রবিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২১, ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ডুমুরিয়ায় আসন্ন নির্বাচনে প্রচার-প্রচারনা মনোনয়ন প্রত্যাশী বিএনপি-আ’লীগ সমানে সমান সুন্দরবনে খনন করা হচ্ছে ৮৮ পুকুর: মিটবে বন্যপ্রাণীর মিঠাপানির চাহিদা খুলনা জেলা আ’লীগের নবগঠিত কমিটির শ্রদ্ধা নিবেদন বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে সুন্দরগঞ্জ পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে জাপার প্রার্থী রশিদ নির্বাচিত শেরপুরে মেয়র পদে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী জগ মার্কা খোকা জয়ী লামা পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী জহিরুল বেসরকারি ভাবে জয়ী শ্যামনগরে মিথ্যা মামলা করে সামাজিক কর্মকান্ডে বাঁধা প্রদানের প্রতিবাদে মানববন্ধন মোংলা পোর্ট পৌরসভা নির্বাচনে আ.লীগের আব্দুর রহমান জয়ী, বিএনপির ভোট বর্জন বগুড়ার সান্তাহারে ধানের শীষের প্রার্থী তোফাজ্জল পুনরায় মেয়র নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ৫ দফা দাবির আন্দোলনে যুক্ত দুই শিক্ষার্থীর বহিষ্কার প্রত্যাহারের দাবি

তানোরে ইউপির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সদস্যের অভিযোগ

আব্দুস সবুর, তানোর প্রতিনিধি(রাজশাহী) ঃ
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২০
  • ৭০ বার পঠিত

রাজশাহীর তানোর উপজেলার কলমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউপি আ”লীগ সভাপতি মাইনুল ইসলাম স্বপনের বিরুদ্ধে সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ইউপি সদস্য শরিফুল ইসলাম করোনাভাইরাসে সরকারের দেয়া ত্রান, ওএমএস এবং মানবিক সহায়তার কার্ড ইউপির বিভিন্ন প্রয়োজনীয় বা কোন ধরনের সভায় না ডাকাসহ নানা অভিযোগ তুলে ধরে জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।গত মাসের ১৮মে তারিখে তিনি অভিযোগটি দেন। কিন্তু অভিযোগের এত দিন অতিবাহিত হলেও কোন ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়নি বলে দাবি করেন শরিফুল।

দেশে এমন দুর্যোগ মুহূর্তেও একজন জনপ্রতিনিধিকে সকল ধরনের কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত করায় ২নং ওয়ার্ডের বাসিন্দাসহ ইউপি জুড়েই চরম প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।কারন ইউপি সদস্য শরিফুল ইসলাম ক্ষমতাসীন দলের হলেও প্রতিহিংসার স্বীকার । এমনকি কলমা ইউনিয়ন পরিষদের তিনি প্যানেল চেয়ারম্যান এবং উপ নির্বাচনের সময়ও তিনি ব্যাপক হিংসাত্মক রাজনীতির স্বীকার হয়েছেন। উপ নির্বাচনে মাইনুল ইসলাম স্বপন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেও একই ধরনের প্রতিহিংসা চলছে তাঁর উপর।

যার কারনেই করোনাভাইরাসেও সরকারের দেয়া নানা বরাদ্দ দেয়া হয়নি তাকে। তাঁর ওয়ার্ডে নিয়ম বহির্ভূত ভাবে দলীয় লোক জনের মাধ্যমে এবং চেয়ারম্যান নিজেই সব কিছু করছেন। এসব কারনেই এক প্রকার বাধ্য হয়েই শরিফুল বাদি হয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ এবং তাঁর অনুলিপি, বিভাগীয় কমিশনার,উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এবং নির্বাহী অফিসারকে দিয়েছেন।

অভিযোগে উল্লেখ, বিগত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে উপজেলার কলমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লুৎফর রশিদ ময়ন নৌকা প্রতিক নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। নিয়ম অনুযায়ি পদত্যাগ করে নির্বাচন করতে হয়। তখন শরিফুল ইসলাম ১ নং প্যানেল চেয়ারম্যান ছিলেন। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারনে তাকে সহজে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে চেয়ার দেয়া হয়নি। পরে স্থানীয় মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ২৫/৩/২০১৯ ইং তারিখ হতে ০২/০৯/২০১৯ ইং তারিখ পর্যন্ত নামে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এর পর উপনির্বাচনে নৌকা প্রতিক নিয়ে কলমা ইউপি আ”লীগ সভাপতি মাইনুল ইসলাম স্বপন নির্বাচিত হন। তিনি নির্বাচিত হলেও শরিফুলের উপর চালিয়ে যাচ্ছেন প্রতিহিংসা। ইউনিয়ন পরিষদের সরকারের দেয়া ভিজিএফ, ভিজিডি, টিআর, কাবিখা, কাবিটা, মাতৃত্বকালিন ভাতা, বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, কৃষি প্রনোদনা, অতিদরিদ্র কর্মসূচি, করোনাভাইরাস উপলক্ষে ত্রানের বরাদ্দ, ওএমএসের বরাদ্দ, মানবিক সহায়তার বরাদ্দের কার্ড কোন কিছুই আমাকে না দিয়ে দলীয় নেতাকর্মী দিয়ে এসব কাজ করছেন চেয়ারম্যান। এমনকি ইউপি সদস্য শরিফুল ইসলামকে পরিষদ থেকে কোন ভাতা দেয়া হয়না। অথচ অন্যদের দেয়া হয় এবং সরকারি ভাতা পেতেও বেগ পেতে হয়।

অভিযোগের সাথে শরিফুল ইসলাম দুটি সভার নোটিশ সংযুক্ত করেন। সেই নোটিশে সকলের নাম থাকলেও তাঁর নাম উল্লেখ নেই। শরিফুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন করোনাভাইরাসের সকল ধরনের বরাদ্দ নিয়ে প্রতিহিংসা হয়ে কোন কাজ যেন করা না হয়। অথচ সরকারের সেই নির্দেশনা অমান্য করে চেয়ারম্যান আমাকে কোন ধরনের বরাদ্দ দেয়নি।

তিনি সব কিছু দলীয় নেতাকর্মীদের দিয়ে করিয়ে নিয়েছেন এবং নিজেও। আমার ওয়ার্ডের জনসাধারণের কাছে আমাকে চরম ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে। সকল ইউপি সদস্য বরাদ্দ পাবে আর আমি পাবনা। যদি আমার প্রাপ্পতা না পাই তাহলে আমার সদস্য পদ বাতিল করে দিয়ে পরিপত্র জারি করা হোক, তাহলে অন্তত আমার ওয়ার্ডের মানুষকে বলতে পারব আমাকে তাঁরা ক্ষমতার জোরে বাতিল করেছে। নাতে পদ থাকবে আর কিছুই পাবনা এটা তো হতে পারেনা।

কলমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাইনুল ইসলাম স্বপন অভিযোগ অস্বীকার করে জানান শরিফুলকে পরিষদে ডাকলে আসেনা। যদি না আসে তাহলে তাঁর জন্য তো আর কাজ আটকে রাখা যায় না।

নোটিশ দুটি গত বছর ২০১৯ সালের ২ আগস্ট ভিজিডি চাউল বিতরণের জন্য আরেকটি একই নোটিশ ২০১৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মাসের,এসব সভায় শরিফুল বাদে সকল ইউপি সদস্যসহ ১৬ জনের নাম লিখা আছে।

অভিযোগকারী ইউপি সদস্য শরিফুল ইসলাম জানান জেলা প্রশাসক মহোদয় অভিযোগের কপি পেয়ে ডিডিএলজিকে দিয়েছেন ব্যবস্থা নেবার জন্য। ডিডিএলজি ৩৩ স্বারকে ইউএনও বরাবর পাঠাবেন। তবে এখনো চিঠি ইউএনওর দপ্তরে এসে পৌছে নি।

কলমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউপি আ”লীগ সভাপতি মাইনুল ইসলাম স্বপন জানান তাকে ডাকলে পরিষদে আসেনা। তাঁর জন্য তো কাজ কাটকে রাখা যায়না।

জেলা প্রশাসক ডিসি মহোদয় জানান অভিযোগ পাবার পর ডিডিএলজিকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবার জন্য বলা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এ জাতীয় আরো খবর..

cover3.jpg”><img src=”https://www.bssnews.net/wp-content/uploads/2020/01/Mujib-100-1.jpg”>

via Imgflip

 

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি  © All rights reserved © 2011 Gnewsbd24
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazargewsbd451