1. gnewsbd24@gmail.com : admi2019 :
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৭:১২ অপরাহ্ন

মানবিক কারণেই এনজিও ঋণের কিস্তি আদায় বন্ধ করুন : ন্যাপ

জি-নিউজবিডি২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৪ জুন, ২০২০
  • ৩১ বার পঠিত

করোনা-মহামারির চলমান মহা সংকটকালীন সময়ে মানবিক কারণেই এনজিওসহ সব ক্ষুদ্র ঋণের কিস্তি আদায় অবিলম্বে বন্ধ করার জন্য দ্রুত কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহনের সরকারের নিকট জোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ।

রবিবার (১৪ জুন) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে পার্টির চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এ দাবী জানান।

তারা বলেন, চলমান করোনা-মহামারিতে গভীর সংকটে পড়েছে শ্রমজীবী, মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষ। রুটি-রুজির সীমাহীন সংকটে পড়ে, খেয়ে না খেয়ে জীবন কাটাতে হচ্ছে তাঁদের। এসব মানুষ ক্ষুদ্রঋণের জালে আটকে পড়ে আছে। সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে, অনেক এনজিও দেশের বিভিন্ন স্থানে ক্ষুদ্রঋণের কিস্তি আদায়ে বিশেষভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। বর্তমান অসহায় পরিস্থিতিতে এটা শুধু অমানবিকই নয়, অন্যায্যও বটে। এনজিওদের এসকল কর্মকান্ডে প্রমানিত হচ্ছে, মানুষ মরলেও তাদের শোষণ থেকে মানুষের মুক্তি নেই। এ অবস্থা চলতে পারে না।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, ৩০ জুন পর্যন্ত কিস্তি আদায় বন্ধ না রাখলে লাইসেন্স বাতিল করা হবে বলে সরকার ‘কাগুজে হুংকার’ দিয়েই তার দায়িত্ব শেষ করেছে। কিস্তি আদায় বন্ধ করতে সরকারের কার্যত কোনো পদক্ষেপ নেই। করোনা আর ক্ষুধার যন্ত্রণায় মানুষ এমনিতেই চরম অসহায় হয়ে পড়েছে। তার মধ্যে কিস্তির যন্ত্রণা মেনে নেয়া যায় না। কিস্তির যন্ত্রণা থেকে মানুষকে মুক্ত করতে হবে। ৩০ জুন পর্যন্ত নয়, করোনা-পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ক্ষুদ্রঋণের সব ধরনের কিস্তি আদায় বন্ধ রাখতে হবে। কিস্তি আদায় বন্ধে সরকারকে কার্যকর কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

নেতৃদ্বয় আরো বলেন, এনজিও থেকে ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে ভ্যানগাড়ি কিনেছেন কিংবা ঋণের টাকায় ছোটখাটো ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করেন, এ ধরনের নানা পেশার নিম্ন আয়ের লোকজনের রোজগার বন্ধ হয়ে গেছে, কিন্তু ক্ষুদ্রঋণদানকারী সংস্থাগুলো তাঁদের এই দুর্দশা আমলে না নিয়ে কিস্তি আদায় অব্যাহত রেখেছে বলে দেশের কোনো কোনো স্থানে লোকজনের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

তারা বলেন, কিস্তি আদায় আগামী ৬ মাস সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার জন্য ঋণগ্রহীতাদের থেকে দাবি মেনে নেয়ার জন্য সরকারের নিকট জোর দাবী জানান। যখন মানুষ ক্ষুধার সঙ্গে লড়াই করছে, তখন তাদের ওপর এই বাড়তি চাপ প্রয়োগ করা অমানবিক।

নেতৃদ্বয় ক্ষুদ্রঋণদানকারী সব সংস্থার প্রতি আহ্বান জানান, আপনারা কিছু সময়ের জন্য ঋণের কিস্তি আদায় স্থগিত রাখুন। সরকারেরও উচিত হবে কেন্দ্রীয়ভাবে এ রকম একটি নির্দেশনা জারি করা।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এ জাতীয় আরো খবর..

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি  © All rights reserved © 2011 Gnewsbd24
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazargewsbd451