শুক্রবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২২, ০৮:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

বাংলাদেশের গর্ব সৈয়দপুরের আলিম

জহুরুল ইসলাম খোকন, সৈয়দপুর প্রতিনিধি (নীলফামারী) ঃ
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২০
  • ৩৭০ বার পঠিত

বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক মানসম্পূর্ণ ডাইভার নীলফামারী সৈয়দপুরের আব্দুল আলিম। বিশ্বে যার নেতৃত্ব উদ্ধার হচ্ছে বড় বড় জাহাজ।

ইরানি শীপ এমভি শাহারাজের জাহাজের মূল্য কয়েক বিলিয়ন ডলার। ৬ হাজার কন্টিনার বহনে ক্ষমতা সম্পূর্ন এম ভি শাহরাজ ইরান থেকে প্রায় ৩৫০০ কন্টিনার নিয়ে চীন যাচ্ছিল। ইন্দোনেশিয়ার কাছে ১১ই মে ২০ ইং অল্প পানিতে কোরালে পাথরে লেগে আটকে যায়। জাহাজটি মুভ করা সম্ভব হচ্ছিল না। ফলে সিঙ্গাপুরে উদ্ধারের জন্য সাহায্য চাওয়া হয়।

২৪ মে বাংলাদেশী আব্দুল আলিমের নেতৃত্বে উদ্ধারকারী সিঙ্গাপুরী টিম উদ্ধার কাজে নেমে যায়। ইতিপূৃর্বে তাদের নেতৃত্বে মালদ্বীপে একটি জাহাজ উদ্ধার হয়। মালদ্বীপে ১২০ ফিট পানির নিচে একটি জাহাজ ডুবে যায়। সেখানে পানির নিচে গিয়ে জাহাজটিকে কেটে কেটে তোলা হয়।

এরও নেতৃত্ব দেন আলিম। আজ আমরা পৃথিবীর বড় বড় জাহাজ উদ্ধারে নেতৃত্ব দানকারী বাংলাদেশ তথা সৈয়দপুরের গর্ব আব্দুল আলিম সম্পর্কে জানবো।

যে কিনা সফলতার সাথে হংকং, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, চীন, দক্ষিন আফ্রিকা, সিংগাপুর, মালেশিয়া, ইন্দোনেশিয়ায় জাহাজ উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ নদী মার্তৃক দেশ এবং এখানে একাধিক নৌবন্দর রয়েছে। ডাইভার শিল্প একটি গুরুত্বপূর্ন শিল্প হতে পারে। পৃথিবীর অনেক দেশেই বেসরকারী পর্যায়ে এ শিল্প রয়েছে।

আয় করছে কোটি কোটি ডলার। কিন্তুু দেশে আন্তর্জাতিক মানসম্পূর্ণ কোন ডাইভার শিল্প নেই। ফলে যে কোন দূর্ঘটনায় নৌ বাহীনির সাহায্য নিতে হয়। সরকার ইচ্ছে করলে ফায়ার সার্ভিসের মত একটি আলাদা প্রতিষ্টান গড়ে তুলতে পারে। যারা নৌ দূর্ঘটনায়, জাহাজ উদ্ধার, জাহাজ ফিটনেসে ব্যবহার হতে পারে।

সমুদ্রে ৫ বছর পর পর জাহাজের ফিটনেস পরীক্ষা হয়। একটি জাহাজকে ডকিং করলে টাকা বেশি লাগে, সময় ও লাগে। তাই তলদেশে ফিটনেস পরীক্ষায় ডুবরী ব্যবহার করে ফিটনেস দিতে পারে। চার্জ বড় জাহাজ ১৫ হাজার ডলার আর ছোট জাহাজ ৮ হাজার ডলার খরচ হয়। একটি বড় জাহাজের উদ্ধারে কনট্রাক হয় ১০ মিলিয়ন ডলার প্রায় ৮০ কোটি টাকার উপরে। এ শিল্পের উজ্বল সম্ভবনা রয়েছে।

বাংলাদেশে মিতালী–৩ লঞ্চ ২০০৩ সালে যাত্রাবাড়ীতে ডুবে যায়। শত লোক নিখোজ হয়। নৌবাহিনীতে থাকা অবস্হায় আলিম এ উদ্ধারকারী দলে ছিল। মৃর্ত্যু উদ্ধার ১৩০ জন।

বরযাত্রীবাহী নৌকা ২০০৪ সালে ডুবে যায়। সেখানেও আলিমের নেতৃত্বে উদ্ধার কাজ চালায়। ২০০৯ সালে বিমান বাহীনির প্রশিক্ষন বিমান চট্রগ্রামে কর্নফুলী নদীতে ডুবে যায়। সেখানেও আব্দিল আলিম উদ্ধার কাজ চালায়।

আব্দুল আলিমের পিতার নাম মো আবেদ আলি, বোতলাগাড়ি, কাঙ্গালপাড়া, শাস্বকান্দর, সৈয়দপুর। জন্ম ২৫ জুন ১৯৮০ সাল। মোহাম্মাদদিয়া শাহ সিকান্দার প্রাইমারী স্কুলে ক্লাশ ৫ পর্যন্ত পড়েছে। ক্লাশ ওয়ান থেকে ক্লাশ ৫ পর্যন্ত প্রথম রোল ছিল। সৈয়দপুর রেলওয়ে স্কুল থেকে ১৯৯৫ সালে এস এস সি পাশ করে।এর পর সৈয়দপুর কলেজে এইচ এসসি।

তারপর ১৯৯৮ সালে ১ লা জানুয়ারী নৌবাহিনীর খুলনা তিতুমির ঘাটিতে যোগদান করেন। দীর্ঘ ১৫ বছর চাকুরী শেষে ২০১২ সালে অবসর গ্রহন করেন। তারপর সিংগাপুরে চলে যান ৭ ডিসেম্বর ২০১২ সালে। কিন্তুু সিংঙ্গাপুর সরকার তার পূর্বের সার্টিফিকেট ও অভিজ্ঞতার কোন মূল্য দেয় না।

তাই সিংঙ্গাপুর থেকে ডাইভারে সিভিল ইন্জিনিয়ারিং এ উচ্চ শিক্ষা অর্জন করেন। এর পর সাউদ আফ্রিকা থেকে বিশেষ প্রশিক্ষন নেন। এর পর মালদ্বীপে ইন্দোনেশিয়া কাজ করেছেন। তার কাজের ধরন হচ্ছে শীপ স্যালভেস।

Surfe.be - Banner advertising service




নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এ জাতীয় আরো খবর..

<a href=”https://surfe.be/ext/446180″ target=”_blank”><img src=”https://static.surfe.be/images/banners/en/240x400_1.gif” alt=”Surfe.be – Banner advertising service”></a>

via Imgflip

Surfe.be - Banner advertising service

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি  © All rights reserved © 2011 Gnewsbd24
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazargewsbd451