মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২১, ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
খুলনার লবণচরা ভাড়া না পেয়ে ঘরে তালা, বন্ধ ঘরে শিশু মৃত্যু চুয়াডাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় স্বামী-স্ত্রী নিহত ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাবের ব্যাডমিন্টন ফেস্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত খুলনার আলোচিত সাংবাদিক বালু হত্যা মামলায় পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ মাগুরায় মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে ১১৫ ভুমিহীন পরিবার পাচ্ছে নতুন ঘর খুলনায় যাত্রীবাহী বাস তল্লাশীতে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণসহ আটক এক গাংনী প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে নবনির্বাচিত পৌর মেয়রের মতবিনিময় ময়মনসিংহ সদরের মাইজবাড়ী আব্দুল খালেক উচ্চ বিদ্যালয়ে পিঠা উৎসব ওয়ালটন সার্ভিসেস কুস্তি প্রতিযোগিতা শুরু: আনসারের দুই স্বর্ণ জয় মার্টিন লুথার কিং অসাধারণ শক্তি আর অনুপ্রেরণার উৎস

১৩ জানুয়ারী হিলি ট্রেন ট্র্যাজেডি দিবস

মাসুদুল হক রুবেল, হিলি প্রতিনিধি (দিনাজপুর) :
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২১
  • ১৬ বার পঠিত

আজ ১৩ জানুয়ারী, দিনাজপুরের হিলি ট্রেন ট্রাজেডি দিবস। আজ থেকে ২৬ বছর আগে ১৯৯৫ সালের ১৩ জানুয়ারি হিলি রেলস্টেশনে দেশের সবচেয়ে বড় ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটে। দুটি ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে মারা যান ২৭ জন। তবে ২৬ বছরেও আহত ও নিহতের পরিবার ক্ষতিপূরণ পায়নি। এমনকি আজও আলোর মুখ দেখেনি তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন।

বাংলাহিলি রেলওয়ে একতা ক্লাবের তৎকালীণ সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বুলুসহ কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী ও হিলি স্টেশন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৫ সালের ১৩ জানুয়ারি শুক্রবার রাত সোয়া ৯টায় হিলি রেল স্টেশনে ক্রসিংয়ের উদ্দেশ্যে স্টেশনের ১ নম্বর লাইনে দাঁড়িয়েছিল গোয়ালন্দ থেকে পার্বতীপুরগামী ৫১১ নম্বর লোকাল ট্রেন। তবে সেসময়ের দায়িত্বরত স্টেশন মাস্টার ও পয়েন্টসম্যানের অবহেলার কারণে একই লাইনে ঢুকে পড়ে সৈয়দপুর থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী ৭৪৮ নম্বর আন্তঃনগর সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনটি।

এতে দুইটি ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বিকট শব্দে ভারি হয়ে উঠে আকাশ-বাতাস। এদুর্ঘটনায় লোকাল ট্রেনটির ইঞ্জিনসহ তিনটি বগি দুমড়ে মুচড়ে যায়। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, স্থানীয় রেলওয়ে একতা ক্লাবের সদস্যসহ স্থানীয়রা দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের উদ্ধার করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ভয়াবহ এই ট্রেন দুর্ঘটনায় দুটি ট্রেনের অর্ধশতাধিক যাত্রী নিহত হয়। আহত হয় দুই শতাধিক যাত্রী। নিহতদের অনেকের দেহ ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে থাকে। পরে স্থানীয় মানুষ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের লোকজনের সহায়তায় লাশ উদ্ধারসহ আহতদের দ্রুত উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠায়। সেসময় সরকারি ভাবে নিহতের সংখ্যা ২৭ জন ঘোষণা করা হয়। আর আহতের সংখ্যা বলা হয় শতাধিক।

দুর্ঘটনার পরদিন ১৪ জানুয়ারি দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন নিহত ও আহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। গঠন করা হয় তদন্ত কমিটি। কিন্তু দুর্ঘটনার ২৬ বছরেও আহত ও নিহতদের অনেক পরিবার সেই ক্ষতিপূরণের টাকা পায়নি। সেই সঙ্গে আজও তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ হয়নি। এদিকে প্রতিবারের ন্যয় এবারও স্থানীয় রেলওয়ে একতা ক্লাবের উদ্যোগে কলো ব্যাচ ধারণ ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এ জাতীয় আরো খবর..

cover3.jpg”><img src=”https://www.bssnews.net/wp-content/uploads/2020/01/Mujib-100-1.jpg”>

via Imgflip

 

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি  © All rights reserved © 2011 Gnewsbd24
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazargewsbd451