সোমবার, ২৮ নভেম্বর ২০২২, ০৬:০০ অপরাহ্ন

তানোরে শোক দিবসের সভা বাতিল করে মানবতার পরিচয় দিলেন মেয়র

আব্দুস সবুর, তানোর প্রতিনিধি(রাজশাহী) ঃ
  • Update Time : শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২০

আজ শনিবার শোকাবহ ১৫ আগস্ট। সারাদেশ শোক দিবস পালনের জন্য প্রস্তুত। ঠিক এই শোকের দিনে রাজশাহীর তানোরে ব্যাপক সংঘর্ষের আশঙ্কায় এক প্রকার বাধ্য হয়ে শোকের দিনে সংঘর্ষ এড়াতে উপজেলা আ”লীগের সভাপতি মুণ্ডুমালা পৌর মেয়র গোলাম রাব্বানীর গ্রুপ সভা বাতিল করে বিশাল মানবতার পরিচয় দিয়েছেন বলে মনে করছেন তাঁর অনুসারী থেকে শুরু করে প্রশাসনের ব্যাক্তিরা।

কারন তানোর গোদাগাড়ী আসনের সাংসদ ওমর ফার“ক চৌধুরী ও তাঁর ভাতিজা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না প্রকাশ্যে শোকের এই দিনে সংঘর্ষের ঘোষণা দিয়ে দেশিয় অস্ত্র লাঠি সোটা নিয়ে তাঁর অনুসারীদের প্রস্তুত করেন। মুলত একারনেই রাব্বানী গ্রুপের নেতাকর্মীরা গোয়েন্দা বিভাগ থেকে শুরু প্রশাসনের অনুরোধে সভা বাতিল করেন বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেন।এতে করে মেয়র রাব্বানীর এমন সিদ্ধান্তকে উপজেলা বাসী স্বাগত জানিয়ে তিনিই যে প্রকৃত জনতার নেতা সে পরিচয় পুনরায় দিলেন বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

জানা গেছে নিয়ম অনুযায়ী উপজেলা আ”লীগের পক্ষে সভাপতি গোলাম রাব্বানী জেলা পরিষদ থেকে জাতীয় শোক দিবসের সভা করার জন্য উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন বরাদ্দ পান। কিন্তু প্রশাসন অদৃশ্য চাপে সেই মিলনায়তনে সভা করা যাবে বলে জানিয়ে দেন। এদিকে উপজেলা আ”লীগের শোক সভা পণ্ড করতে সাংসদ অনুসারীরা সেই মিলনায়তন পেতে আবেদন এবং যেখানে রাব্বানী ও সাধারন সম্পাদক মামুন সভা করবে সেখানেই আক্রমণ করা হবে বলে ঘোষণা দেন।

সেই মোতাবেক স্থানীয় কিছু অনুপ্রবেশকারীরা সেই কথার উপর ভিত্তি করে লাঠি সোটা কেটে প্রস্তুতি নেন। নাম প্রকাশ না করে পৌর সদর এলাকার এক অনুপ্রবেশ কারী জানান রাব্বানী ও মামুন গ্রুপের শোক সভায় আক্রমণ ও পণ্ড করতে পারলে আমি আ”লীগ সেটা তাদের কাছে প্রমান হবে। তাছাড়া নাকি প্রমান হবে না। এজন্য কয়েকশো বাশের লাঠি লোহার রড প্রস্তুত করে রেখেছি।

জেলা আ”লীগ নেতা মুকবুল খা জানান শোকের দিনে তাঁরা একশানের সভা করতে চাই। তাঁরা নাকি ৮/১০ হাজার লোকের সমাগম ঘটাবে এবং আমরা যেখানে সভা করব তাঁরা আক্রমণ করবে। কিন্তু তাঁরা এইটা জানেনা শোকের দিনে একশান চলেনা। আসলে তারাতো শোক সভা করবেনা তাঁরা মারপিটের সভা করবে। অথচ করোনা ভাইরাসের জন্য স্বাস্থ্যবিধি সামাজিক দুরুত্ব ও অল্প পরিসরে সভা করার জন্য সরকার বারবার নির্দেশ দিচ্ছেন। শোকের দিনে মারপিট হয়না এজন্য আমরা সভা বাতিল করেছি অন্য যে কোন দিনে শোক সভা করা হবে।

উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মেয়র গোলাম রাব্বানী জানান আমরা জন্মগত আওয়ামীলীগ । আমরা এর ইতিহাস ঐতিহ্য জানি। আর শোকের দিনে আমাদের সভা বাতিল করতে মারপিটের প্রস্তুতি নিয়েছেন। আসলে তারাতো আওয়ামীলীগ না আমি লীগ এজন্যই এই দিনেও নেতাকর্মীদের মারপিট করার জন্য নির্দেশ দেয়া এবং মোবাইলে নানা ভাবে হুমকি প্রদান করে যাচ্ছেন।

সব নিয়ম মেনে শোক সভা করার জন্য জেলা পরিষদ থেকে উপজেলা পরিষদের মিলনায়তন ভাড়া নিয়েছিলাম। কিন্তু তাঁরা প্রশাসনকে চাপ প্রয়োগ করে সেটাও বাতিল করেছে। কে কত জনপ্রিয় নেতা সেটা শোক দিবসের সভা করে বুঝিয়ে দেয়া হবে।এসব বিষয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদের মোবাইলে ফোন দেয়া হলে রিসিভ করেননি তিনি।

সংঘর্ষের বিষয়ে সাংসদ ফারুক চৌধুরীর মোবাইলে ফোন দেয়া হলে রিসিভ করে বলেন আমি এসব কি করে বলব এবং আমার সাথে ফোন দিয়ে ফাজলামু মারো বলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

Surfe.be - Banner advertising service

https://www.facebook.com/gnewsbd24

Leave a Reply

More News Of This Category
<script async src="https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js?client=ca-pub-3423136311593782"
     crossorigin="anonymous"></script>
© All rights reserved © 2011 Live Media
কারিগরি সহযোগিতায়: মোঃ শাহরিয়ার হোসাইন
freelancerzone