ঢাকা ০২:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মার্চ ২০২৩, ১০ চৈত্র ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

নন্দীগ্রামে বন্যার শঙ্কায় নাগর নদীর ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ সংস্কার

বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার সীমান্তবর্তী নাগর নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। কয়েক দিনের ভারি বর্ষণে ও উজান থেকে নেমে আসা পানিতে নাগর নদীর পানি এখন বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই। এ কারণে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ অংশের সংস্কারকাজ কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) অর্থায়নে বাঁধের এই সংস্কার চলমান রয়েছে। বাঁধ সংস্কারকাজ শুরু হওয়ায় ভাঙনকবলিত এলাকার মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

জানা গেছে, উপজেলার থালতা মাজগ্রাম ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে বয়ে গেছে নাগর নদী। প্রতিবছর বন্যা ও ভারী বর্ষণের কারণে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধটি ক্ষতিগ্রস্থ হয়। যার কারণে বর্ষা মৌসুমের আগেই বাঁধের ক্ষতিগ্রস্থ অংশ মেরামত করা হয়।

কিছু দিন আগে গুলিয়া গ্রামের লোকজন স্বেচ্ছাশ্রমে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ সংস্কার করে। কয়েক দিনের ভারি বর্ষণে পানি বেড়ে বাঁধের মেরামতকৃত স্থানে ছোট আকারের ভাঙন দেখা দেয়। এতে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে বাঁধটি।

এ কারণে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) এই বাঁধ সংস্কারের কাজ শুরু করেন। বাঁধের ভাঙনকবলিত স্থানে বাঁশের তৈরী প্যালাসাইটিং দিয়ে সেখানে বালুভর্তি বস্তা ফেলা হচ্ছে। এক সপ্তাহ ধরে বাঁধের ক্ষতিগ্রস্থ স্থানে মেরামত কাজ চলছে।

পাউবো সূত্রে জানা গেছে, বর্ষা মৌসুমের শুরু থেকে প্রতিদিনই নাগর নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে করে বন্যার আশংকা দেখা দিয়েছে। সেই দুর্যোগ মোকাবেলা করতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ ১০০ মিটার বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে জরুরীভাবে মেরামত চলছে।

গুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা মুকুল হোসেন বলেন, নাগর নদের পানি প্রতিদিন বাড়ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ মেরামত করছেন। তবে গুলিয়া হাটের উত্তরপাড়া নাগর নদে বাঁধ ভাঙার আশঙ্কা রয়েছে। সেখানেও বাঁধ সংস্কার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এবিষয়ে মঙ্গলবার বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাইবো) উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. গোলাম মোস্তফার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, নাগর নদীর পানি প্রতিদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়া কয়েকদিনের ভারি বর্ষণে পানি বেড়ে বাঁধের ছোট আকারের ভাঙন দেখা দিয়েছে। তাই নাগর নদীর ১০০ মিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ অংশের সংস্কারকাজ করা হচ্ছে।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

আপলোডকারীর তথ্য

নন্দীগ্রামে বন্যার শঙ্কায় নাগর নদীর ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ সংস্কার

আপডেট সময় : ০২:১০:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২০

বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার সীমান্তবর্তী নাগর নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। কয়েক দিনের ভারি বর্ষণে ও উজান থেকে নেমে আসা পানিতে নাগর নদীর পানি এখন বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই। এ কারণে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ অংশের সংস্কারকাজ কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) অর্থায়নে বাঁধের এই সংস্কার চলমান রয়েছে। বাঁধ সংস্কারকাজ শুরু হওয়ায় ভাঙনকবলিত এলাকার মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

জানা গেছে, উপজেলার থালতা মাজগ্রাম ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে বয়ে গেছে নাগর নদী। প্রতিবছর বন্যা ও ভারী বর্ষণের কারণে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধটি ক্ষতিগ্রস্থ হয়। যার কারণে বর্ষা মৌসুমের আগেই বাঁধের ক্ষতিগ্রস্থ অংশ মেরামত করা হয়।

কিছু দিন আগে গুলিয়া গ্রামের লোকজন স্বেচ্ছাশ্রমে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ সংস্কার করে। কয়েক দিনের ভারি বর্ষণে পানি বেড়ে বাঁধের মেরামতকৃত স্থানে ছোট আকারের ভাঙন দেখা দেয়। এতে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে বাঁধটি।

এ কারণে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) এই বাঁধ সংস্কারের কাজ শুরু করেন। বাঁধের ভাঙনকবলিত স্থানে বাঁশের তৈরী প্যালাসাইটিং দিয়ে সেখানে বালুভর্তি বস্তা ফেলা হচ্ছে। এক সপ্তাহ ধরে বাঁধের ক্ষতিগ্রস্থ স্থানে মেরামত কাজ চলছে।

পাউবো সূত্রে জানা গেছে, বর্ষা মৌসুমের শুরু থেকে প্রতিদিনই নাগর নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে করে বন্যার আশংকা দেখা দিয়েছে। সেই দুর্যোগ মোকাবেলা করতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ ১০০ মিটার বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে জরুরীভাবে মেরামত চলছে।

গুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা মুকুল হোসেন বলেন, নাগর নদের পানি প্রতিদিন বাড়ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ মেরামত করছেন। তবে গুলিয়া হাটের উত্তরপাড়া নাগর নদে বাঁধ ভাঙার আশঙ্কা রয়েছে। সেখানেও বাঁধ সংস্কার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এবিষয়ে মঙ্গলবার বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাইবো) উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. গোলাম মোস্তফার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, নাগর নদীর পানি প্রতিদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়া কয়েকদিনের ভারি বর্ষণে পানি বেড়ে বাঁধের ছোট আকারের ভাঙন দেখা দিয়েছে। তাই নাগর নদীর ১০০ মিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ অংশের সংস্কারকাজ করা হচ্ছে।