1. gnewsbd24@gmail.com : admi2019 :
শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২০, ০৯:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

খিলগাঁও সহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় শিগগির লকডাউন ঘোষনা

আমিনুল আমিন ঃ
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৩ জুন, ২০২০
  • ২৭ বার পঠিত

রাজধানীর খিলগাঁও সহ পার্শ্ববর্তীএলাকায় খুব শিগগির লকডাউন এর ঘোষনা আসছে। খিলগাঁও সহ পার্শ্ববর্তী যে সকল এলাকায় লকডাউন এর ঘোষনা আসছে, খিলগাঁও, মুগদা, বাসাবো, রামপুরা, বনশ্রী, বাড্ডা, মতিঝিল, পল্টন, রাজারবাগ, রমনা, শান্তিনগর, মালিবাগ, শাজাহানপুর, কাকরাইল, মগবাজার।

করোনা মহামারীর বিস্তার রোধে দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে সাধারণ ছুটি শেষে গত ৩১ মে খুলে দেয়া হয়েছে সরকারি ও বেসরকারি অফিস। সীমিত পরিসরে চালু করা হয় গণপরিবহণ।

তবে সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ায় করোনা মহামারীতে শীর্ষ ২০ দেশের মধ্যে অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ। এতে ফের লকডাউন বা অবরুদ্ধের কথা ভাবছে স্বাস্থ্য বিভাগ। তবে সারাদেশকে একসঙ্গে লকডাউন না করে ‘ক্লাস্টার’ ভিত্তিতে এ লকডাউন কার্যকর করা হবে।

গত ১৪ দিনের মধ্যে ঢাকা শহরের কোনো এলাকায় যদি ৬০ জনের করোনা শনাক্ত হয় তবে তা রেড জোন হিসেবে লকডাউন করা হবে।
এসব বিষয় সুনির্দিষ্ট করে সংক্রমণ বিবেচনায় সারা দেশ তিনটি জোনের (লাল, হলুদ, সবুজ) আওতায় নিয়ে করোনা মহামারী নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চূড়ান্ত করেছে সরকার।

‘বাংলাদেশ রিস্ক জোন বেজড কোভিড-১৯ কন্টিমিনেট ইমপ্লেমেন্টশন স্ট্রাটেজি/গাইড’ শীর্ষক এ নির্দেশনা ৯ জুন চূড়ান্ত হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে মহামারীটি চতুর্থ পর্যায়ে রয়েছে। যেখানে বিস্তীর্ণভাবে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা ঘটছে। এ গাইড বা নির্দেশনা অনুসারে অবিলম্বে সারা দেশে কার্যকর হবে বলে নিশ্চিত করেছেন অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ।

রোগতত্ত্ব রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের (আইইডিসিআর) তথ্যমতে, রাজধানীর ৪৯টি এলাকায় ৬০ জনের বেশি নিশ্চিত করোনা রোগী রয়েছেন। সেই হিসাবে এসব এলাকা শিগগির লকডাউন হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

গাইডলাইনে বলা হয়েছে, ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের কোনো এলাকায় গত ১৪ দিনের মধ্যে প্রতি লাখে ৬০ জন বা তার বেশি লোক সংক্রমণের শিকার হন তবে ওই এলাকা রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত হবে।

ঢাকা সিটির ক্ষেত্রে বিগত ১৪ দিনে কোনো এলাকায় ৩ থেকে ৫৯ জন নিশ্চিত করোনা রোগী থাকলে সেটি হবে ইয়েলো জোন। একইভাবে কোনো এলাকায় ১৪ দিনের মধ্যে নিশ্চিত রোগী যদি ৩ জনের কম অথবা কোনো রোগী না থাকলে সেটি হবে গ্রিন জোন।

লকডাউন চলাকালীন অবস্থায়, শহরের কোনো এলাকায় রেড জোন ঘোষণা হলে সেখান থেকে কেউ বাইরে যেতে পারবেন না। সব কাজ (ফ্যাক্টরি, অফিস) ঘরে বসেই করতে হবে। অসুস্থ হলেই শুধু হাসপাতালে যাওয়ার অনুমতি রয়েছে।

জরুরি প্রয়োজনীয় দ্রব্য কেনার ব্যবস্থা থাকবে তবে কোনো ধরনের যানবাহন ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষেধ। মুদি ও ওষুধের হোম ডেলিভারি দেয়ার ব্যবস্থা থাকবে।

ইয়েলো জোনের ক্ষেত্রে ৫০ ভাগ লোকবল নিয়ে অফিস বা ফ্যাক্টরি চালানো যাবে। তবে জনাকীর্ণ ফ্যাক্টরির ক্ষেত্রে ৩৩ শতাংশ শ্রমিক নিয়ে কাজ করতে হবে। জরুরি চলাচলের ক্ষেত্রে একজন যাত্রী নিয়ে রিকশা, ভ্যান বা সিএনজি, ট্যাক্সি চলবে। নিজে অথবা আবাসিক ড্রাইভার থাকলে ব্যক্তিগত গাড়ি চালানো যাবে।

এতে আরও বলা হয়েছে, প্রথম শনাক্তকরণের পর থেকে শনাক্তের হার ক্রমাগত বাড়ছে। সরকারি প্রতিবেদনে দেখা গেছে যে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে করোনায় শনাক্তের হার অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে। তবে এই সময়ে পরীক্ষার পরিধিও বেড়ছে। বর্তমানে ৫৮টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এ জাতীয় আরো খবর..

© All rights reserved © 2011 Gnewsbd24
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazargewsbd451