রবিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২১, ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ডুমুরিয়ায় আসন্ন নির্বাচনে প্রচার-প্রচারনা মনোনয়ন প্রত্যাশী বিএনপি-আ’লীগ সমানে সমান সুন্দরবনে খনন করা হচ্ছে ৮৮ পুকুর: মিটবে বন্যপ্রাণীর মিঠাপানির চাহিদা খুলনা জেলা আ’লীগের নবগঠিত কমিটির শ্রদ্ধা নিবেদন বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে সুন্দরগঞ্জ পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে জাপার প্রার্থী রশিদ নির্বাচিত শেরপুরে মেয়র পদে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী জগ মার্কা খোকা জয়ী লামা পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী জহিরুল বেসরকারি ভাবে জয়ী শ্যামনগরে মিথ্যা মামলা করে সামাজিক কর্মকান্ডে বাঁধা প্রদানের প্রতিবাদে মানববন্ধন মোংলা পোর্ট পৌরসভা নির্বাচনে আ.লীগের আব্দুর রহমান জয়ী, বিএনপির ভোট বর্জন বগুড়ার সান্তাহারে ধানের শীষের প্রার্থী তোফাজ্জল পুনরায় মেয়র নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ৫ দফা দাবির আন্দোলনে যুক্ত দুই শিক্ষার্থীর বহিষ্কার প্রত্যাহারের দাবি

মাগুরায় থেকে হারিয়ে যাচ্ছে নলেন গুড়ের পাটালী

সাইদুর রহমান, বিশেষ প্রতিনিধি মাগুরা :
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৩২ বার পঠিত

মাগুরায় খেজুর গাছ কাটা গাছির অভাবে হারিয়ে যেতে বসেছে খেজুর রসের ঐতিহ্য। এখন আর আগের মমত পাওয়া যায়না নলেন গগুড়ের পাটালি। মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলা,মহম্মদপুর উপজেলা, শালিখা উপজেলা ও মাগুরা সদর উপজেলার সকল গ্রামই বর্তমানে খেজুর গাছ শুন্য হয়ে পড়েছে।

শরৎকাল আসতে না আসতেই আগে গ্রামগঞ্জে খেজুর গাছ তোলার ধুম পড়ে যেত। বিভিন্ন অঞ্চল থেকে দলে দলে নারী-পুরুষ এসে এসব এলাকায় অস্থায়ী নিবাস গড়ত। তাদের সঙ্গে থাকত রস থেকে গুড় তৈরির নানা সরঞ্জাম। তারা বিভিন্ন আকৃতির খুরি পাটালি, প্লেট পাটালি, নারিকেল পাটালিসহ আকর্ষণীয় ও সুমিষ্ট পাটালি তৈরি করত। এ ছাড়া মাটির তৈরি ভাড় ভর্তি নালি গুড়, ঝোলা গুড় ও দানা গুড় তৈরি করে নিজেদের প্রয়োজন মিটিয়ে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করত। দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করত। কিন্তু এখন কমেছে এই আয়োজন এবং উদ্যম।এখন যা পাওয়া যায় তা চিনিতে সয়লাব।

শীত মৌসুম এলেই গ্রাম এলাকায় গুড়ের তৈরি পিঠা পায়েস খাওয়ার ধুম পড়ে যেত। পৌষ মাসের হাড় কাঁপানো শীত উপেক্ষা করে গাছি গাছ থেকে রস পেড়ে তা থেকে গুড়, পাটালিসহ নানা ধরনের পিঠা-পুলি তৈরি করত গৃহিনীরা। শীতের সকালে নির্ভেজাল টাটকা খেজুরের রস খাওয়ার মজাই ছিল আলাদা। কিন্তু বর্তমানে নানা স্থানে শিল্প কারখানা গড়ে ওঠার কারণে এবং গাছির অভাবে সেই খেজুর বাগান আর দেখা যায় না।

, বৃদ্ধ গাছি আনোয়ার জানান, আগে অসংখ্য খেজুর গাছ ছিল এলাকায়। এখন আর নেই। সময়ের পরিবর্তনে এখন গুড় কিনে খেতে হয়। অনেক গাছিরা খেজুর গাছ কাটতেন। এদের মধ্যে অনেকেই মারা গেছেন। যারা জীবিত আছেন তারা এখন আর গাছ কাটেন না। এখন বিকেল হলেই গাছির গাছ কাটার ব্যস্ততা লক্ষ করা যায় না। রাস্তার ধারের গাছগুলোর দিকে তাকালেই বোঝা যায় কত বছর গাছগুলো কেউ কাটে না। কাটার জন্য গাছির অভাবে গাছগুলো জঙ্গলে পরিণত হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এ জাতীয় আরো খবর..

cover3.jpg”><img src=”https://www.bssnews.net/wp-content/uploads/2020/01/Mujib-100-1.jpg”>

via Imgflip

 

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি  © All rights reserved © 2011 Gnewsbd24
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazargewsbd451