান শূন্য থাকায় ব্যবহার না হওয়ার ফলে করোনা সংক্রমন প্রকট আকার ধারণ করতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে প্রথমত হাতে ও পরে ওই হাত নাকে ও মুখে লাগালে দ্রুত করোনায় আক্রান্ত হয় মানুষ। কিন্তু হাত পরিষ্কার থাকলে করোনা থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব আর এ কারনেই স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর বেসিন স্থাপনের উদ্যোগ নেয়। অনেকের মতে যতদিন সারা দেশের ন্যায় নীলফামারীসহ সৈয়দপুরে সরকারের পক্ষ থেকে অনুদান এসেছে ততদিন সরকারি কর্মকর্তা উপজেলা পরিষদ ও পৌর পরিষদ কর্তৃপক্ষ মাস্ক ব্যবহার ও নির্মিত বেসিনে হাত ধোয়ার কার্যক্রম বহাল রাখতে কঠোর ছিল। সরকারের দেওয়া অনুদান সাময়িক বন্ধ হওয়ার সাথে সাথেই করোনা সংক্রমন নিয়ন্ত্রন রাখার কার্যক্রম এক প্রকার বন্ধই হয়ে যায়।

স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্র জানায় মার্চের শুরুতে করোনার ধাবায় দেশের মানুষ আটকা পড়লে এপ্রিল মাসের শেষের দিকে পৌর পরিষদের প্রধান ফটকে ১টি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র সংলগ্ন ১টি উপজেলা পরিষদ চত্তরে ১টি সহ শহরের পাড়া মহল¬া ও সড়কের মোড়ে মোড়ে অগনিত বেসিন বসানো হয়। এসব বেসিন এপ্রিল থেকে আগষ্ট পর্যন্ত ব্যবহার হলেও বর্তমানে সেগুলি অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে।

সৈয়দপুর শহরের উপজেলা পরিষদ চত্তরে বসানো বেসিন নিয়ে বাদশা নামের একটি ব্যক্তি জানান, বেসিনটি বসানোর পর মাত্র ২/৩ মাস ব্যবহার হয়েছিল। কিন্তু পরের মাস থেকে সাবান ব্যবস্থা ও পানি না থাকায় সেটি আর কেউই ব্যবহার করছেন না। শুধুমাত্র পৌর পরিষদের প্রধান ফটক সংলগ্ন বসানো বেসিনটিতে সাবান পানি ও ডেটলের ব্যবহার রয়েছে বলেই যতসামান্য মানুষ সেটি ব্যবহার করছেন। কিন্তু শহরের অন্য কোনো বেসিনে পানি ও সাবান না থাকা ও পৌর পরিষদ কর্তৃপক্ষ প্রশাসনের কঠোরতা না থাকায় সব বেসিনই ব্যবহার অনুপযোগি হয়ে পড়েছে।

শহরের অদুরে ঢেলাপীর বাজারে সপ্তাহের দুই দিন বিশাল মাপের হাট বসে। এই দুই হাটে হাজার হাজার মানুষের সমাগম হয় কিন্তু কেউই হাত ধোয়ার বেসিনটি ব্যবহার করছেন না। মহিউদ্দিন নামের এক ব্যবসায়ী জানান স্বাস্থ্য প্রকৌশল উদ্যেগে বসানো বেসিনগুলো মানুষের কাজে আসছে না এবং ব্যবহার হচ্ছেনা সেগুলি নির্মান করা সরকারের কোটি কোটি টাকার অপচয় ছাড়া কিছুই হয় নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নীলফামারী জেলার সিভিল সার্জন ডাঃ জাহাঙ্গীর কবির জানান, সচেতনতার অভাবসহ পৌর পরিষদ উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসনের নজরদারির অভাবে মানুষ বেসিনগুলো ব্যবহার করছেন না। শীত প্রকট আকার ধারণ করার পূর্বেই হাত ধোয়ার জন্য বেসিন ব্যবহারে মানুষকে আগ্রহ জানানো না হলে করোন থাবা থেকে রক্ষা পাওয়া মুসকিল হতে পারে বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এ জাতীয় আরো খবর..

cover3.jpg”><img src=”https://www.bssnews.net/wp-content/uploads/2020/01/Mujib-100-1.jpg”>

via Imgflip

 

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি  © All rights reserved © 2011 Gnewsbd24
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazargewsbd451