1. gnewsbd24@gmail.com : admi2019 :
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০২:৩৬ অপরাহ্ন

তানোরে ২০ লাখ টাকা আত্মসাৎ

আব্দুস সবুর, তানোর প্রতিনিধি (রাজশাহী) ঃ
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৪ মে, ২০২০
  • ৩৫ বার পঠিত

রাজশাহীর তানোরে দলিল লেখক সমিতির আদায়কারী খলিলুর রহমান খলিল সমিতির প্রায় ২০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে আত্মগোপনে রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। একের পর এক সময় নিয়ে টাকা না দিয়ে কালক্ষেপণ করছেন তিনি। আবার আত্মসাৎ করা টাকা বিলিয়ে উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়ন বিএনপির একাংশের সভাপতি হয়েছেন। ফলে খলিলের বিচারের দাবিতে এবং তাকে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি দিতে দলিল লেখকরা স্থানীয় সাংসদ ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এমনকি আত্মসাৎ কারি খলিল নাকি কামারগাঁ ইউপির চেয়ারম্যানের ভোটও করবেন।

জানা গেছে উপজেলার কামারগাঁ ইউপি এলাকার মাদারিপুরগ্রামের বাসিন্দা ভুমিদস্যু খলিলুর রহমান খলিল সাবরেজিস্ট্রি অসিফ এখানে আশার পর থেকে দলিল লেখক হিসেবে কাজ করে আসছেন। তাকে এলাকায় সবাই ভুমিদস্যু হিসেবেই চিনে। এঅবস্থায় ২০১৯ সালের দিকে কোন সিদ্ধান্ত ছাড়াই খলিলকে সমিতির টাকা আদায়ের দায়িত্ব দেন ওই সময়ের সভাপতি তাসির উদ্দিন, সাধারন সম্পাদক রাব্বানীসহ কমিটির কিছু ব্যক্তিরা। তবে তাকে দায়িত্ব না দিতে অন্য দলিল লেখকরা নিষেধ করা সত্ত্বেও দেয়া হয় দায়িত্ব। টাকা আদায়ের দায়িত্ব পেয়ে কয়েকমাস ভালোই চলছিল।কিন্তু এভালোর মধ্যেই খলিল শুরু করেন টাকা আত্মসাৎ করা। ক্ষমতাসীন দলের কিছু লেখক ও কমিটির কিছু সদস্যকে তুষ্ট করে এক বছরের কম সময়ের মধ্যেই প্রায় ২০ লাখ টাকা গায়েব করে দেন খলিল।কিন্তু অবাক করার বিষয় তিনি এতো টাকা আত্মসাৎ করলেও যারা দায়িত্বে নিয়ে এসেছিল তাঁরা না কিছুই বুঝতে পারেনি।

অবশেষে কমিটির মেয়াদ শেষ হলে গঠন করা হয় আহবায়ক কমিটি। আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয় সিনিয়র দলিল লেখক আলহাজ্ব ফাইজুল কে ও সদস্য সচিব করা হয় আলহাজ্ব খাইরুল ইসলামকে। তাঁরা দায়িত্ব নেবার কিছু দিনের মধ্যেই প্রকাশ পায় লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের ঘটনা। শুধু খলিল না সমিতির ক্যাসিয়ার নারায়ন প্রায় ৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। গত ৩০ এপ্রিল তাদের টাকা ফেরত দেবার কথা ছিল। কিন্তু তাঁরা ফেরত দেয়নি।

আহবায়ক ফাইজুল জানান যখন টাকা আত্মসাৎ হয় তখন আমরা দায়িত্বে ছিলাম না। তাঁরপরও টাকা উত্তোলনের জন্য বারবার চাপ সৃষ্টি করছি। কিন্তু অফিস বন্ধ থাকার কারনে কাজটি হচ্ছেনা। ২০১৯ সালে সমিতির সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন তাসির উদ্দিন তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয় আপনারা দায়িত্বে থাকতে কিভাবে এতো টাকা আত্মসাৎ হল তিনি জানান ওই সালে হিসেব নেয়া হয়েছিলনা যার কারনে এসুযোগ পেয়েছে। গত ৩০ এপ্রিল টাকা ফেরত দেবার কথাছিল কিন্তু দেয়নি এখন কি অবস্থা জানতে চাইলে তিনি জানান অফিস না খুলা পর্যন্ত কিছুই বলা যাচ্ছেনা।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে যখন ঘরবন্ধি হয়ে পড়েছে দলিল লেখকরা। তখন থেকে কমিটির সদস্যদের শুরু হয়েছে নানা তালবাহানা। এক মাস অতিবাহিত হলেও তাঁরা সদস্যদের কোন খোজ রাখছেন না।দুইবারে দু হাজার করে চার হাজার টাকা সমিতি থেকে দেয়া হয়েছে। এটা দিয়েই দায় সেরেছে কমিটির লোকজন।প্রায় দেড়শোর বেশি দলিল লেখক অর্ধাহারে অনাহারে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করলেও কোন খোজ খবর নেয়।

টাকা আত্মসাৎ কারী খলিলের কাছে জানতে চাওয়া হয় আপনি সমিতির টাকা কেন আত্মসাৎ করলেন জবাবে বলেন আত্মসাৎ না অন্য কাজে খরচ হয়েছে সেটা পুরুন করে দেয়া হবে বলে এড়িয়ে যান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এ জাতীয় আরো খবর..

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি  © All rights reserved © 2011 Gnewsbd24
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazargewsbd451