Warning: include(lib/ReduxCore/templates/panel/config.php): failed to open stream: No such file or directory in /home4/gnewsbdc/public_html/wp-content/themes/LatestNews/functions.php on line 280

Warning: include(lib/ReduxCore/templates/panel/config.php): failed to open stream: No such file or directory in /home4/gnewsbdc/public_html/wp-content/themes/LatestNews/functions.php on line 280

Warning: include(): Failed opening 'lib/ReduxCore/templates/panel/config.php' for inclusion (include_path='.:/opt/cpanel/ea-php72/root/usr/share/pear') in /home4/gnewsbdc/public_html/wp-content/themes/LatestNews/functions.php on line 280
তানোরে ন্যাশনাল ব্যাংক কর্মকর্তার অনিয়মের – বেড়াজালে সর্বশান্ত শতশত কৃষক তানোরে ন্যাশনাল ব্যাংক কর্মকর্তার অনিয়মের – বেড়াজালে সর্বশান্ত শতশত কৃষক – GNEWSBD24.COM
June 25, 2022, 9:03 pm

তানোরে ন্যাশনাল ব্যাংক কর্মকর্তার অনিয়মের – বেড়াজালে সর্বশান্ত শতশত কৃষক

আব্দুস সবুর, তানোর প্রতিনিধি(রাজশাহী) ঃ
  • Update Time : Monday, August 24, 2020,

রাজশাহীর তানোরে ন্যাশনাল ব্যাংক কর্মকর্তার অনিয়ম-দূর্নীতি স্বেচ্ছাচারিতা বৈষম্য মূলক কর্মকাণ্ডের বেড়াজালে সর্বশান্ত হয়ে পড়েছেন শতশত কৃষক বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে । ব্যাংকটির ঋণ আদান-প্রদান কার্যক্রম অনিয়ম ভাবে পরিচালিত হবার কারনে স্বাবলম্বী হবার পরিবর্তে বেশির ভাগ গ্রাহক ভিটে মাটি বিক্রি করে পথে বসেছেন।

এঅবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে রাজশাহীস্থ’ বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এর অনুলিপি রাজশাহীস্থ’ ন্যাশনাল ব্যাংক আঞ্চলিক প্রধান বরাবর দেয়া হয়। এতে স্বাক্ষর করেছেন তানোর পৌর এলাকার বুরুজ, ভদ্রখন্ড ও জিওল-চাঁদপুর গ্রামের শতাধিক ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।

অভিযোগ উল্লেখ , তানোর পৌর এলাকার ৬, ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ভুক্তভোগী বিপুল পরিমান কৃষক রাজশাহীস্থ’ ন্যাশনাল ব্যাংকের কতিপয় অফিসারগণের দূর্নীতির বেড়াজালে আটকে পড়েছেন। এরা হলেন ভদ্রখন্ড গ্রামের এমাজ উদ্দীন, আক্কাস আলী, মাহাবুব রহমান ও জিওল-চাঁদপুর গ্রামের এন্তাজ আলী, ইমরান হোসাইন, বেলাল উদ্দিন ছাড়াও বুরুজ গ্রামের হেরাজ উদ্দীন, আব্দুস সালাম, আমশো গ্রামের আব্দুল কাউয়ুম, হাবিবুর রহমান, আসকান, শিপন এবং ভাতরন্ড গ্রামের মাজেদ ছাড়াও বেশ কয়েকশ ব্যক্তির নামে ও বেনামে ব্যাংকে ঋণ দেখিয়ে বিপুল পরিমান টাকা উত্তোলন করা হয়।

এছাড়া ব্যাংক কর্মকর্তার দূনীতির স্বিকার আকচা, আমশো ও সিধাইড় গ্রামের বেশ কয়েকশ কৃষক। তবে, এঅবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে আজ ২৩ আগস্ট রোববার সকালে রাজশাহীস্থ’ বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এর অনুলিপি রাজশাহীস্থ’ ন্যাশনাল ব্যাংকের আঞ্চলিক প্রধান বরাবর ডাকযোগে পাঠানো হয়েছে।

ভুক্তভোগি কৃষক এন্তাজ আলী জানান, তিনি একজন শ্রমজীবি কৃষক। প্রায় ১৫ বছর ধরে ন্যাশনাল ব্যাংকে কৃষি ঋণ নিয়ে নিয়ম মতো লেন-দেন করে আসছেন। এঅবস্থায় তাকে জানানো হয় তিনি ঋণ খেলাপি সদস্য। সুদে আসলে তার দুই লক্ষ টাকার উপরে কৃষি ঋণ। এমন পরিস্থিতিতে ব্যাংক থেকে তাকে ঋণ পরিশোধের নোটিশ দেয়া হয়। পরে তিনি ব্যাংকে গেলে ৫ লক্ষ টাকা সিসি লোনের অফার দিয়ে বকেয়া ঋণ পরিশোধ করতে বলা হয়।

তবে, এই সুযোগ ও সুবিধার জন্য ওই ব্যাংক কর্মকর্তাকে ১০ হাজার টাকা দিয়ে তাকে খুশি করতে হবে। অন্যথায় ঋণ-খেলাপি মামলা হবে বলে ভয় দেখানো হয়। এতে তিনি ভিতস্ত হয়ে তাকে ১০ হাজার টাকা দিয়ে ব্যাংক কর্মকর্তার কু-পরামর্শে গত ২০১৬ সালের ৫ মে ন্যাশনাল ব্যাংক হতে পাঁচ লক্ষ টাকা ঋণ গ্রহণ করেন এন্তাজ আলী। কিন্তু ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ঋণের বিপরীতে প্রায় আড়াই বিঘা এন্তাজ ও তার স্ত্রী দুলালী বিবির জমির দলিল জমা নেয়।

তবে এনিয়ে দুলালী বিবি জানান, ব্যাংকে তার জমির দলিল জমা দেয়া হয়। কিন্তু মরগেজ দলিল রেজিস্ট্রী দিতে সাব-রেজিস্টারের সামনে আমি কোন দিন যায়নি। তাহলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আমার জমি রেজিস্ট্রী দেখিয়ে নিলাম বিজ্ঞপ্তি দেয় কিভাবে। এন্তাজ আলী আরও জানান, ব্যাংকে আমার নামে একাউন্ট খোলা হয়। ওই একাউন্ট নম্বরে চেক বই সরবরাহ করে ইচ্ছেমত ফাঁকা চেকে স্বাক্ষর নেয়া হয়। পরে আমাকে জানানো হয় ৫ লক্ষ টাকা ব্যাংকে তার নামে সিসি ঋণ হয়েছে।

এরপর গত ২০১৭ সালে নগদ ত্রিশ হাজার টাকা জমা দিয়ে সময়ের আবেদন করি । সে স্বত্ত্বেও রাজশাহীস্থ’ ন্যাশনাল ব্যাংক গত ২০১৯ সালের ১৫ জানুয়ারী রাজশাহীর আদালতে পাঁচ লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকার সার্টিফিকেট মামলা দায়ের করে। মামলা নম্বর ন্যাশনাল ব্যাংক -৯৫ সি/২০১৯।

অপরদিকে, ওই জমি নিলামে বিক্রয়ের জন্য ব্যাংক কর্তৃপক্ষ গত বছরের ২৯ এপ্রিল পত্রিকায় বন্ধকী সম্পত্তি বিক্রয়ের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। বিষয়টি এন্তাজের নজরে না এলে ওই বছরের ২৭ মে সাত লক্ষ তিরাশি হাজার চারশত সাত টাকা মূল্য ধরে দশমিক ৮২ শতক জমি নিলামে বিক্রয় করা হবে মর্মে আবারও পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, একই ঋণের দায়ে এদিকে, বন্ধকী সম্পত্তি নিলাম বিজ্ঞপ্তি অপরদিকে, একই ঋণ আদায়ে সার্টিফিকেট মামলা। ব্যাংক কর্মকর্তার এমন আক্রোশ ও হীন চরিত্রের শিকার হয়ে এন্তাজ আলী পথে বসেছেন।

এঅবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে এন্তাজ আলী বাদী হয়ে ন্যাশনাল ব্যাংক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গত বছরের ১৫ জুলাই রাজশাহী জেলা যুগ্ম জজ ১নং আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-৯৮/২০১৯ অঃ প্রঃ। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আদালত ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কাছে উপযুক্ত জবাব চেয়ে নোটিশ প্রদান করেন। কিন্তু ‘করোনা ভাইরাস’ পরিস্থিতিতে আদালতে মামলাটি বিচারাধীন।

ভুক্তভোগী এক গ্রাহক বলেন, বেশ কয়েক বছর আগে গরু মোটা তাজাকরণে তিনি ও তার স্ত্রী ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে লেনদেন করে আসছেন। এঅবস্থায় রফিক নামের এক অফিসার তাকে বলেন ব্যাংকে সুযোগ আসছে। আপনার নামে ঋণ শোধ করেন। ৪ পার্সেন্ট সুদে আবার ঋণ পাবেন। তিনি তার কথা মতো ঋণ শোধ করেন। কিন্তু‘ বেশ কয়েক মাস পরে ব্যাংকের সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার গোলাম জামালী বলেন রফিক বললেও তার নামে ঋণ হবে না। কারণ হিসেবে তিনি বলেন একই পরিবারে স্বামী-স্ত্রী উভয়ের ঋণ দেয়া বন্ধ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে তার সঙ্গে বৈষম্য আচরণ করেছেন ব্যাংক অফিসাররা।

তবে, ওই একই এলাকার ভদ্রখন্ড গ্রামের আব্দুর রশিদ ও তার স্ত্রী ৫ বছর ধরে ব্যাংকে ঋণ খেলাপি। তাদের স্বামী ও স্ত্রীকে অনিয়ম করে ব্যাংক থেকে আলু, বোরো, আমন ও মৎস্যসহ ৪ প্রকার ঋণ প্রদান করা হয়। বর্তমানে সুদে আসলে ১০ লক্ষ টাকার ওপরে তাদের ঋণ দাঁড়িয়েছে। তারপরও তাদের ধারে কাছে নেই ব্যাংক অফিসাররা। মাসুয়ারা নিয়েই খালাস। এতো টাকা খেলাপি ঋণ আদায়ে নেই জোরালো ভূমিকা।

শুধু আব্দুর রশিদ ও তার স্ত্রী নয় তাদের মতো ঋণ খেলাপি রয়েছেন বুরুজ গ্রামের আব্দুল ওহাব মিয়া ও তার স্ত্রী। এছাড়া একই গ্রামের আব্দুল গণি ও তার স্ত্রীকে সিসি এবং কৃষি ঋণ পাইয়ে দেয়া হয়। এরা ১৫ লক্ষাধিক টাকার ওপরে ঋণ খেলাপি। প্রায় ৪ বছর ধরে ব্যাংকে যাওয়া আসা নেই তাদের। একই কায়দায় ব্যাংক কর্মকর্তাকে মাসুয়ারা দিয়ে খালাস।

এব্যাপারে রাজশাহীস্থ’ ন্যাশনাল ব্যাংকে যোগাযোগ করা হলে ব্যাংকের আঞ্চলিক প্রধান আলী হাইদার মুর্তুজা বলেন, এন্তাজ আলীর ঋণের বিষয়ে আদালত জবাব চেয়েছেন। মামলাটি অতিউৎসাহী হয়ে নয়, ভুল বুঝাবুঝিতে হয়ে গেছে। তবে, ব্যাংকে দূর্নীতির কোন সুযোগ নেই। তার অগোচরে অনিয়ম হতে পারে। তারপরও বিষয়টি ব্যাংকের সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মাহাবুব রহমানকে তদন্ত করতে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

 

Surfe.be - Banner advertising service




Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

More News Of This Category

<a href=”https://surfe.be/ext/446180″ target=”_blank”><img src=”https://static.surfe.be/images/banners/en/240x400_1.gif” alt=”Surfe.be – Banner advertising service”></a>

via Imgflip

Surfe.be - Banner advertising service

© All rights reserved © 2019 LatestNews
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazargewsbd451