রবিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২১, ০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ডুমুরিয়ায় আসন্ন নির্বাচনে প্রচার-প্রচারনা মনোনয়ন প্রত্যাশী বিএনপি-আ’লীগ সমানে সমান সুন্দরবনে খনন করা হচ্ছে ৮৮ পুকুর: মিটবে বন্যপ্রাণীর মিঠাপানির চাহিদা খুলনা জেলা আ’লীগের নবগঠিত কমিটির শ্রদ্ধা নিবেদন বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে সুন্দরগঞ্জ পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে জাপার প্রার্থী রশিদ নির্বাচিত শেরপুরে মেয়র পদে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী জগ মার্কা খোকা জয়ী লামা পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী জহিরুল বেসরকারি ভাবে জয়ী শ্যামনগরে মিথ্যা মামলা করে সামাজিক কর্মকান্ডে বাঁধা প্রদানের প্রতিবাদে মানববন্ধন মোংলা পোর্ট পৌরসভা নির্বাচনে আ.লীগের আব্দুর রহমান জয়ী, বিএনপির ভোট বর্জন বগুড়ার সান্তাহারে ধানের শীষের প্রার্থী তোফাজ্জল পুনরায় মেয়র নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ৫ দফা দাবির আন্দোলনে যুক্ত দুই শিক্ষার্থীর বহিষ্কার প্রত্যাহারের দাবি

২৬ নবেম্বর মুক্তিযুদ্ধের কামান্না দিবস এদিনে ২৭ মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন

সাইদুর রহমান, বিশেষ প্রতিনিধি মাগুরা :
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২০
  • ২৬ বার পঠিত

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালীন ২৬ নবেম্বর মাগুরা ঝিনেদার সীমান্তবর্তী এলাকায় কামান্না নামক গ্রামে ২৭ বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হয়েছিলেন। সেই থেকে ২৭ নবেম্বরকে কামান্না দিবস হিসেবে এলাকবাসী পালন করে। শহীদদের বেশিরভাগেরই বাড়ি মাগুরা সদর উপজেলার ১ নং হাজীপুর ইউনিয়নে। স্থানীয়ভাবে কামান্না দিবস উপলক্ষে কামান্না ও হাজীপুর শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক প্রদান, মিলাদ মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

খোন্দকার আব্দুল মাজেদ প্রতিষ্ঠিত মাগুরা সদর থানা সম্মিলিত মুক্তিবাহিনী মাজেদ বাহিনী নামে পরিচিত ছিল। বাহিনীতে মোট সদস্য সংখ্যা ছিল ২৫০ জন মুক্তিযোদ্ধা।

মাজেদ মিয়ার বড় ছেলে খোন্দকার রাশেদ আলী ছাত্র অবস্থায় পিতার বাহিনীতে যোগদান করে কামান্নাতে শহীদ হন। মাজেদ বাহিনীর যে অংশটি কামান্না তে অবস্থান নিয়েছিল সেই অংশটির কমান্ডার ছিলেন হাবিলদার মেজর সমশের আলী। তাছাড়া মাজেদ সাহেবের মামাতো ভাই সেলিম বিশ্বাস ও জামাতা শহিদুল্লাহ কামান্না যুদ্ধে শহীদ হন।

১৯৭১ সালের ২৫ নবেম্বর অন্য একটি সফল অপারেশন শেষ করে হাজীপুর ওই বাহিনীর একদল মুক্তিযোদ্ধ মাগুরা-ঝিনাইদহের সীমান্তবর্তী কামান্না গ্রামে মাধব কুন্ডু নামের এক ব্যক্তির বাড়ির পরিত্যক্ত একটি টিনের ঘরে রাত্রি যাপনের জন্য অবস্থান নেন।

রাজাকারদের মাধ্যমে তাদের এ অবস্থানের খবর শৈলকুপা ও মাগুরার পাক বাহিনীর ক্যাম্পে পৌঁছে যায়। এই খবরে শৈলকুপা ও মাগুরার পাক সেনারা ২৬ নভেম্বর ভোর রাতে ওই বাড়িটি চারদিক থেকে ঘিরে ফেলেন। পাক হানাদার বাহিনী ঘুমন্ত মুক্তিযোদ্ধাদের উপর অতর্কিত গুলিবর্ষণ করেন। সে সময় ২৭ বীর মুক্তিযোদ্ধা, তাদের গাইড ফনি ভুষন কুন্ডু ও রান্নার বুয়া রঙ্গবিবি শহীদ হন সঙ্গে দুইজন রাজাকার আমানত ও দিয়ানত মারা যায় । সকালে পাক সেনারা চলে যাবার পর গ্রামবাসী শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের মরদেহ উদ্ধার করে কামান্না স্কুল মাঠের পাশে ৬টি গনকবরে সমাহিত করেন। শহীদ মোঃ আলিমুজ্জামান এবং শহীদ মোঃ রাজা এর লাশ স্থানীয় আত্মীয়-স্বজনের সহযোগিতায় নিজ নিজ গ্রামে দাফন করা হয় ।

পরে সেখানে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে শহীদ মিনার নির্মিত হয়। এছাড়া তাদের নিজ এলাকা মাগুরা সদর উপজেলার ১ নং হাজীপুর ইউনিয়নের হাজীপুর গ্রামে নতুন করে ইউনিয়ন সংলগ্ন একটি শহীদ মিনার নির্মাণ হয়েছে।

দেশ স্বাধীন হওয়ার এতো বছর পরেও সরকারিভাবে এ দিবসটি পালনের উদ্যোগ নেয়া হয়নি। শহীদ পরিবারের সন্তান শেখ আহমদ এবং আহসান হাবিব সহ সকল শহীদ পরিবারের দাবিদাবি কামান্না দিবস রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা হয়।

শ্রীপুর উপজেলা মকরদম খোলা গ্রামের কামান্না যুদ্ধে যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ লিয়াকত হোসেন বলেন, দিবসটি যথাযথ ভাবে পালন করার জন্য প্রথম থেকেই আমরা দাবি জানিয়ে আসছি কিন্তু এ বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসন বা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের পক্ষ থেকে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখ জনক।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এ জাতীয় আরো খবর..

cover3.jpg”><img src=”https://www.bssnews.net/wp-content/uploads/2020/01/Mujib-100-1.jpg”>

via Imgflip

 

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি  © All rights reserved © 2011 Gnewsbd24
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazargewsbd451