ঢাকা ০১:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ মার্চ ২০২৩, ১২ চৈত্র ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আক্কেলপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন পবিত্র রমজান সকল মুসলমানের জন্য নেয়ামত হিসেবে আল্লহ ফরজ করেছেন – সাইফুজ্জামান শিখর এমপি প্রেমিকের সাথে বিয়ে না দেওয়ায় আত্মহত্যার চেষ্টা সুন্দরগজ্ঞে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উৎযাপন সন্তান রেখে পরকীয়া প্রেমিকের সাথে উধাও তোলপাড় তানোর রাণীশংকৈলে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য উপহার পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী জিয়া ছিলেন মুক্তিযোদ্ধার ছদ্মাবরণে পাকিস্তানিদের দোসর: তথ্যমন্ত্রী দৌলতপুরে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত রাণীশংকৈলে জোরপূর্বক জমি দখল ও ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে আদিবাসিদের বিরুদ্ধে

সুখবর দিল আবহাওয়া অফিস

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫১:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৩
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

কয়েকদিন ধরে দিনভর কুয়াশায় ঢাকা দেশের আকাশ। হিম হাওয়ার কবলে রাজধানীসহ সারা দেশ। দেখা পাওয়া যাচ্ছে না সূর্যের। হাড়কাঁপানো শীতে কাবু হয়ে পড়েছে সবাই। দেশের সর্বত্রই কুয়াশার রাজত্ব।

প্রকৃতির নিয়মে বছর ঘুরে আসা শীত এভাবেই বদলে দিয়েছে চিরচেনা দেশের চিত্র। বদলে দিয়েছে নাগরিক জীবনের প্রেক্ষাপট। বদলে দিয়েছে বৈচিত্র্যময় প্রাণ-প্রকৃতিও।
রোববার (৮ জানুয়ারি) সকালেও কুয়াশায় মোড়া দেশের আকাশ। তবে গত কয়েকদিনের তুলনায় এদিন কুয়াশার দাপট কিছুটা কম। যদিও শীতের তীব্রতা কমেনি একটুও। হিম বাতাসে সবার অবস্থাই জবুথবু। এরই মধ্যে সুখবর দিল আবহাওয়া অফিস।

রোববার সূর্যের দেখা মিলতে পারে বলে জানিয়ে আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক গণমাধ্যমকে বলেন, আপাতত দিনের তাপমাত্রা বাড়ছে। ফলে রোববার থেকেই দিনের কুয়াশা কমে যাবে, দেখা মিলবে সূর্যের। কিন্তু ১০ অথবা ১১ জানুয়ারি থেকে তাপমাত্রা আবার কমতে পারে বলেও জানান তিনি।

এদিকে, রাজধানীসহ দেশের মানুষ সবাই শীত নিবারণের জন্য একাধিক গরম কাপড় মুড়িয়ে কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে ঘরের বাইরে বের হয়েছেন। রোববার সাপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস হওয়ায় রাজধানীর সড়কগুলোতে সকালেই মানুষের উপস্থিতি ছিল বেশি। স্কুল-কলেজ থেকে শুরু করে অফিস সবই খোলা। ফলে বাইরে বেরিয়ে প্রত্যেকেই ভুগছেন শীতের তীব্রতায়।

শীতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষ। দেশের উত্তরাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে শীত আর কুয়াশার দাপটে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। শহরের ভাসমান মানুষের মধ্যে যারা রাস্তা বা উন্মুক্ত স্থানে থাকেন, তাদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠেছে। কোথাও কোথাও আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা চলছে।

এদিকে, রাজধানীতে শনিবার চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর পশ্চিমের জেলা চুয়াডাঙ্গায় এ মৌসুমে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

দিন ও রাতে তাপমাত্রার পার্থক্য কমে যাওয়ায় শীতের অনুভূতি বাড়ছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এ অবস্থা আগামী আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকবে। উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল এবং মধ্যাঞ্চলে মাঝারি থেকে তীব্র শীতের অনুভূতি থাকতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

আক্কেলপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

সুখবর দিল আবহাওয়া অফিস

আপডেট সময় : ১১:৫১:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৩

কয়েকদিন ধরে দিনভর কুয়াশায় ঢাকা দেশের আকাশ। হিম হাওয়ার কবলে রাজধানীসহ সারা দেশ। দেখা পাওয়া যাচ্ছে না সূর্যের। হাড়কাঁপানো শীতে কাবু হয়ে পড়েছে সবাই। দেশের সর্বত্রই কুয়াশার রাজত্ব।

প্রকৃতির নিয়মে বছর ঘুরে আসা শীত এভাবেই বদলে দিয়েছে চিরচেনা দেশের চিত্র। বদলে দিয়েছে নাগরিক জীবনের প্রেক্ষাপট। বদলে দিয়েছে বৈচিত্র্যময় প্রাণ-প্রকৃতিও।
রোববার (৮ জানুয়ারি) সকালেও কুয়াশায় মোড়া দেশের আকাশ। তবে গত কয়েকদিনের তুলনায় এদিন কুয়াশার দাপট কিছুটা কম। যদিও শীতের তীব্রতা কমেনি একটুও। হিম বাতাসে সবার অবস্থাই জবুথবু। এরই মধ্যে সুখবর দিল আবহাওয়া অফিস।

রোববার সূর্যের দেখা মিলতে পারে বলে জানিয়ে আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক গণমাধ্যমকে বলেন, আপাতত দিনের তাপমাত্রা বাড়ছে। ফলে রোববার থেকেই দিনের কুয়াশা কমে যাবে, দেখা মিলবে সূর্যের। কিন্তু ১০ অথবা ১১ জানুয়ারি থেকে তাপমাত্রা আবার কমতে পারে বলেও জানান তিনি।

এদিকে, রাজধানীসহ দেশের মানুষ সবাই শীত নিবারণের জন্য একাধিক গরম কাপড় মুড়িয়ে কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে ঘরের বাইরে বের হয়েছেন। রোববার সাপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস হওয়ায় রাজধানীর সড়কগুলোতে সকালেই মানুষের উপস্থিতি ছিল বেশি। স্কুল-কলেজ থেকে শুরু করে অফিস সবই খোলা। ফলে বাইরে বেরিয়ে প্রত্যেকেই ভুগছেন শীতের তীব্রতায়।

শীতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষ। দেশের উত্তরাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে শীত আর কুয়াশার দাপটে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। শহরের ভাসমান মানুষের মধ্যে যারা রাস্তা বা উন্মুক্ত স্থানে থাকেন, তাদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠেছে। কোথাও কোথাও আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা চলছে।

এদিকে, রাজধানীতে শনিবার চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর পশ্চিমের জেলা চুয়াডাঙ্গায় এ মৌসুমে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

দিন ও রাতে তাপমাত্রার পার্থক্য কমে যাওয়ায় শীতের অনুভূতি বাড়ছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এ অবস্থা আগামী আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকবে। উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল এবং মধ্যাঞ্চলে মাঝারি থেকে তীব্র শীতের অনুভূতি থাকতে পারে।