ঢাকা ০৬:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ মার্চ ২০২৩, ৮ চৈত্র ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

প্রত্যাশিত ধান পায়নি সরকারি গুদাম

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৩
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

সরকারের ধান-চাল সংগ্রহ শুরুর দুইমাস পেরিয়ে গেলেও বেশিরভাগ জেলায় গুদামে এখনো আসেনি ধান। চাল সংগ্রহের পরিমাণও খুবই অল্প। নির্ধারিত দামের তুলনায় বাজারে ধান-চালের দাম বেশি হওয়ায় এবারও লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে সংশয়। তবে ধান নিয়ে আশাবাদী না হলেও চাল সংগ্রহের লক্ষ্য পূরণের আশা খাদ্য বিভাগের।

গত বছরের ১৭ নভেম্বর সরকারি ধান-চাল সংগ্রহ শুরুর পর খুলনা বিভাগের বেশিরভাগ জেলায় এখনো ধান ঢোকেনি গুদামে। কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গায় শুরু করা যায়নি কার্যক্রম। যশোরে ১০ হাজার টনের বিপরীতে সংগ্রহ হয়েছে ৩২ টন চাল। ঝিনাইদহের হাট-বাজারে ধান কিনতে ভিড় করছেন কুষ্টিয়া, পাবনাসহ বিভিন্ন জেলার ব্যবসায়ীরা।

খোলা বাজারে ধানের দাম বেশি। এছাড়া উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি সরকারি গুদামে ধান দিতে নানা সমস্যার কথা জানিয়েছেন ময়মনসিংহ ও শেরপুরের কৃষকরা।

ধান সংগ্রহ নিয়ে তেমন আশাবাদী না হলেও চুক্তি অনুযায়ী চাল না দিলে মিলারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন খাদ্য কর্মকর্তারা।

কুষ্টিয়ার খাদ্য কর্মকর্তা সুবির নাথ চৌধুরী বলেন, চুক্তি অনুযায়ী চাল না দিলে মিলারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এবার জয়পুরহাটে ৩৬৭ চালকলের মধ্যে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে মাত্র ১৪২টি। নওগাঁ, বগুড়া ও নাটোরের মিলাররা বলছেন, ধানের দাম বেশি হওয়ায় লোকসানে পড়তে হচ্ছে তাদের।

ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রার এক ভাগও এখন পর্যন্ত পূরণ হয়নি ঠাকুরগাঁও, লক্ষ্মীপুর, হবিগঞ্জ, মানিকগঞ্জসহ বেশিরভাগ জেলাতে। তবে ধীরে ধীরে চাল আসতে শুরু করেছে জানিয়ে লক্ষ্যমাত্রা পূরণের আশা খাদ্য কর্মকর্তাদের।২৮ টাকা কেজি দরে ধান ও ৪২ টাকা কেজি দরে চাল সংগ্রহে সরকারের এ অভিযান শেষ হবে আগামি ফেব্রুয়ারিতে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রত্যাশিত ধান পায়নি সরকারি গুদাম

আপডেট সময় : ১১:৫৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৩

সরকারের ধান-চাল সংগ্রহ শুরুর দুইমাস পেরিয়ে গেলেও বেশিরভাগ জেলায় গুদামে এখনো আসেনি ধান। চাল সংগ্রহের পরিমাণও খুবই অল্প। নির্ধারিত দামের তুলনায় বাজারে ধান-চালের দাম বেশি হওয়ায় এবারও লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে সংশয়। তবে ধান নিয়ে আশাবাদী না হলেও চাল সংগ্রহের লক্ষ্য পূরণের আশা খাদ্য বিভাগের।

গত বছরের ১৭ নভেম্বর সরকারি ধান-চাল সংগ্রহ শুরুর পর খুলনা বিভাগের বেশিরভাগ জেলায় এখনো ধান ঢোকেনি গুদামে। কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গায় শুরু করা যায়নি কার্যক্রম। যশোরে ১০ হাজার টনের বিপরীতে সংগ্রহ হয়েছে ৩২ টন চাল। ঝিনাইদহের হাট-বাজারে ধান কিনতে ভিড় করছেন কুষ্টিয়া, পাবনাসহ বিভিন্ন জেলার ব্যবসায়ীরা।

খোলা বাজারে ধানের দাম বেশি। এছাড়া উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি সরকারি গুদামে ধান দিতে নানা সমস্যার কথা জানিয়েছেন ময়মনসিংহ ও শেরপুরের কৃষকরা।

ধান সংগ্রহ নিয়ে তেমন আশাবাদী না হলেও চুক্তি অনুযায়ী চাল না দিলে মিলারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন খাদ্য কর্মকর্তারা।

কুষ্টিয়ার খাদ্য কর্মকর্তা সুবির নাথ চৌধুরী বলেন, চুক্তি অনুযায়ী চাল না দিলে মিলারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এবার জয়পুরহাটে ৩৬৭ চালকলের মধ্যে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে মাত্র ১৪২টি। নওগাঁ, বগুড়া ও নাটোরের মিলাররা বলছেন, ধানের দাম বেশি হওয়ায় লোকসানে পড়তে হচ্ছে তাদের।

ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রার এক ভাগও এখন পর্যন্ত পূরণ হয়নি ঠাকুরগাঁও, লক্ষ্মীপুর, হবিগঞ্জ, মানিকগঞ্জসহ বেশিরভাগ জেলাতে। তবে ধীরে ধীরে চাল আসতে শুরু করেছে জানিয়ে লক্ষ্যমাত্রা পূরণের আশা খাদ্য কর্মকর্তাদের।২৮ টাকা কেজি দরে ধান ও ৪২ টাকা কেজি দরে চাল সংগ্রহে সরকারের এ অভিযান শেষ হবে আগামি ফেব্রুয়ারিতে।