রবিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২১, ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ডুমুরিয়ায় আসন্ন নির্বাচনে প্রচার-প্রচারনা মনোনয়ন প্রত্যাশী বিএনপি-আ’লীগ সমানে সমান সুন্দরবনে খনন করা হচ্ছে ৮৮ পুকুর: মিটবে বন্যপ্রাণীর মিঠাপানির চাহিদা খুলনা জেলা আ’লীগের নবগঠিত কমিটির শ্রদ্ধা নিবেদন বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে সুন্দরগঞ্জ পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে জাপার প্রার্থী রশিদ নির্বাচিত শেরপুরে মেয়র পদে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী জগ মার্কা খোকা জয়ী লামা পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী জহিরুল বেসরকারি ভাবে জয়ী শ্যামনগরে মিথ্যা মামলা করে সামাজিক কর্মকান্ডে বাঁধা প্রদানের প্রতিবাদে মানববন্ধন মোংলা পোর্ট পৌরসভা নির্বাচনে আ.লীগের আব্দুর রহমান জয়ী, বিএনপির ভোট বর্জন বগুড়ার সান্তাহারে ধানের শীষের প্রার্থী তোফাজ্জল পুনরায় মেয়র নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ৫ দফা দাবির আন্দোলনে যুক্ত দুই শিক্ষার্থীর বহিষ্কার প্রত্যাহারের দাবি

সগিরা মোর্শেদ হত্যা: ৩০ বছর পর আবারো বিচার কাজ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক :
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৩৫ বার পঠিত

৩০ বছর আগে রাজধানীতে চাঞ্চল্যকর সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলায় ভাসুরসহ ৪ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আনুষ্ঠানিক বিচারকার্য শুরু করেছে আদালত।বুধবার (০২ ডিসেম্বর) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

এর আগে গত ২৬ নভেম্বর ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে অভিযোগ গঠন আংশিক শুনানি হয়। শুনানি শেষে আদালত চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন।

চার আসামি হলেন- নিহত সগিরা মোর্শেদের ভাসুর ডা. হাসান আলী চৌধুরী, তার স্ত্রী সায়েদাতুল মাহমুদা ওরফে শাহীন, হাসান আলীর শ্যালক আনাস মাহমুদ ওরফে রেজওয়ান ও ভাড়াটে খুনি মারুফ রেজা। সগিরা মোর্শেদ হত্যার ৩০ বছর পর রহস্য উদঘাটন করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) চারজনের বিরু‌দ্ধে গত ১৪ জানুয়া‌রি আদাল‌তে অভিযোগপত্র জমা দেয়। এক হাজার ৩০৯ পৃষ্ঠার অভি‌যোগপত্রে রাষ্ট্রপক্ষে মোট ৫৭ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ১৯৮৯ সালের ২৫ জুলাই সগিরা মোর্শেদ সালাম ভিকারুননিসা নূন স্কুল থেকে মেয়েকে আনতে যাচ্ছিলেন। বিকাল ৫টার দিকে সিদ্ধেশ্বরী রোডে পৌঁছামাত্র মোটরবাইকে আসা ছিনতাইকারীরা তার হাতের সোনার চুড়ি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। তিনি দৌড় দিলে তাকে গুলি করা হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই সগিরা মোর্শেদ সালাম মারা যান।ওই ঘটনায় সেদিনই রমনা থানায় মামলা করেন তার স্বামী আব্দুস সালাম চৌধুরী। পরে মিন্টু ওরফে মন্টু ওরফে মরণের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ।

১৯৯১ সালের ১৭ জানুয়ারি আসামি মন্টুর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু বকর সিদ্দিক। সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয় সাতজনের।

সাক্ষীতে মারুফ রেজা নামে এক ব্যক্তির নাম আসায় অধিকতর তদন্তের আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। ওই বছরের ২৩ মে অধিকতর তদন্তের আদেশ দেন আদালত। এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিভিশন মামলা (১০৪২/১৯৯১) করেন মারুফ রেজা। যিনি তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিকটাত্মীয় ছিলেন।

১৯৯১ সালের ২ জুলাই ওই তদন্তের আদেশ ও বিচারকাজ ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে তদন্তের আদেশ কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। ১৯৯২ সালের ২৭ আগস্ট ওই রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত মামলার বিচারকাজ স্থগিত থাকবে মর্মে আরেকটি আদেশ দেয়া হয়।

২০১৯ সালের ২৬ জুন এ মামলার ওপর ২৮ বছর ধরে থাকা স্থগিতাদেশ তুলে নেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে মামলা ৬০ দিনের মধ্যে পিবিআইকে অধিকতর তদন্ত শেষ করতে নির্দেশ দেন। একই বছরের ২০ নভেম্বর পিবিআইকে হাইকোর্টের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ তদন্তের জন্য আরও ৬০ দিনের সময় দেন। এরপর পিবিআই বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেফতার করে। চারজনই হত্যার দায় স্বীকার করে বিচারিক আদালতে জবানবন্দি দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এ জাতীয় আরো খবর..

cover3.jpg”><img src=”https://www.bssnews.net/wp-content/uploads/2020/01/Mujib-100-1.jpg”>

via Imgflip

 

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি  © All rights reserved © 2011 Gnewsbd24
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazargewsbd451