বৃহস্পতিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০২:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দিনাজপুরের বিরামপুরে সরকারি জায়গা দখল করে দোকান ঘর নির্মান বন্দরে তিতাসের অধিগ্রহনকৃত জমি রক্ষা পেলনা মাসুম চেয়ারম্যানের হাত থেকে অপরিকল্পিতভাবে ভূমি অফিসের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করায় অবরূদ্ধ পরিবারটি পীরগঞ্জে সাংবাদিকদের সাথে অধ্যক্ষ খলিলের মতবিনিময় নওগাঁর মহাদেবপুরে গলা পায়ের রগ কাটা মানসিক ভারসাম্যহীন এক ব্যাক্তিকে উদ্ধার আলোচিত যুবলীগ নেতা মিলনকে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টা মামলায় চারজনের আদালতে আত্মসমার্পণ বিশ্বম্ভরপুরে চেয়ারম্যান রনজিতের উপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ফুলবাড়ীতে ফেন্সিডিল-গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক শোকাহত মতিউরের পরিবারের পাশে চেয়ারম্যান প্রার্থী খলিল দিনাজপুরের হাকিমপুর নর্ব নিবাচিত পৌর মেয়রকে গণ সংর্বধনা

বাংলাদেশের জাতীয় বাজেট : সাংবিধানিকতা ও বাস্তবতা

জি-নিউজবিডি২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৫১ বার পঠিত

গণ প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চম ভাগে, আইনসভা অধ্যায়ে , ২য় পরিচ্ছেদে, ’আইন প্রনয়ন ও অর্থসংক্রান্ত পদ্ধতি’ অনুযায়ী ৮১ অনুচ্ছেদে সংঙ্গায়িত ’অর্থবিল’ ই ব্যবহারিক অর্থে বাজেট । সংবিধানের কোথাও বাজেট শব্দের নাম নিশানা নেই অথচ লোক সমাজে বাজেট একটি বহুল ব্যবহৃত ও পরিচিত শব্দ।

সংসদে সম্পুরক এবং নতুন অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব পেশ কালে ট্রেজারী বেঞ্চ থেকে যে ’ বাজেট বক্তৃতা ’ দেয়া হয় তা আইনত বাজেট নয়, সেটি পারতপক্ষে অর্থবিলের নির্বাহী সারাংশ , এবং এটিকে বড়জোর সরকারের ’ রাজনৈতিক অর্থনীতির বার্ষিক বিবৃতি’, কখনো সখনো নির্বাচনি ইশতেহারও বলা যায়। ’অর্থবিল’ লোক চক্ষুর আড়ালেই থেকে যায় , নথিতে তার অবস্থান ’সংযোজনী’ হিসেবে। বাজেট প্রস্তাব পেশের পর ’বাজেট আলোচনা’য় অর্থবিলের পর্যালোচনা প্রাসঙ্গিকতা খুব একটা দেখা যায় না।

অর্থবিলের আওতা ও পরিরিধি সংক্রান্ত সংবিধানের ৮১ (১) উপ অনুচ্ছেদে (ক) কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণ; (খ) সরকার কর্তৃক ঋণগ্রহণ বা কোন গ্যারান্টিদান, কিংবা সরকারের আর্থিক দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত আইন সংশোধন; এবং (গ) সংযুক্ত তহবিলের রক্ষণাবেক্ষণ, অনুরূপ তহবিলে অর্থপ্রদান বা অনুরূপ তহবিল থেকে অর্থ দান বা নির্দিষ্টকরণ এর দায়িত্ব সংসদের বলা আছে , কিন্তু সরকারের ঋণ ( বিশেষ করে নানান শর্তাসাবুদে ভরা বিদেশী ঋণ গ্রহন সম্পর্কে ) সংসদে কখনই কোন আলোচনার নজির নেই এবং বিনা বাক্য ব্যয়ে সম্পুরক বিল পাশের ক্ষেত্রে সংসদের সেই অধিকার ও দায়িত্ব পরিপালনের সুযোগ সততই সীমিত ।

৮১(৩) মতে রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য সংসদে উত্থাপিত, পর্যালোচিত এবং ’পাশকৃত’ ’বাজেট’ টি পেশ করার সময়ে স্পীকারের স্বাক্ষরে এটি একটি অর্থবিল মর্মে সার্টিফিকেট দিতে হয় , যা সকল বিষয়ে চূড়ান্ত এবং সে সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তি বর্ষে বাংলাদেশের জাতীয় বাজেট সংসদে পেশ ও পাশের পদ্ধতি প্রক্রিয়ায় পরিলক্ষিত সীমাবদ্ধতা সংস্কারের অনিবার্যতা অনস্বীকার্য

বাজেট কার, কার জন্য বাজেট

সংবিধানের ’প্রস্তাবনায়’ সর্ব প্রথমে উচ্চারিত তিন শব্দ ’ আমরা বাংলাদেশের জনগণ’; জাতীয় বাজেটে প্রতিফলিত হওয়া উচিত সেই জনগনের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির, এই বাজেট বিশাল টাওয়ার কিংবা বড় গ্রুপ কোম্পানীর কর্ণধারের যেমন এই বাজেট নীলফামারীর ডোমার উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামের দরিদ্র কৃষকের,শরৎচন্দ্রের গফুর ও মহেশের,চাষাদের, কামার, কুমার মজুরের , এই বাজেট রাস্ট্রের ,শুধু সরকারের নয়, শুধু পক্ষের নয় বিপক্ষেরও, সকলের ।

স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা, কৃষি খাতে অগ্রাধিকার এবং বরাদ্দ বাড়ালেই বাজেট জনগনের বাজেট বা ইতিবাচক হয় না ,স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ বাড়ালেই মহামারি মোকাবিলা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অটোমেটিক্যালি বাড়ে না, এই খাতের ব্যয়ের সক্ষমতা ও সুশাসন নিয়ে প্রশ্ন যদি বহাল থাকে এবং তা নিরসন নিয়ন¿েণ জবাবদিহি করণে কথায় নয় কাজে অগ্রগতি না থাকে।

করোনা সংকটে বেশী মাত্রায় ক্ষতিগ্রস্ত স্বাস্থ্য,শিক্ষা, ক্ষুদ্র ও মাঝারী শিল্প, মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের কর্মসংস্থান, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলার মতো খাতগুলোকে অগ্রাধিকার প্রাপ্য। করোনার প্রভাবে বাজেট প্রক্রিয়ায় স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতের গুরুত্ব আলোচিত হলেও, সেখানে বরাদ্দ নমিনাল টার্মে আপেক্ষিকভাবে কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও দেখা যায় জলবায়ু পরিবর্তন জনিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ, শিক্ষা , দক্ষ জনসম্পদ তৈরী, ফর্মাল ও ইনফর্মাল সেক্টরে কর্মসৃজনমূলক শিল্প উদ্যোগে কার্যকর পদক্ষেপের , বাস্তবায়নের খাতে বরাদ্দ সে হারে আরো বাড়ানো প্রয়োজন এ জন্যে যে এ গুলি করোনা যে আর্থিক ও সামাজিক ক্ষতি সাধন করেছে তা পুনরুদ্ধারে পরিপূরক ও সহায়ক ভুমিকা পালন করবে।

উন্নয়নশীল অর্থনীতির বাজেট !

বাংলাদেশের অর্থনীতিকে নিম্ন থেকে নিম্ন মধ্যবিত্তের তকমা পেতে হলে সকল খাত ও ক্ষেত্রে একযোগে উন্নয়নশীল হতে হবে। বাংলাদেশ অর্থনিিতর প্রাণ বায়ু কুষি খাতে কৃষির উৎপাদন কৃষি তথা সামগ্রীকভাবে কৃষিখাতের উন্নতি একটি সম্মিলিত প্রয়াস। যেখানে কৃষিবিদ, কৃষিবিজ্ঞানী, কৃষক ও কৃষি উপকরনের সাথে সম্পৃক্ত প্রাইভেট সেক্টর, আমিষ , শর্করা সরবরাহকারীরাও সরাসরি জড়িত।

কৃষিক্ষেত্রে ভর্তুকী/প্রনোদনা যেন যথাযথভাবে এবং যথা সময়ে সত্যিকার প্রান্তিক চাষীরা, খামারীরা পায়। নতুন নতুন উদ্ভাবন ও সম্প্রসারনে বাংলাদেশে প্রাইভেট সেক্টরের অবদান কম নয়। সেজন্য পাবলিক সেক্টরের পাশাপাশি প্রাইভেট সেক্টরেও বাজেট বরাদ্দ থাকা উচিৎ।

রাসায়নিক সারের তুলনায় জৈবসারে মাটির সাস্থ্য ভাল করে বিধায় রাসায়নিক সারের মত বাজেটে জৈবসার উৎপাদনে ভর্তুকীর ব্যবস্থা রাখা যেতে পারে। দেশের প্রাšিতক চাষীরা যাতে তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যয্য মূল্য পায় তার সুস্পষ্ট কৌশল, মধ্যস্বত্বভোগিদের প্রতিরোধ, প্রতারক , পথে পথে চাঁদাবাজ এর দৌরাত্ব, প্রান্তিক পর্যায় পর্যন্ত পরিব্যাপ্ত দুর্নীতি কমানোর কমিটমেন্ট বাজেটে থাকা দরকার।

বাংলাদেশের প্রায় সকল সেক্টরেই বীমার ব্যবস্থা থাকলেও গত বাজেটে কৃষি ও কৃষকের বীমার প্রস্তাবনা থাকলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। প্রাšিতক চাষী, ক্ষুদ্র ও মাঝারী শিল্প উদ্যোক্তা,খামারী, মাছ চাষীর কাছে স্টিমুলাস প্যাকেজের টাকা পৌছায়নি। ব্যাংক বা আর্থিক খাতে বিশাল ব্যধির সুচিকিৎসার ব্যবস্থা হয়নি। ধনি আরো ধনি হওয়ার সহজ সুযোগে আয় বৈষম্য বেড়েই চলেছে । অন্তভুর্ক্তির নামে বিচ্ছিন্নতাই বাড়তে থাকলে ’কাউকে পেছনে ফেলা যাবেনা’ এস ডিজি গোল অর্জনের এ মর্মবাণী সকরুণ ব্যর্থতার বিবরে উন্নয়নশীল অর্থনীতির কপোলে কাল তিলক আঁকতেই থাকবে ।

গ্রামীণ কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে সামাজিক সুরক্ষার আওতায় বরাদ্দ আরও বেশি থাকা দরকার এবং বন্টনে পক্ষপাতিত্বহীন ও স্বচ্ছ হওয়া আবশ্যক। ৫০ লক্ষ প্রাপককে যে বিশেষ অর্থ প্রদান করা হয়েছিল তার ন্যয্যতা ,সঠিক গন্তব্য ও প্রাপ্যতা নিয়ে এখনো সংশয় রয়ে গিয়েছে।

ব্যবসা বাণিজ্য বিনিয়োগ বান্ধব বাজেট..

বাজেটে একদিকে দুর্নীতর বিরূদ্ধে কঠোর অবস্থানের ও সুশাসনের কথা থাকলেও যেভাবে অপ্রদর্শিত কালো টাকা সাদা করার সুযোগ রাখা হয়েছে, তা স্ববিরোধিতায় আকীর্ণ । মাত্র ১০ শতাংশ হারে কর প্রদান করলে কোন সংস্থা কোন প্রশ্ন তুলতে পারবেনা এভাবে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ থাকলে নিয়মিত করদাতাদের আরও নিরুৎসাহিত করা হবে।

যথায়থ কর দিয়ে কালো টাকা সাদা করার সময় নির্দিষ্ট করে দেয়া প্রয়োজন। একই সাথে কালো টাকা আয় উপার্জনের পথ বন্ধ করা এবং উদ্ধারে কঠোর কর্মসুচিতে যাওয়ার আবশ্যকতা থাকবে। কেননা যখন ফাঁকি দিয়ে পার পাওয়ার সুযোগ থাকে, তখন সাদা করার তাগিদ থাকে না। কস্ট অব ডুয়িং বিজনেস কেন ও কিভাবে বাড়ছে , কেন ও কিভাবে অর্থ পাচার হচ্ছে সেদিকে মনোযোগ না দেয়া হবে আত্মঘাতি।

বেকারত্ব দূও তথা কর্মসংস্থানের জন্য ’বাজেট বক্তৃতায়’ অনেক কথা বলা হয়। তবে নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি, বিদেশ ফেরত প্রবাসিদের হতাশা দূর, এই মুহূর্তে অনলাইনভিত্তিক বিভিন্ন কাজের যে সুযোগ তৈরি হয়েছে, সেটা কীভাবে সমন্বয় হবে, প্রশিক্ষণসহ অন্যান্য কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, অভ্যন্তরীণ বাজারে চাহিদা সুষ্টি করা যাবে,সেই সুযোগের ক্ষেত্রে বাজেট বরাদ্দ ও দিকনির্দেশনা প্রয়োজন হবে ।

করোনা উত্তর পরিবেশ ও পরিস্থিতিতে চীন সহ অনেক দেশ থেকে জাপানী বিনিয়োগ অন্যত্র স্থানাšতরের যে সুযোগের হাতছানি আমরা দেখতে পাচ্ছি সেখানে ডেস্টিনেশন হিসেবে বাংলাদেশকে সক্ষম করে তোলার প্রয়োজনীয়তা অগ্রগণ্য,বাজেটে তার কার্যকর কর্মপরিকল্পনা থাকা দরকার । আইবিএফবি এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহনের আহবান জানিয়েছে , জানাচ্ছে, জ্ানাবে । আই বি এফবি এ ব্যাপারে বিনিয়োগ পোষন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সরকারের সাথে উদ্যোগী ভুমিকা পালনের প্রত্যাশা করে।

সম্প্রসারণধর্মী বাজেটের প্রয়োজনীয়তা কেন

দেশের অর্থনৈতিক বুনিয়াদ মজবুত করার জন্য সুপরিকল্পিত ও সম্প্রসারণধর্মী বাজেটের কোন বিকল্প নেই। ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ফোরাম অব বাংলাদেশ (আইবিএফবি) মনে করে বাংলাদেশকে টেকসই উন্নয়নশীল দেশে উন্নীতকরণ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত ও প্রগতিশীল রাষ্ট্রে পরিণত করতে একটি বহুমুখী, বাস্তবায়নযোগ্য এবং সম্প্রসারণশীল বাজেটের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য।

বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কাঠামো ও এর গতি প্রকৃতির সাথে তুলনা করলে সাম্প্রতিক কালের বাজেট বরাদ্দকে উচ্চাভিলাসি বলা চলে না , বাস্তবিক ভাবেই এ বাজেট বরাদ্দ খুব বেশী নয়। এদেশের অর্থনীতির ভিত মজবুত করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দেশী বিনিয়োগ বৃিদ্ধ ও বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণ করা, অবকাঠামোগত উন্নয়নে মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা, সামাজিক নিরাপত্তা বলয় বৃদ্ধি, সামগ্রিক ব্যবসার পরিবেশ উন্নত করা এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নের জন্য বাজেটের পরিমান আরো বৃদ্ধি করার অবকাশ রয়েই যাচ্ছে।

বাংলাদেশের বাজেটের আকার বাড়ছে। ফলে আলোচ্য বাজেট সামলানো ও বাস্তবায়ন সক্ষমতা বাড়ানোর চাপও বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাজেট বরাদ্দে দক্ষতা উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে বরাদ্দকৃত অর্থের যথাযথ ব্যবহারের সক্ষমতা বাড়ানো জরুরী। এক্ষেত্রে প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার, বাজেট বাস্তবায়নে যথাযথ পরিবীক্ষণ, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয়ধর্মী যোগাযোগ ও লক্ষ্যে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে সমঝোতা বৃদ্ধি, ত্বরিত সিদ্ধাšত গ্রহণের সক্ষমতা বৃদ্ধি, সকলের সঙ্গে একজোট হয়ে কাজ করতে পারলে করোনাকালেও দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব বৈকি।

করোনাকাল সহসা চলে যাবে এমন ধারনায় চলতি বাজেট করা হয়েছিল , করোনা এখনো যায়নি, জীবন ও জীবিকার সন্ধানে ঝুকি নিয়ে মানুষ নিজের থেকে ছোটা ছুটি করছে এটাকে স্বস্তির ও আত্মতৃপ্তির বিষয় ভাবা সমীচিন হবে না । ২০২১ সালেও করোনার অভিঘাত অব্যাহত থাকবে এটা মনে রেখে বাজেটে পরিকল্পনা আটতে হবে। ব্যয় কৃচ্ছতা সাধনে ঢিলেমি হবে অবিবেচকের কাজ।

এখন জ্বলন্ত ইস্যু হচ্ছে করোনাভাইরাস। জীবন বাঁচানোর প্রশ্ন প্রথম, দ্বিতীয় ইস্যু হচ্ছে জীবিকা। তৃতীয় এবং অন্যতম ইশ্যু সর্বস্তরে পরিব্যাপ্ত দুর্নীতি দমন। অভ্যন্তরীণ বাজার ও ক্রয় ক্ষমতা বাড়ানো। এটা এখন এক নতুন বাংলাদেশ। আগের অবস্থা আর ফিরে আসবে না। নতুন পরিস্থিতি, নতুন সমস্যা, নতুন সম্ভাবনা। । অর্থনীতির কাঠামো পরিবর্তনে এগিয়ে আসতে হবে। মোদ্দা কথা ,অর্থনীতিতে রেজিলিয়েন্ট পাওয়ার এবং মানবদেহে ইমিউন পাওয়ার বাড়াতে হবে। আসন্ন বাজেটে এ লক্ষে উপযুক্ত প্রেসক্রিপশন প্রত্যাশিত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এ জাতীয় আরো খবর..

cover3.jpg”><img src=”https://www.bssnews.net/wp-content/uploads/2020/01/Mujib-100-1.jpg”>

via Imgflip

 

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি  © All rights reserved © 2011 Gnewsbd24
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazargewsbd451