সোমবার, ১৯ এপ্রিল ২০২১, ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :

কলাপাড়ায় তরমুজ চাষীদের মুখে তৃপ্তির হাসি বাম্পার ফলনে

রাসেল কবির মুরাদ, কলাপাড়া প্রতিনিধি (পটুয়াখালী) ঃ
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৪ মার্চ, ২০২১
  • ৭৮ বার পঠিত

কলাপাড়া-কুয়াকাটাসহ সমুদ্র উপকূলে তরমুজ চাষীদের মুখে তৃপ্তির হাসি ফুটে উঠেছে বাম্পার ফলনে। বেশী দামে বিক্রি করতে পরে খুশি লাভবান কৃষকরা। ক্ষেত থেকে তরমুজ তুলে পাইকারী ও খুচরা বাজারে বিক্রি শুরু করেছেন তারা। দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হচ্ছে এ মিষ্টি রসালো তরমুজ। পাইকাররা তরমুজ কিনে নিয়ে যাচ্ছ দেশের বিভিন্ন এলাকায়। অনেকই আবার আগাম তরমুজ ক্ষেত বিক্রি করে দিয়েছেন। উপকূলের এসব মিষ্টি-রসালো তরমুজ অনেক সু-স্বাদু হওয়ায় এর চাহিদা রয়েছে ব্যাপক পরিমানে। স্থানীয় বাজারে বিক্রি হচ্ছে অনেক ভালো দামে এ তরমুজ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, লতাচাপলী ইউনিয়নের নয়াপাড়া পুরো বিস্তির্ন এলাকা জুড়ে রয়েছে তরমুজের ক্ষেত। তরমুজ চাষীরা গাছের পরিচর্যা করছেন তরমুজ বড় করতে। আগাম চাষ করায় আবার কোন ক্ষেতে পরিপক্ক তরমুজ তুলে আগাম বিক্রি করে লাভবান হয়েছে। তরমুজ পাইকাররা দেশের বিভিন্ন স্থানে ট্রাক-লরী-পিকআপ ভ্যান ভরে নিয়ে যাচ্ছে প্রতিদিনই।

নয়াপাড়ার চাষি সেরাজ উদ্দিন এ প্রতিবেদককে জানান, গত ৬মাস আগে থেকেই প্রায় ১৫ একর জমিতে তরমুজ চাষ শুরু করেন। কঠোর পরিশ্রমের ফলেই এবার ক্ষেতে বাম্পার পলন হয়েছে। তিনি আরো জানান, প্রতিদিন সার দেয়া-ক্ষেত পরিষ্কার করা ও কৃষি কর্মকর্তাদের সাথে সময়মতো যোগাযোগ রেখেছি এবং তারাও নিয়মিত তরমুজ ক্ষেত তদারকি করেছে। এসব কিছুর পরেই তরমুজ ক্ষেত ৩লাখ টাকায় বিক্রি করে দিয়েছি।

তুলাতলী এলাকার তরমুজ চাষি শরিফুল হাওলাদার জানান, মহামারি করোনায় গত বছর অনেক টাকা লোকসান হয়েছে, সে তুলনায় এবছর আগাম তরমুজ চাষে বাম্পার ফলন হয়েছে। এবছর প্রায় ৩একর জমিতে তরমুজ চাষ করে খরচ হয়েছে দুই লক্ষ টাকা। উৎপাদিত তরমুজ বিক্রি করে ৩লক্ষ টাকা লাভ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে প্রতি হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষে প্রায় ২লক্ষ টাকা লাভ হয় বলে তিনি জানান।

মহিপুর বন্দরের তরমুজ ব্যবসায়ী আবুল ফরাজী জানান, করোনার সময় গতবছর তরমুজ বিক্রি করতে পারেননি । এবার তরমুজের ফলন বেশ ভালো হয়েছে, লাভও হয়েছে অনেক। স্থানীয় তরমুজ চাষিদের কাছ থেকে প্রতিটি তরমুজ গড়ে ২০০-২৫০ টাকায় ক্রয় করে বাজারে ৩০০ টাকায় বিক্রি করছেন।

কলাপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবদুল মন্নান সাংবাদিকদের জানান, কুয়াকাটা, লতাচাপলি. ধুলাস্বর, ডালবুগঞ্জ, মহিপুর, নীলগঞ্জসহ ৩হাজার হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে। কৃষি অফিস থেকে প্রতিনিয়ত তরমুজ চাষিদের বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বাম্পার ফলন হচ্ছে এবার।

এরফলে তরমুজ চাষীরা আগাম বেশি দামে বিক্রি করে অনেক লাভবান হয়েছে। তিনি আরও জানান, তরমুজ চাষীরা যাতে ন্যায্য মুল্যে তরমুজ বিক্রি করতে পারে সেজন্য কৃষকদের পাশে থেকে কৃষি কর্মকর্তারা সর্বাত্মক সহযোগিতা করছেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এ জাতীয় আরো খবর..

cover3.jpg”><img src=”https://www.bssnews.net/wp-content/uploads/2020/01/Mujib-100-1.jpg”>

via Imgflip

 

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি  © All rights reserved © 2011 Gnewsbd24
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazargewsbd451