রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন

তৃণমূল আওয়ামীলীগের আস্থার প্রতিক আসাদ

আব্দুস সবুর, তানোর প্রতিনিধি(রাজশাহী) ঃ
  • Update Time : বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২০

রাজশাহী জেলার তৃণমূল আওয়ামীলীগের ভরসা ও আস্থার প্রতিক এবং নবীন প্রবীণ সবার প্রিয় জননেতা আসাদুজ্জামান আসাদ । তিনি আশির দশকের পর থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতির মাধ্যমে শুরু হয় তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড। নানা উৎরাই পেরিয়ে আসাদ এখন জেলার আওয়ামীলীগসহ সহযোগী সংগঠনের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের অন্যতম এক ভরসা।

তবে মহানগর থেকে রাজনীতি শুরু করলেও পরে জেলার রাজনীতিতে এসে ব্যাপক চমক দিয়ে সবার প্রিয় হয়ে উঠেন এবং তাঁর বক্তব্য শোনার জন্য হাজারো জনতা উদগ্রীব হয়ে থাকেন। সংগঠনকে গতিশীল করতে নিয়েছেন নানা ধরনের উদ্দ্যগ। যা সংগঠনকে প্রচুর চাঙ্গা করে তুলেছে।

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের জন্য সারা দেশে লকডাউনের সময় তৃণমূলের দরিদ্র নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সকল শ্রেণী পেশার খেটে খাওয়া দিন মজুর ব্যাক্তিদের পাশে দাড়িয়ে প্রশংসার পাত্র কুড়িয়েছেন। সার্বক্ষণিক মাঠে থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনার নির্দেশনা বাস্তবায়নে করেছেন কঠোর পরিশ্রম।

জীবনের এই সময়ে এসে জেলা উপজেলা আওয়ামীলীগকে ঐক্যবদ্ধ করে এক ক্লিন ইমেজের আওয়ামীলীগ গড়ে দেশরতœ বঙ্গ কন্যাকে উপহার দিতে চান বঙ্গবন্ধুর আদর্শের এই সৈনিক। গত জেলা সম্মেলনে রাজনীতির গ্যাড়াকলে পদ হারিয়েও বিভিন্ন উপজেলায় নেতাকর্মীদের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করেই চলেছেন।

পদ হারানোর পর এই নেতার জন্য হাজার হাজার নেতাকর্মী কেঁদেছিলেন যা রাজনীতির ইতিহাসে স্বরনীয় হয়ে থাকবে । লকডাউনের সময় তিনি বলেছিলেন আমি আপনাদের আসাদ ভাই কোন লজ্জা পাবেন না আমার ব্যাক্তিগত মোবাইলে কল বা মেসেজ দিন দ্রুত সমাধান করা হবে। এই কথা ফেসবুকে বলার দিনেই প্রায় হাজারমত কল মেসেজ আসে।

তাঁর দেখাদেখি অন্যরাও শুরু করেন এই নিয়ম।শুধু এখানেই শেষ না তৃণমূল নেতাকর্মীদের এক কাতারে আনতে আ”লীগ পরিবার মিলন মেলা, লকডাউনের ঈদের সময় আজন্ম আ”লীগ যোদ্ধাদের দিয়েছেন সামগ্রী সহ সম্মামনা। যার ফলে রাজশাহী নগরীর লক্ষিপুর মোড়ে দলীয় কার্যালয়ে প্রতিদিন বিভিন্ন উপজেলা থেকে নেতাকর্মীরা নানা সমস্যা নিয়ে আসেন এই প্রিয় নেতার কাছে।

শুধু এখানেই শেষ না গত মঙ্গলবার গোদাগাড়ী উপজেলার চর আষাড়িদহে ভান বাসিদের মাঝে ত্রান বিতরণ করেন তিনি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মোহাম্মাদ আলী সরকার।

জানা গেছে ১৯৮৫ সালের দিকে রাজশাহী মহানগরীর ৬নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতির মাধ্যমে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন আসাদ। এরপর সিটি কলেজের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৮ সালের দিকে রাজশাহী মহানগরীর ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক, এরপর ৮৯-৯০ সাল পর্যন্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।

১৯৯২ সালে জেলা যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পান, ১৯৯৭ সাল যুবলীগের সাধারন সম্পাদক ছিলেন, একই সালে আহবায়কের দায়িত্ব পান, ৯৭ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত সভাপতি হিসেবে ছিলেন এই নেতা, তাঁর নেতৃতের দক্ষতায় ২০০৩ সালে কেন্দ্রীয় যুবলীগের কমিটিতে স্থান পান, ২০০৫ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত জেলা আ”লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব। পরে জেলা আ”লীগের সাধারন সম্পাদকেরও দায়িত্বে ছিলেন।

১/১১ সময় শেখ হাসিনা গ্রেফতারের পর আসাদের নেতৃত্বে দেশরতেœর মুক্তির দাবিতে শহরে আসাদের নেতৃত্বে প্রথম মিছিল হয়, মুক্তির আন্দোলনের জন্য সাবেক ছাত্র নেতাদের স্বাক্ষর যুক্ত স্বারক লিপি দেয়া হয় তৎকালীন দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি প্রয়াত জিল্লুর রহমানের নিকট এবং শেখ হাসিনার মুক্তির জন্য ৬০০ জন মুক্তিযোদ্ধাদের স্বাক্ষরযুক্ত স্বারক লিপি প্রদান করেন জেলা প্রশাসকের নিকট। এছাড়াও নানা ধরনের সামাজিক ক্রীড়া সংগঠনের সাথে জড়িত আছেন আসাদ। দলের সু সময়ে হাইব্রিড নেতাদের জন্য গত জেলা সম্মেলনে পদ হারাতে হয় আসাদ কে। তারপর থেকে থাকেন নি এই পরিক্ষিত সৈনিক।

এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এই প্রতিবেদককে জানান জীবনে চাওয়া পাওয়ার কিছুই নেই। অনেক চুড়াই উৎরাই পেরিয়ে আজ আমি সবার আসাদ ভাই। জীবনের শেষ ইচ্ছে জেলা আ”লীগকে সু সংগঠিত করে একটি ক্লিন ইমেজের রাজনীতি দেশরতœকে উপহার দেয়া। আপনার কি কোন এমপি নির্বাচন করার ইচ্ছে সাধনা আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি জানান আমার কোন এধরনের ইচ্ছে নেই, তবে আমি চাই ক্লিন ইমেজের ব্যাক্তিরা যাতে নির্বাচনে আসতে পারেন এটাই আমার ইচ্ছে।

Surfe.be - Banner advertising service

https://www.facebook.com/gnewsbd24

Leave a Reply

More News Of This Category
<script async src="https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js?client=ca-pub-3423136311593782"
     crossorigin="anonymous"></script>
© All rights reserved © 2011 Live Media
কারিগরি সহযোগিতায়: মোঃ শাহরিয়ার হোসাইন
freelancerzone