রবিবার, ০৭ অগাস্ট ২০২২, ১০:৪৯ অপরাহ্ন

Surfe.be - Banner advertising service

বিল, কর, ক্ষুদ্র ঋণের কিস্তি আদায় বন্ধে ব্যবস্থা নিন : ন্যাপ

জি-নিউজবিডি২৪ ডেস্ক :
  • Update Time : সোমবার, ২৯ জুন, ২০২০

করোনাভাইরাস সঙ্কটের মধ্যে জনগণের ওপর চাপ দিয়ে সরকার বিদ্যুত-গ্যাস-পানির বিল, কর আদায় করছে অন্যদিকে সরকারের নির্দেশ অমাণ্য করে নব্য ইস্টইন্ডয়া কোম্পানির মত এনজিওগুলো ক্ষুদ্র ঋণের কিস্তি আদায় করছে বলে অভিযোগ করে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চলমান মহাদুর্যোগ কালিন সময়ে অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্থ মানুষের কাছ থেকে বিল, কর, ক্ষুদ্র ঋণের কিস্তি আদায় বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সরকারের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে পার্টির চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এ আহ্বান জানান।

তারা বলেন, বর্তমানের এই দুঃসময়ে ইলেক্ট্রিক বিল, ইনকাম ট্যাক্স, অ্যাডভান্স ইনকাম ট্যাক্স, মিউনিসিপ্যাল ট্যাক্স ও অন্যান্য যেসব ট্যাক্স আছে তা আপাতত বন্ধ করা উচিত। একারণেই যে, এখন মানুষের পক্ষে এসব ট্যাক্স দেয়া অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। বরং সরকার তা না করে এই ট্যাক্সগুলো আদায়ে জনগনের উপর চাপ প্রয়োগ করছে।

নেতৃদ্বয় আরো বলেন, করোনার এ সময়ে এতে দিনমজুর ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের আয় নেই। কিন্তু থেমে নেই এনজিওর ঋণের কিস্তি আদায়। বিভিন্ন স্থানে প্রশাসন কিস্তি আদায় স্থগিত করলেও মানছে না এনজিও কর্মকর্তারা। চলমান করোনা-মহামারিতে গভীর সংকটে পড়েছে শ্রমজীবী, মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষ। রুটি-রুজির সীমাহীন সংকটে পড়ে, খেয়ে না খেয়ে জীবন কাটাতে হচ্ছে তাঁদের। এসব মানুষ ক্ষুদ্রঋণের জালে আটকে পড়ে আছে।

সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে, অনেক এনজিও দেশের বিভিন্ন স্থানে ক্ষুদ্রঋণের কিস্তি আদায়ে বিশেষভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। বর্তমান অসহায় পরিস্থিতিতে এটা শুধু অমানবিকই নয়, অন্যায্যও বটে। এনজিওদের এসকল কর্মকান্ডে প্রমানিত হচ্ছে, মানুষ মরলেও তাদের শোষণ থেকে মানুষের মুক্তি নেই। এ অবস্থা চলতে পারে না।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, ৩০ জুন পর্যন্ত কিস্তি আদায় বন্ধ না রাখলে লাইসেন্স বাতিল করা হবে বলে সরকার ‘কাগুজে হুংকার’ দিয়েই তার দায়িত্ব শেষ করেছে। কিস্তি কিস্তি আদায় বন্ধ করতে সরকারের কার্যত কোনো পদক্ষেপ নেই। করোনা আর ক্ষুধার যন্ত্রণায় মানুষ এমনিতেই চরম অসহায় হয়ে পড়েছে। তার মধ্যে কিস্তির যন্ত্রণা মেনে নেয়া যায় না। কিস্তির যন্ত্রণা থেকে মানুষকে মুক্ত করতে হবে। করোনা-পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ক্ষুদ্রঋণের সব ধরনের কিস্তি আদায় বন্ধ রাখতে হবে। কিস্তি আদায় বন্ধে সরকারকে কার্যকর কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

Surfe.be - Banner advertising service

https://www.facebook.com/gnewsbd24

Leave a Reply

More News Of This Category
© All rights reserved © 2011 Live Media
কারিগরি সহযোগিতায়: মোঃ শাহরিয়ার হোসাইন
freelancerzone