মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১, ১২:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দেশের ইতিহাসে করোনায় সর্বোচ্চ মৃত্যু ১১২ জন বাগেরহাটের মোল্লাহাটে হেফাজত কর্মীদের হামলায় ওসিসহ ৭ পুলিশ সদস্য আহত দৈনিক জনতার সম্পাদকের স্ত্রী’র মৃত্যুতে ফুলবাড়ী থানা প্রেসক্লাবের শোক মুকসুদপুরে মঞ্জুরুল হক লাভলুর মাস্ক বিতরণ ডোমারে কৃষকলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সর্বাত্মক লকডাউন বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে আত্রাই থানা পুলিশ প্রতিদিন ৫০ পরিবার পাচ্ছে “পাশে আছি,পাশে থাকবো”সংগঠনের ইফতার কালিয়াকৈরে হেফাজত-পুলিশ সংঘর্ষ ককটেল বিস্ফোরণ-গুলি, আমীরসহ তিনজন গ্রেপ্তার লকডাউনে: হিলি স্থলবন্দরে অস্থির চালের বাজার, কেজিতে বেড়েছে ৩-৪ টাকা আত্রাইয়ে বোরো ধানে ব্লাস্ট রোগের আক্রমণ কৃষক দিশেহারা

দেড় লাখ হলেই অসহায় শিশুটি ফিরে পাবে চোখ

এম এ আজিজ, ময়মনসিংহ প্রতিনিধি :
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১ মার্চ, ২০২১
  • ৫৭ বার পঠিত

রোজা শেষে এলো খুশির ঈদ। ঈদের আনন্দ চারদিকে বইছে। ঈদের এ আনন্দ এই পরিবারে বিষাদে রূপ নেয়! এটি গত মাহে রমজান শেষে পবিত্র ঈদুল ফিতরের ঘটনা। ঈদের দিনে খেলতে গিয়ে কঞ্চির আঘাত লাগে চোখে। কঞ্চির আঘাতে নষ্ট হয়ে যায় বাম চোখের কর্ণিয়া। এখন সেই চোখের মাংসপিন্ড দিনদিন চোখের বাহিরে চলে আসছে।

দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রয়োজন কর্ণিয়া সংযোজন। নয়তো নষ্ট হয়ে যেতে পারে অপর চোখটিও। এমন শংকায় দিন কাটছে ছোট্ট শিশু ইয়াসিন মিয়ার। বয়স মাত্র ৪ বছর ৫ মাস। সে ময়মনসিংহের গৌরীপুরের বোকাইনগর ইউনিয়নের ইয়ারপুর গ্রামের আবুল বাসারের পুত্র। আবুল বাসার পেশায় দিনমজুর হতরিদ্র।

দৈনন্দিন যা আয় হয়, তা দিয়েই চলতো ২ ছেলে আর ১ কন্যাকে নিয়ে তার ৫ সদস্যের পরিবার। ঈদের দিনে বন্ধুদের সাথে খেলা করছিলো ইয়াসিন। হঠাৎ করে বাম চোখে কঞ্চির আঘাত লাগে। ছুটে আসেন গৌরীপুর ডাঃ মুকতাদির চক্ষু হাসপাতালে, সেখান থেকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চক্ষু বিভাগে দীর্ঘদিন চলে তার চিকিৎসা।

চোখ যেন আর চোখ নয়, ধীরে ধীরে আরো অবস্থার অবনতি ঘটে। এরপরে রেফার্ড করা হয় ইস্পাহানী ইসলামিয়া আই ইনস্টিটিউট এ্যান্ড হসপিটালে। সেখান থেকে জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চলে দীর্ঘদিন চিকিৎসা। অসহায় বাবা সন্তান কাঁধে নিয়ে ছুটে চলছেন এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে।

দিন এনে দিন খাওয়া মানুষটির সংসার চলে অর্ধাহারে অনাহারে। চিকিৎসার খরচ যোগাড় করতে গিয়ে আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের নিকট থেকে সহযোগিতাও নিয়েছেন বারবার। এখন নিরুপায় অসহায় এই বাবা। সন্তানের চোখে, চোখ রাখতে পারছেন না। প্রয়োজন সহযোগিতা।

বর্তমানে জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ডা. নুসরাত শারমীনের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাীন রয়েছে। চিকিৎসকদের ভাষ্যমতে, কর্ণিয়া সংযোজন ব্যতিত ইয়াসিনের দৃষ্টি ফিরিয়ে দেয়া সম্ভব নয়। এই কর্ণিয়া যোগাড় ও প্রতিস্থাপন করতে প্রয়োজন দেড় লাখ টাকা। ফলে অসহায় বাবার চোখে শুধু অসহায়ত্ব ভেসে উঠছে, নিজের চোখের সামনে তিলেতিলে নষ্ট হচ্ছে সন্তানের চোখের আলো। সন্তানের এমন অনিশ্চিত জীবন আর ভবিষ্যৎ নিয়ে শংকিত অসহায় দিনমজুর বাবা।

ইয়াসিনের ছোট্ট বন্ধুরাও তাকে নিয়ে আর এখন খেলতে আসে না। ইতোমধ্যে চোখের ক্ষতস্থানটি বড় হয়ে যাচ্ছে। চোখের বাহিরে বেড়িয়ে আসছে লালমাংস পিন্ড। ছোট্ট এই শিশুটিকে খেলার মাঠে আবারও পেতে চায় তার সমবয়সী বন্ধু ইমতিয়াজ, সোহেলও। বাবার চোখের দৃষ্টি এখন সন্তানের দিকে, শুধু প্রয়োজন সহযোগিতা।

এ সহযোগিতা পেলেই ছুটে যাবেন বাংলাদেশ আই হাসপাতালে, যেখানে ইয়াসিন ফিরে পাবে নতুন চোখ ও দৃষ্টি। ইয়াসিনের বাবার নগদ বা বিকাশে ০১৭৬৬-৭৩৫৮০৮, মুঠোফোন প্রয়োজনে ০১৯৪৭-৮১৫২১৭ যোগাযোগ করতে পারেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এ জাতীয় আরো খবর..

cover3.jpg”><img src=”https://www.bssnews.net/wp-content/uploads/2020/01/Mujib-100-1.jpg”>

via Imgflip

 

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি  © All rights reserved © 2011 Gnewsbd24
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazargewsbd451