বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ১০:০৪ পূর্বাহ্ন

জরিনার স্বামী কে মনির না হেলাল

রাশেদ উদ্দিন ফয়সাল, সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি :
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২০

সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজির জরিনা বেগম ২০’বছর যাবৎ দুই স্বামীর সংসার করে আসছেন। সন্তানরা পিতার পরিচয় দিতে বিব্রত কর অবস্থায় রয়েছে। উভয় পিতা হেলাল ও মনির সন্তানদের দাবিধার। এলাকাবাসী জরিনাকে নিয়ে বিভিন্ন সমালোচনা করছে। জরিনা তুমি কার ?।

এলাকাবাসী জানায়, সিদ্ধিরগঞ্জ মিজমিজি কালুহাজী রোড এলাকার মরহুম ধনা মিয়ার নাতিনী মৃত আক্কাছের মেয়ে জরিনা বেগম। কালুহাজী রোড স্থায়ী ঠিকানা হলেও বসত ভিটা বিক্রয় করে বর্তমানে জরিনা ধুনুহাজী রোডের দক্ষিন মোড়ে ইসমাইল মাষ্টারের ভাড়াটিয়া বাড়ির দ্বিতীয় তলায় ভাড়ায় বসবাস করে আসছে রহস্যময়ি নারী জরিনা বেগম।

গত ২০/২২’বছর পূর্বে ঢাকার ডেমরা থানার ডাগাইর এলাকার মৃত মোশারফ হোসেনের ছেলে হেলাল উদ্দিনের সাথে বিবাহ হয়। বিবাহ হওয়ার পরেও পাইনাদী পশ্চিমপাড়া এলাকার ফালুমিয়ার ছেলে মোঃ মনির হোসেনের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। ২০/২২’বছর যাবৎ উভয় স্বামীর সাথে সংসার করে আসছে।

এলাকাবাসী জেনেও না জানার ভান করে আসছে। বিশেষ করে মৃত ধনা মিয়ার বংশ খারাপ হওয়ায় এলাকাবাসী নিরব ভূমিকা পালন করে আসছে। জরিনা বেগমের সাথে এব্যাপারে কেহ কথা বলতে গেলে তাকে নারী নির্যাতন ও ধর্ষন মামলা দেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছে। গত কয়েক মাস পূর্বে জরিনা বেগমের বড় মেয়ে বৃষ্টি তার মা জরিনা বেগমের কাছে কে তার পিতা হেলাল না মনির জানতে চায়।

এ ব্যাপারে জানতে চাওয়ায় মনির হোসেন ও জরিনা বেগম মেয়ে বৃষ্টিকে বেধরক মারধর করে। তাদের মারধরে বৃষ্টি অমুস্থ হয়ে পরলে চিকিৎসারত অবস্থায় ২০’দিন পর বৃষ্টি হাসপাতালে মারা যায়। এখন ছোট দুই ছেলের কাছ থেকে এলাকাবাসী পিতার পরিচয় জানতে চাইলে তারা বিব্রতবোধ করে। এলাকাবাসী জরিনা বেগমের কাছে তার স্বামীকে জানতে চাওয়ার সাহস পাচ্ছেনা।

জরিনা বেগম স্বামী হিসেবে কখনো মনির হোসেন আবার কখনো হেলাল উদ্দিনের নাম বলে থাকে। হেলাল উুিদ্দন ভোর ৫’টায় মাছ ব্যবসার উদ্ধেশে বাসা থেকে বেড়িয়ে পরে, ফেরে রাত ৯’টায়। মনির হোসেন ভোর ৬’টায় জরিনার বাসায় প্রবেশ করে রাত ৮’টায় বেড়িয়ে পরে। বাংলাদেশের কোনো আইনেই এক সাথে দুই স্বামীর বৈধতা নেই।

জরিনা বেগমের সাথে মোবাইলে ০১৬৮৫৪৬১৫৪২ নাম্বারে তার স্বামীর পরিচয় জানতে চাইলে তিনি বলেন একটি মেয়ের কি দুইটি বিয়ে হয়না। আমার দুইটি ছেলে রয়েছে বড় ছেলে মেহেদী হাসানের পিতা হেলাল উদ্দিন ও ছোট ছেলে জনি হোসেনের পিতা মনির হোসেন। এরা দুই জন প্রতিদিন আসে আমার বাসায়।

Surfe.be - Banner advertising service

https://www.facebook.com/gnewsbd24

Leave a Reply

More News Of This Category
<script async src="https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js?client=ca-pub-3423136311593782"
     crossorigin="anonymous"></script>
© All rights reserved © 2011 Live Media
কারিগরি সহযোগিতায়: মোঃ শাহরিয়ার হোসাইন
freelancerzone