শুক্রবার, ১২ অগাস্ট ২০২২, ০২:৫৯ পূর্বাহ্ন

Surfe.be - Banner advertising service

ব্রহ্মপুত্র ঘাঘট ও নদীর পানি বিপদসীমার উপরে করতোয়া ও তিস্তার পানি বৃদ্ধি

সিরাজুল ইসলাম রতন, গাইবান্ধা প্রতিনিধি :
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২০

গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্র ঘাঘট ও নদীর পানি কিছুটা কমলেও তিস্তা এবং করতোয়া নদীর পানি বেড়েই চলেছে। এদিকে ব্রহ্মপুত্র ও ঘাঘট নদীর পানি কমলেও সুন্দরগঞ্জ, সাঘাটা, ফুলছড়ি ও সদর উপজেলার বন্যা উপদ্রুত এলাকার বসতবাড়ি একটানা দীর্ঘদিন পানিতে নিমজ্জিত থাকায় বন্যা কবলিত এলাকার মানুষরা চরম দুর্ভোগের কবলে পড়েছে।

বিশেষ করে কাঁচা ঘরবাড়িগুলো বন্যার পানিতে পচে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এবং পানির স্রোতে ভেসে যাওয়ায় তারা বিপাকে পড়েছে। এদিকে বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নেয়া লোকজনরা এখনও বসতবাড়িতে ফিরে যেতে পারছে না।তবে এসব এলাকায় বিশুদ্ধ পানি সংকট দেখা দিয়েছে। যেসব স্থানে মানুষজনরা আশ্রয় নিয়ে আছে সেখানে চরম দুর্দশার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, এবারের বন্যায় ৩ হাজার ১১৬ হেক্টর জমির বিভিন্ন ফসল পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। একনাগারে দীর্ঘদিন এসব ফসল পানির নিচে থাকায় কি পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে পানি নেমে যাওয়ার পর তা বোঝা যাবে।

এদিকে বন্যার স্রোতে নদী ভাঙ্গন বৃদ্ধি পাওয়ায় সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের দীঘলকান্দি, গোবিন্দপুর, পাতিলাবাড়ি, নলছিয়া, কালুরপাড়া ও বেড়া গ্রামের দু’শতাধিক ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, বুধবার দুুপুর ১২টা পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপদসীমার ৬৯ সে.মি. এবং ঘাঘট নদীর পানি বিপদসীমার ৫০ সে.মি. উপর দিয়ে বইছে। অপরদিকে করতোয়া এবং তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও এখনও বিপদসীমার নিচে রয়েছে। করতোয়া নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় গোবিন্দগঞ্জ ও পলাশবাড়ি উপজেলার নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা নতুন করে আবার বন্যা আতংকে রয়েছে।

Surfe.be - Banner advertising service

https://www.facebook.com/gnewsbd24

Leave a Reply

More News Of This Category
© All rights reserved © 2011 Live Media
কারিগরি সহযোগিতায়: মোঃ শাহরিয়ার হোসাইন
freelancerzone