1. gnewsbd24@gmail.com : admi2019 :
শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:০৩ পূর্বাহ্ন

তানোরে গো খাদ্যের ভরসা বিলের দল

আব্দুস সবুর, তানোর প্রতিনিধি(রাজশাহী) ঃ
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২০
  • ১৩ বার পঠিত

রাজশাহীর তানোর উপজেলার অসহায় কৃষকদের গো খাদ্যের মুল ভরসা হয়ে পড়েছে বিল কুমারী বিলে বন্যায় ভেসে আসা দল।দিনভর প্রচণ্ড খরতাপের মধ্যে বিল ধারের কৃষক ছাড়াও বিভিন্ন এলাকার গরু পালন কারিরা দল কেটে ভ্যানে সাইকেলে করে নিয়ে যাচ্ছেন। চরম বেকাদায় পড়েই জীবনের এক প্রকার ঝুকি নিয়েই এবং প্রয়োজনের তুলনায় খাদ্য কম হলেও দলের উপর ভরসা সব দরিদ্র কৃষকদের। ফলে গো খাদ্য নিয়ে চরম বেকায়দায় পড়েছেন কৃষকরা।

যারা দেশের মাংস ও দুধের চাহিদা মিটাচ্ছেন তাদের জন্য সরকারি ভাবে নেই কোন ধরনের প্রনোদনা। অথচ এউপজেলা থেকেই ধনাঢ্য কৃষকদের কাছ থেকে বাড়তি দামে প্রধান গরুর প্রধানতম খাদ্য খড় কিনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যাচ্ছে প্রতিনিয়তই।

বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, উপজেলার চান্দুড়িয়া চোকির ব্রিজ থেকে তানোর পৌরসভা হয়ে কামারগাঁ ইউনিয়নের মালশিরা বা চৌবাড়িয়া ব্রিজ পর্যন্ত বিল কুমারী বিলের পশ্চিম অংশ। চলতি বছরে লাগাতর বৃষ্টি উজানের পানিতে বিলের চারদিকে থইথই করছে পানি। বিশেষ করে পৌর এলাকার গুবিরপাড়া গ্রামের পশ্চিমে মুল সড়কের পূর্ব দিকে এবং তালন্দ থেকে লবাতলা ব্রিজের উত্তরে রয়েছে প্রচুর দল। এসব স্থান থেকেই দিনভর দল কেটে কোনমতে গরুর খাদ্যের কিছুটা চাহিদা মেটাচ্ছেন দরিদ্র গরু পালন কারীরা।

আবার অনেকে খাদ্যের অভাবে বিক্রি করে দিচ্ছেন গরু। কারন খড়ের দাম আকাশ ছোয়া, প্রতি আটি খড় বিক্রি হচ্ছে ৫/৬ টাকা করে। গুবিরপাড়া গ্রামের সাহেব নামের এক কৃষক জানান গরুর খাদ্যই হচ্ছে খড়। কিন্তু গত বোরো মৌসুমে ধান কাটার সময় ব্যাপক হারে পানি হওয়ার জন্য নষ্ট হয়ে পড়ে খড়। যার কারনে দল কেটে খাওয়াতে হচ্ছে গরুকে। লবাতলা ব্রিজের পশ্চিমে দল কেটে সাইকেলে বাধার সময় কথা হয় উপজেলার কামারগাঁ ইউপি এলাকার পাড়িশো দুর্গাপুর গ্রামের শ্যামল চন্দ্র প্রামানিকের সাথে, তিনি জানান তিন কিলোমিটারের বেশি রাস্তা দিয়ে এসে গরুর জন্য দল কেটেছে। যত টুকু কেটেছে তা গরুর জন্য কিছুই না।

খুব সকালে এসে দল কাটা শুরু করি। প্রায় চার ঘণ্টা ধরে দল কেটে পরিষ্কার করতে এক বেলা সময় পার হয়ে যাচ্ছে। কারন দল কাটার সময় প্রচুর জুকের কামড় খেতে হয়। বিগত প্রায় আড়াই মাস ধরে প্রতিদিন দল কেটে পাঁচটি গরুর খাবারের কোন ভাবে চাহিদা মিটাচ্ছি। একই এলাকার দুইটি গরুর মালিক জুদিষ্টি সঞ্জয়, অমল, গনেশ একই ধরনের কথা বলেন। তাঁরা আরো বলেন গরুই আমাদের মুল সম্পদ। যদিও কিছু কিছু এলাকায় ধান কাটা হয়েছে কিন্তু খড়ের বাড়তি দামের জন্য কিনতে পারছিনা। অবশ্য বিলের পানি কমতে থাকার কারনে দল লালছে কালার হয়ে যাওয়ার কারনে সমস্যায় পড়েছেন এমন শতশত কৃষক।

প্রাণী সম্পদ অসিফ সুত্রে জানা যায়, উপজালায় মোট গরু রয়েছে ৭১ হাজার ৩৩১টি, ছাগল রয়েছে ৩৭ হাজার ৯২০টি , ভেড়া ১১ হাজার ৪৩০টি, মহিষ ৯৮৭টি।

উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা বলেন যে সব এলাকায় ব্যাপক হারে বন্যা হয়েছে সে সব এলাকার জন্য হয়তো সরকার বিশেষ প্রনোদনা দিতে পারেন। তবে এউপজেলার গো খাদ্যের প্রনোদনা না পাওয়ার কথা।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এ জাতীয় আরো খবর..

cover3.jpg”><img src=”https://www.bssnews.net/wp-content/uploads/2020/01/Mujib-100-1.jpg”>

via Imgflip

 

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি  © All rights reserved © 2011 Gnewsbd24
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazargewsbd451