বৃহস্পতিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২২, ১১:৩১ অপরাহ্ন

Surfe.be - Banner advertising service

তাজউদ্দীন আহমদের স্বপ্ন ছিল অসাম্প্রদায়িক ক্ষুধা দারিদ্র মুক্ত বাংলাদেশ

জি-নিউজবিডি২৪ ডেস্ক :
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২০

বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আহমদের স্বপ্ন ছিল অসাম্প্রদায়িক ক্ষুধা দারিদ্র মুক্ত বাংলাদেশ বলে মন্তব্য করে সাবেক রাষ্ট্রদূত অধ্যাপক ড. নিম চন্দ্র ভৌমিক বলেছেন, পাকিস্তানের শোষন শাসন নির্যাতনের প্রতিবাদে ও বাঙালিদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধু নেতৃত্বে ১৯৭০ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ সংখ্যা গরিষ্ঠ সংগঠন হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

তিনি বলেন, তাজউদ্দীন সাহেবের মতো একজন প্রজ্ঞাবান দেশপ্রেমিক নেতাই পেরেছেন বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে। সকল সমস্যার উত্তরণ ঘটিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। তাই আমরা তাজ উদ্দীন আহমদের কাছে চীর কৃতজ্ঞ ও ঋণী।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাব চত্তরে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী, জনমানুষের নেতা দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার রূপকার বঙ্গবন্ধুর একান্ত আপনজন বঙ্গতাজ মোঃ তাজ উদ্দীন আহমদ এর ৯৫ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগ আয়োজিত স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি এম এ জলিলের সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশগ্রহন করেন ন্যাপ ভাসানীর চেয়ারম্যান এম এ ভাসানী, বাংলাদেশ ন্যাপের ভাইস চেয়ারম্যান স্বপন কুমার সাহা, জাতীয় স্বাধীনতার পার্টির চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজু, পিডিবির অন্যতম নেতা মাকসুদ চৌধুরী, বাংলাদেশ জাসদ নেতা হুমায়ুন কবির, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব আব্দুল্লাহ জিয়া, জয়বাংলা মঞ্চের মুফতি মাসুম বিল্লাহ নাফিয়ী, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ নকিব হক, বিশিষ্ট সমাজসেবক ডা. সানাউল্লাহ, সালমা খাতুন, সংগঠনের সহ সভাপতি ফাতেমা বেগম, সাধারণ সম্পাদক সমীর রঞ্জন দাস ও দপ্তর সম্পাদক কামাল হোসেন।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিব নগরে সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সরকারের রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, উপ রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং তিনি নিজেই তাজ উদ্দীন আহমদ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। শপথের পর থেকেই তিনি বিশ্বের নেতৃবৃন্দের সাথে যোগাযোগ করেন বাংলাদেশের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। তার অনুরোধে সাড়া দিয়ে তৎকালীন ভারতে প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি মিসেস ইন্দিরা গান্ধী নেতৃত্বে ভুটান নেপাল এবং ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। এই স্বীকৃতি জন্য বিশেষ ভুমিকা রেখেছিলেন বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আহমদ।

তিনি আরো বলেন, সকল শ্রেণীর পেশা মানুষের জন্য ঐকবদ্ধ করেছিলেন এবং অনেক প্রতিকুল অবস্থার পর প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে ১৯৭১ সালে ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানী শাসকদে যুদ্ধের মাধ্যমে পরাজিত করে বাংলাদেশ স্বাধীন করে। এই স্বাধীনতার বিরোধীতা করেছিল এবং পাকিস্তানের পক্ষ অবলম্ভন করেছিলেন চীন।

এই চীন মানবতা বিরোধী বিশ্বের নির্যাতি নিপীড়িত মানুষের শত্রু। আর আমরা পার্শবর্তী দেশ ভারত আমাদের অকৃতিম বন্ধু। তার প্রমাণ ৯ মাসের যুদ্ধের সময় ১ কোটি বাঙালিদেরকে ভারতে আশ্রয় দিছেন খাইয়ে দিছেন এবং প্রায় ৩ লক্ষ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছেন খাইয়েছেন এবং যুদ্ধে পাঠিয়েছেন। এই মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে যুদ্ধ করে ভারতের মিত্রবাহিনী এবং যুদ্ধে ভারতের প্রায় ১৪ হাজার সৈন্য নিহত হয়েছেন।

এই কারণে আমরা বলবো ভারত নিয়ম-নীতি আইনের পক্ষে কাজ করে মানবতার পক্ষে কাজ করে আর চীন পাকিস্তানকে সাহায্য করে বাংলাদেশের ৩০ লক্ষ লোকদের হত্যা করেছে শহীদ করেছেন। ৫লক্ষ মা-বোনের ইজ্জত হরণ করেছেন। এই সবের পিছনে ছিল চীন। ভারত আমাদের অকৃতিম বন্ধু তার প্রমাণ সীমান্ত সমস্যার সমাধাণ।

আর আন্তর্জাতিকভাবে সমুদ্র সীমানা বিজয় হওয়ার ভারত সেই বিজয়কে স্বাগত জানিয়ে ছিল চীন তার প্রতিবেশী রাষ্টদেরকে শক্তি দিয়ে পরাস্ত করতে চায়। ইহা আমরা মেনে নিতে পারি না। তাই আমরা ভারতে পক্ষে আছি মানবতার পক্ষে আছি।

সভাপতি ভাষণে এম এ জলিল বলেন, বঙ্গতাজ মোঃ তাজ উদ্দীন আহমদ এর জন্মবার্ষিকীতে আমাদের শপথ হোক বন্যা নদী ভাঙ্গন ও জল্লোচ্ছ্বাস তিন সমস্যার সমাধান দারিদ্র বেকার মুক্ত বাংলাদেশ।

Surfe.be - Banner advertising service

https://www.facebook.com/gnewsbd24

Leave a Reply

More News Of This Category
© All rights reserved © 2011 Live Media
কারিগরি সহযোগিতায়: মোঃ শাহরিয়ার হোসাইন
freelancerzone