বুধবার, ২০ জানুয়ারী ২০২১, ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আমতলীতে বোরো চাষে ঝুঁকছে ধুকছে কৃষক খুলনায় প্রধানমন্ত্রীর নামে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য একটি খসড়া আইন ধনপুরে সেচ স্কীম সংকটে অনাবাদী থাকতে পারে ৪০ একর জমি প্রধানমন্ত্রীর উপহার (বাড়ী) পাচ্ছে ভোলার ৫২০ পরিবার পঞ্চম ধাপে ২৮ ফেব্রুয়ারি বগুড়াসহ মোট ৩১টি পৌরসভার ভোট গ্রহণ বাগেরহাটে বাঘের চামড়াসহ চোরা কারবারি আটক পীরগঞ্জে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৮৫তম জন্মদিন পালিত শহীদ জিয়ার ৮৫তম জন্মবার্ষিকী পালন উপলক্ষে বিএনপি’র শীতবস্ত্র বিতরণ শার্শায় অবৈধ ক্লিনিক মালিকে ১লক্ষ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত ঝিনাইদহে বাড়ীবাথান গ্রামের একটি বাগান থেকে অজ্ঞাত নারীর লাশ উদ্ধার

বেসরকারি হাসপাতালগুলো বিলের নামে ডাকাতি করছে – ডা. মো: জাফরুল্লাহ

জি-নিউজবিডি২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ২৮ বার পঠিত

করোনার চিকিৎসায় আকাশচুম্বি খরচ হচ্ছে। ১ হাজার লিটার অক্সিজেনের দাম মাত্র ৭০ টাকা হলেও কোন কোন হাসপাতাল ১৫/২০ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করছে। বিভিন্ন রকম পরিক্ষার নামে প্রতারণা করা হয়। পরীক্ষার নামে ডাক্তাররা কমিশন নিয়ে থাকেন। এর জন্য ৪২০ ধারায় মামলা হতে পারে। বেসরকারি হাসপাতালগুলো বেশিরভাগই করোনা চিকিৎসায় বিলের নামে একধরনের ডাকাতি করছে।

চিকিৎসার নামে যা চলছে তা কোনভাবেই কাম্য নয়। এবিষয়ে সরকারের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। যাতে সাধারণ মানুষ প্রতারণার শিকার না হয়ে সহজেই চিকিৎসা নিতে পারে। আজ তেঁজগাওস্থ বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনে (এফডিসি) করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলা নিয়ে ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. মো: জাফরুল্লাহ চৌধুরী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী আরো বলেন, একটি বেসরকারি কোম্পানির মাধ্যমে করোনার ভ্যাকসিন কেনার যে চুক্তি করা হয়েছে তা যদি সরকারি নিজস্ব ঔষধ কোম্পানীর মাধ্যমে করা হত তাহলে প্রতি ভ্যাকসিনে ২ ডলার আরো খরচ কম হত। গণস্বাস্থ্য সর্বপ্রথম করোনা চিকিৎসায় এন্টিজেন টেস্ট প্রবর্তনের চেষ্টা করেছিলো। সরকারের অনুমতির অভাবে সেটা বাস্তবায়ন হয়নি। গ্লোব বায়োটেকের টিকাও প্রমেজিং, সরকারের এই টিকাকে প্রমোট করা প্রয়োজন। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় জনসচেতনতার কোন বিকল্প নেই। কিন্তু ভ্রাম্যমান আদালত বা জরিমানা করে তা সম্ভব নয়। পাবলিক সর্ভিস প্রণোদনা হিসেবে সকলকে মাস্ক বিতরণ করা জরুরী।

সভাপতির বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, করোনার এই মহামারীর ক্রান্তিকালে ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, নিরাপত্তা বাহিনী সহ গণমাধ্যম কর্মীরা মৃত্যুকে ভয় না পেয়ে ফ্রন্টলাইন যোদ্ধা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে ১১৫ জন ডাক্তার সহ বহু সাংবাদিক, নিরাপত্তা কর্মী করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। গণমাধ্যমগুলো করোনার ঝুুঁকি মোকাবেলায় বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষকে সচেতন করছে ও স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে আসছে। কিন্তু সেভাবে তাদের কথা কেউ ভাবছেনা।

করোনাকালীন সময়ে কর্মরত সাংবাদিকদের জরুরি চিকিৎসার জন্য আলাদা হাসপাতাল এবং প্রণোদনা হিসেবে বিশেষ ঝুঁকি ভাতা দেয়া আবশ্যক। একইসাথে গণমাধ্যমে কর্মরতদের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা প্রদানের আওতায় আনা উচিৎ। জনাব কিরণ বলেন, ইতোমধ্যে রাশিয়া ও ইংল্যান্ডে করোনার টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। বাংলাদেশও দেড় কোটি মানুষের জন্য আগামী জানুয়ারীতে এই ভ্যাকসিন পাবার কথা রয়েছে।

যার জন্য ইতোমধ্যে ১০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই ভ্যাকসিন বিপণন, সংরক্ষন, পরিবহন নিয়ে জটিলতা তৈরি হবে বলে অনেকে মনে করছেন। আমি মনে করি বাংলাদেশে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচী পৃথিবীর রোল মডেল হিসেবে পরিচিত। টিকাদান কর্মসূচীর নেটওয়ার্ক খুবই শক্তিশালী। প্রত্যেক জেলাতেই নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় টিকা রাখার ব্যাবস্থা রয়েছে।

আশা করা যায় জানুয়ারীতে এই টিকা বাংলাদেশে আসলে ৩/৪ মাসের মধ্যেই দেড় কোটি মানুষের মধ্যে ৩ কোটি টিকা দেওয়া সম্ভব হবে। তবে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাদের এই টিকা প্রদান করা হবে তারও তালিকা প্রস্তুত করা উচিৎ। কোন সেফটি বক্সে টিকা রাখা হবে, কোন সিরিঞ্জ দিয়ে পুশ করা হবে, টিকা প্রদানের জন্য প্রশিক্ষিত জনবল তৈরি আছে কিনা তার অগ্রগতি এখনো দৃশ্যমান নয়।

তিনি আরো বলেন, বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এর ব্যায়ভার বহন করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে নি¤œ মধ্য আয়ের মানুষেরা। কি কারনে বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে করোনার চিকিৎসা এতো ব্যায়বহুল হয়ে দাড়িয়েছে এর জবাব খুঁজে পাওয়া মুশকিল। বেসরকারি হাসপাতালগুলো যাতে রোগিদের কাছথেকে অতিরিক্ত বিল আদায় করতে না পারে সেদিকে সরকারের নজরদারী বাড়াতে হবে।

প্রতিযোগিতায় সরকারি দল বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন এন্ড টেকনোলজীকে পরাজিত করে বিরোধী দল বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এন্ড টেকনোলজীর বিতার্কিকরা বিজয়ী হয়। প্রতিযোগিতা শেষে দলসমূহকে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। প্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন অধ্যাপক আবু মোহাম্মদ রইস, আবুল বশির খান এফসিএমএ, সাংবাদিক জিনিয়া কবির সূচনা, সাংবাদিক ফালগুনী রশীদ ও অধ্যাপক তাজুল ইসলাম চৌধুরী তুহিন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এ জাতীয় আরো খবর..

cover3.jpg”><img src=”https://www.bssnews.net/wp-content/uploads/2020/01/Mujib-100-1.jpg”>

via Imgflip

 

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি  © All rights reserved © 2011 Gnewsbd24
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazargewsbd451