বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :

Surfe.be - Banner advertising service

নীলফামারীতে লকডাউনে বিপাকে মুরগীর খামারীরা

আবু মোতালেব হোসেন, নীলফামারী প্রতিনিধি :
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৪ মে, ২০২০
  • ১৭৩ বার পঠিত

নীলফামারীতে করোনা সংক্রমনে পাইকারী বাজারে সব ধরনের মুরগী ও ডিমের দাম অস্বাভাবিক ভাবে কমেছে। এদিকে খামারীরা জানান, জেলার ছয় উপজেলায় ১ হাজার ৫৬৬ খামারী বিপাকে পড়েছে।

এদিকে, জেলা শহরের নিউবাবু পাড়ার মুরগীহাটি মহল্লার জীবন পোল্ট্রি ফার্মের মালিক জীবন মিয়া জানান, এক মাসের ব্যবধানে সব ধরনের মুরগির দাম প্রতি কেজিতে ৩০-৪০ টাকা ও ডিমের দাম প্রতি হালিতে ১২ টাকা কমে ২৪ টাকা হালিতে বিক্রি হচ্ছে। গত মার্চে ৩৬ টাকা প্রতি হালি ডিম বিক্রি হয়েছিল। এ ছাড়াও করোনার শুরুর আগে সোনালী মুরগী ২১০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছিল। এ জাতের মুরগী এখন ১৬০-১৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। কেজিতে ৪০টাকা লোকশান গুনতে হচ্ছে।

এ ছাড়াও ব্রয়লার মুরগীর কেজি প্রতি ১৪০-১৫০ টাকায় বিক্রি হলেও এখন তা বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকায়। এতে প্রতি কেজিতে ৩০ টাকা লোকশান গুনতে হচ্ছে।

জেলা সদরের রামনগর ইউনিয়নের চড়চড়াবাড়ী গ্রামের খামারী আফজালুল হক বিপ্লব জানান, রানীক্ষেত রোগ দেখা দেওয়ায় আমার খামারে প্রায় ১২ হাজার মুরগি পানির দামে বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছি। এই বিপদ কেটে উঠতে না উঠতেই দেশজুড়ে আবার মহামারী আকারের দেখা দেয় করোনা ভাইরাস। করোনা সংক্রমন রোধে দেশে সব ধরনের যানবাহন বন্ধ থাকায় বাজারে ডিম ও মুরগীর বাজার নিন্মমুখি হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে খামারীরা।

জেলা প্রাণী সম্পাদ সুত্র জানায়, জেলায় ১ হাজার ৫৬৬ মুরগির খামার রয়েছে। এর মধ্যে সোনালী মুরগির খামার রয়েছে ৪৬৭, লেয়ার ৪৪৫, ব্রয়লারের খামার রয়েছে, ৫৭৮ ও দেশি মুরগির ৭৬ টি।

নীলফামারী পৌরসভার হাড়োয়া মহল্লার খামারি বাঁধন মিয়া জানান, দুই দফায় রাণীক্ষেত রোগে খামার ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় গত মার্চ মাসে আবার এক হাজার সোনালী মুরগির বাচ্চা পালন শুরু করি। চলতি মাসের দ্ধিতীয় সপ্তাহ থেকে বিক্রি করা যাবে বলে আশা করেন তিনি। কিন্ত করোনার প্রভাবে এতেও লোকশান গুনতে হবে বুঝি। সরকারী ভাবে আর্থিক প্রণোদনা পেলে এই লোকশান থেকে কেটে উঠা যাবে বলে মনে করেন তিনি।

পরিবেশক ইকবাল আহমেদ জানান, নানা কারনে খামারীরা বার বার ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছে, এতে খামারীদের সাথে ডিলারদেরও প্রভাব পড়ছে। প্রাকৃতিক প্রভাবে জেলায় শতকরা ৮০ ভাগ মুরগির খামার বন্ধের পথে। তিনি জানান, করোনার প্রভাবে বর্তমানে পোল্ট্রি শিল্প মারাতœক ক্ষতির মুখে পড়েছে। খামারে মুরগির ডিম আসছে কিন্ত বিক্রি হচ্ছে না। এসব মিলিয়ে খামারিরা বিপাকে পড়েছে। সরকার ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তাদের সহজ সর্তে ঋণ দেওয়ার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষনা করায় খামারিদের হয়তো কিছুটা উপকার হবে।

জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. মোনাক্কা আলী জানান, চলমান করোনা পরিস্থিতিতে সরবারহ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ায় খামারিরা তাদের উৎপাদিত মুরগি ও ডিমের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ জন্য করোনা সংকটে সরকার খামারীদের বিশেষ প্রণোদনার ঘোসনা দিয়েছেন। উপজেলা পর্যায়ে খামারীদে তালিকা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আশা করি দ্রুত তাদের সমস্যা সমাধান হবে।

 

Surfe.be - Banner advertising service

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এ জাতীয় আরো খবর..

<a href=”https://surfe.be/ext/446180″ target=”_blank”><img src=”https://static.surfe.be/images/banners/en/240x400_1.gif” alt=”Surfe.be – Banner advertising service”></a>

via Imgflip

Surfe.be - Banner advertising service

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি  © All rights reserved © 2011 Gnewsbd24
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazargewsbd451