সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৯:১৯ পূর্বাহ্ন

তানোরে সেতু নির্মাণে সংযোগ সড়ক বিছিন্ন

আব্দুস সবুর, তানোর প্রতিনিধি :
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২০

রাজশাহীর তানোর উপজেলার কৃষ্ণপুরে গ্রামীন সেতু নির্মাণের পর প্রায় ৩ মাস ধরে সংযোগ সড়ক বিছিন্ন হয়ে পড়েছে। ফলে ওই এলাকার প্রায় ১২ হাজার মানুষের স্বাভাবিক চলাফেরায় বিঘ্ন ঘটছে।

কিন্তু এঅবস্থায় সেতু নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ ছাড়াই উদাসিন ঠিকাদার লাপাত্তা রয়েছে। ফলে নিরুপাই এলাকাবাসী আজ (৩০ এপ্রিল) বৃহস্পতিবার সকাল থেকে স্থানীয় কৃষকলীগ ও সৈনিকলীগ কর্মীদের সেচ্ছাশ্রমে সেতুর সংযোগ সড়কে গর্ত ভরাট করা হচ্ছে।

তথ্যানুন্ধানে জানা গেছে, উপজেলার পাঁচন্দর ইউপির কৃষ্ণপুর বাজার থেকে জিৎপুর যাবার পথে এক পুরনো কালর্ভাট বেশ কয়েক মাস আগে ভেঙ্গে পড়ে। এঅবস্থায় গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর হতে ২৮ লাখ ১১ হাজার ৪২ টাকার অর্থায়নে ৩৬ ফুট দৈঘ্যের সেতু/কালর্ভাট নির্মাণ কাজ পায় রাজশাহী নগরীর মুসা হাজি ও সাহিন নামের ঠিকাদার।

বেশ কয়েক মাস আগে সেতু নির্মাণ কাজ শেষ হয়। কিন্তু সেতুর সংযোগ সড়ক বিছিন্ন রেখে ঠিকাদার লাপাত্তা হয়। এতে কৃষ্ণপর, লছিরামপুর, কচুয়া, পাঁচন্দর, দেওলা, ডাঙ্গাপাড়া, পুরানাপাড়া ও মাহানপুর গ্রামের ১২ হাজার মানুষের স্বাভাবিক চলাফেরায় প্রায় বন্দিদশা অবস্থা বিরাজ করছে।

এনিয়ে ওই এলাকার সৈনিকলীগ নেতা সাদিকুল ইসলাম ও কৃষকলীগ কর্মী রাব্বি আল-আমিনসহ আরও অনেকে জানান, ওই সেতু নির্মাণে খুবই নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। দীর্ঘ ৫ মাসেও নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়নি। বেশ কয়েক দিন আগে বৃষ্টির পানিতে রাস্তা ভেঙ্গে পড়েছে।

সেতু দিয়ে কোন যানবাহন তো দূরের কথা পায়ে হাটাও কষ্টকর। এঅবস্থায় সেতু সংশ্লিষ্টদের বলা হলেও কর্ণপাত করা হয়নি। ফলে নিরুপাই হয়ে তাদের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন যুবক সেচ্ছাশ্রমে আজ (৩০ এপ্রিল) সেতুর ভিতরে ও বাইরে মাটি ফেলা হচ্ছে। মনে হয় আরও বেশ কয়েকদিন এ কাজ করতে হবে বলে জানান তারা।

এব্যাপারে ঠিকাদার মুসা হাজি ও সাহিনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি। তবে, এনিয়ে তানোর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) তারিকুল ইসলামের ০১৭১১-৯৬৫৯৯২ নম্বর মোবাইলে একাধিবার ফোন দেয়া হলেও রিসিভ হয়নি।

পিআইও অফিসের কাজগুলো খুবই নিম্মমানের হয় । কারন কাজগুলো মুল ঠিকাদারের কাজ থেকে স্থানীয়রা অগ্রিম লাভ দিয়ে কিনে কাজ করে। আর এসব কাজ দেখভাল ও কমিশন নেয় পিআইও অফিসের দীর্ঘ দিনের উমেদার খলিল। তিনি প্রতিটি কাজে গিয়ে কমিশন নেয় বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেন।

এমনকি উমেদার খলিল পিআইও অফিসের সকল ধরনের কাজ করে থাকেন এবং কথায় কি দিতে হবে তাঁর কথা মত সব কিছু হয়। তিনি প্রায় ১৫ বছর ধরে উমেদারের দায়িত্ব পালন করে লাখ পতি বনে গেছেন।

আবার তাঁর শ্যালককে অফিসে উমেদারের কাজ দিয়েছেন। এমনকি পিআইও অফিসের সরকারী মটরসাইকেল নিয়োমিত ব্যবহার করে থাকেন। ছুটির দিনেও বাইক নিয়ে দাবিয়ে বেড়ান তিনি।

Surfe.be - Banner advertising service

https://www.facebook.com/gnewsbd24

Leave a Reply

More News Of This Category
<script async src="https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js?client=ca-pub-3423136311593782"
     crossorigin="anonymous"></script>
© All rights reserved © 2011 Live Media
কারিগরি সহযোগিতায়: মোঃ শাহরিয়ার হোসাইন
freelancerzone