1. gnewsbd24@gmail.com : admi2019 :
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৪:৩৭ অপরাহ্ন

সরকারী নির্দেশনা অমান্য করে নীলফামারীতে কিস্তি আদায়

নীলফামারী প্রতিনিধি :
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৮ জুন, ২০২০
  • ৩৮ বার পঠিত

করোনা পরিস্থিতির কারনে সরকার জুন পর্যন্ত এনজিওর কিস্তি আদায় বন্ধ ঘোষনা করলেও নীলফামারী পৌরশহরে সেই নির্দেশনা অমান্য করে কিস্তি আদায় করেন বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা পিপলস্ ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রাম ইমপ্লিমেন্টেশন (পপি)।

এছাড়াও কিস্তির টাকা তোলার জন্য সদস্যদের বাড়ীতে গিয়ে বসে থাকতে দেখা গেছে। এদিকে, আয় উপার্জন ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছে সাধারন মানুষ। সুত্র জানায়, এই উপজেলায় প্রায় ৩০-৩৫ টির মত ছোট বড় বিভিন্ন এনজিও চালু আছে।

নীলফামারী পৌরশহরের নিউ বাবুপাড়া মুরগি হাটি এলাকার হায়দার আলী বলেন, সামান্য অটো রিকসা চালিয়ে রোজগার করি। করোনায় যাত্রী না থাকায় একেবারে রোজগার বন্ধ। আটো রিকসাটি কিনতে আমার স্ত্রীর নামে পপি থেকে ঋণ নিয়ে ছিলাম। মাঠকর্মীরা সমস্যার কথা জানলেও বাড়ীতে গিয়ে কিস্তির জন্য চাপ দিচ্ছে।

একই এলাকার ওই ব্যাংকের সদস্য উলফতে সদস্য নং-৫ বলেন, বাড়ীর কাজের জন্য পপি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ছিলাম। ওই টাকা দিয়ে ঘর মেরামত করেছি। কিন্ত করোনার কারনে আমার স্বামীর আয় কম হওয়ায় টাকা পয়শার অভাবে পড়েছি। এমন অবস্থায় পপির মাঠ কর্মীরা ঋণের কিস্তির টাকার চাপ প্রয়োগ করছে। আজ সোমবার বাড়ীতে এসে তারা টাকা ছাড়া উঠে না।

জেলা শহরের ডাল পট্টি এলাকায় নৈশ প্রহরীর কাজ করেন মোহাম্মদ আলী জানান, স্থানীয় পপি নামের একটি এনজিও থেকে কিছু টাকা লোন নিয়ে বড় ছেলে মুরগীর ব্যবসা করে। করোনার কারনে হাট বাজারে লোকজন কম থাকায় বেচাকেনা একেবারেই কম। এখন সেই টাকার জন্য কঠিনভাবে চাপ প্রয়োগ করছে।

সোমবার (৮ জুন) সকালে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পপির মাঠকর্মী জানান, করোনা সংকটে আমাদের সদস্যদের বাড়ী গিয়ে খোঁজ খবর নিচ্ছি। এরপর তাদের কিস্তি পরিশোধের কথাও বলছি। কেউ কিস্তি দিলে নিচ্ছি না দিলে নিচ্ছি না। তাদের চাপ প্রয়োগ করা হয়নি। এই অভিযোগ সত্য নয়।
এ ব্যাপারে, পপির এরিয়া ম্যানেজার তম্বয় কুমারের সাথে মুঠোফোনে কথা বলার জন্য বারবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হওয়ায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

নীলফামারী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. এলিনা আকতার জানান, সরকারী বেসরকারী সংস্থা গুলোর করোনা পরিস্থিতে কিস্তি আদায় সরকার বন্ধ ঘোষনা করেছে। এটি বন্ধ থাকবে চলতি জুন মাস পর্যন্ত। পরবর্তী সিন্ধান্ত না আসা পর্যন্ত এটিই বহাল থাকবে। এ বিষয়ে উপজেলার সকল এনজিওকে চিটি দেওয়া হয়েছে। এরপরেও কেউ কিস্তি আদায় করলে অভিযোগের ভিত্তিতে সেই সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এ জাতীয় আরো খবর..

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি  © All rights reserved © 2011 Gnewsbd24
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazargewsbd451