সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০১:১২ অপরাহ্ন

ফারাক্কা লংমার্চ জাতির চেতনাকে শাণিত করে : কৃষক-শ্রমিক মুক্তি আন্দোলন

জি-নিউজবিডি২৪ ডেস্ক :
  • Update Time : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২০

১৯৭৬ সালে মওলানা ভাসানীর ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ গোটা জাতির চেতনাকে শাণিত করে। তার নেতৃত্বে ফারাক্কা লংমার্চ ভারতের সাথে তৎকালিন সরকারের দর কষাকষিতে প্রবল শক্তি সঞ্চয় করে বলে মন্তব্য করেছে জাতীয় কৃষক-শ্রমিক মুক্তি আন্দোলন।

শুক্রবার (১৫ মে) ১৬ মে ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস উপলক্ষে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে সংগঠনের আহ্বায়ক এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা ও সমন্বয়ক মো. মহসিন ভুইয়া এসব কথা বলেন।

তারা বলেন, মওলানা ভাসানী আজ বেঁচে নেই। কিন্তু নদীর বিপন্ন দশা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। নদী এখন প্রায় পানিহীন অবস্থায় পৌঁছেছে। সাম্প্রতিক সময়ে এই অবস্থা আরো শোচনীয়। সূত্রগুলোর মতে, ভারত গঙ্গা নদীর বিভিন্ন স্থানে তিন শতাধিক বাঁধসহ বিভিন্ন ধরনের সেচ প্রকল্প দিয়ে গঙ্গা নদীকে নিঃশেষ করে দিচ্ছে। নদ-নদী বিধ্বংসী এমন ব্যাপক কার্যক্রমের দরুন এবার শুষ্ক মওসুমের সূচনাতেই বাংলাদেশে হাহাকার চলছে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, ভারত শুধু ফারাক্কা বাঁধই নয়, বাংলাদেশমুখী অর্ধশতাধিক নদীর পানি সরাসরি প্রত্যাহার করে চলেছে। এসব নদী এবং এর উপনদীগুলোর ওপর ভারত ৩ হাজার ৬ শ’টি বাঁধ বেঁধে ফেলেছে এবং আরো ১ হাজার বাঁধের নির্মাণ কাজ চলছে। সূত্র জানায়, ভারত পদ্মা-যমুনা তথা গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বেসিনে যে অর্ধশতাধিক মূল সেচ ও বিদ্যুৎ অবকাঠামো নির্মাণ করছে তার প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশের শত শত নদী ও খালবিল পর্যায়ক্রমে পানিশূন্য হয়ে পড়ছে। এর প্রতিক্রিয়ায় এমনকি মেঘনা ও তার শাখাগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে জানা গেছে। এর ফলে বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের কিছু এলাকা ছাড়া বাকি বৃহত্তর রাজশাহী, খুলনা, ঢাকা ও সিলেট অঞ্চলের প্রায় ৩০টি জেলার ৭০ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকার প্রায় ৭ কোটি অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক লোকই সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। লাখ লাখ হেক্টর কৃষি জমি হারাতে বসেছে আবাদের যোগ্যতা।

নেতৃত্রয় বলেন, সেসময়ই মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ঠিকই বুঝতে পেরেছিলেন। আর সে কারণেই ফারাক্কা বাঁধের ভয়াবহতা সম্পর্কে বিশ্ববাসীকে অবহিত করতে ১৯৭৬ সালের ১৬ মে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ফারাক্কা, টিপাইমুখসহ ভারতের অব্যাহত পানি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার কোনো বিকল্প আছে কি? ভারত মূলত দুটি উদ্দেশ্যে পানি আগ্রাসন অব্যাহত রেখেছে। এর একটি হচ্ছে রাজনৈতিক কারণে পানিকে ব্যবহার করা আর রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে ব্যর্থ ও পঙ্গু রাষ্ট্রে পরিণত করা। ভারতের পানি আগ্রাসন রুখতে হলে ১৮ কোটি মানুষের ঐক্যকে শক্তিতে পরিণত করতে হবে।

Surfe.be - Banner advertising service

https://www.facebook.com/gnewsbd24

Leave a Reply

More News Of This Category
<script async src="https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js?client=ca-pub-3423136311593782"
     crossorigin="anonymous"></script>
© All rights reserved © 2011 Live Media
কারিগরি সহযোগিতায়: মোঃ শাহরিয়ার হোসাইন
freelancerzone