সোমবার, ২৮ নভেম্বর ২০২২, ০১:২৩ পূর্বাহ্ন

খুলনায় বন্ধ হতে পারে ৮৪টি ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক নিবন্ধন নবায়নের সময় শেষ

গাজী যুবায়ের আলম, ব্যুরো প্রধান, খুলনা ঃ
  • Update Time : বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২০

বন্ধ হয়ে যেতে পারে খুলনার ৮৪টি বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক। রবিবার পর্যন্ত সময় দেওয়ার পরও এসব হাসপাতাল নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেনি। খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মহানগরীতে ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক রয়েছে ১৯৪টি। এর মধ্যে ৭৬টি ক্লিনিক ও ১১৮টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার নিববন্ধন নবায়নের আবেদন করেছে।

১০টি ক্লিনিক ও ৬টি ডায়াগনস্টিক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন নবায়নের আবেদন করেনি। একইভাবে মহানগরীতে নতুন প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিববন্ধনের আবেদন করেছে ৫টি ক্লিনিক ও ৩৩টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার। গত ২৩ আগষ্ট পর্যন্ত মহানগরীর ৬৬ প্রতিষ্ঠানের অনলাইনে নিবন্ধনের আবেদন সরেজিমের যাচাই বাছাই করা হয়েছে। খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. রাশেদা সুলতানা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে খুলনা সিভিল সার্জনের আওতায় উপজেলায় বেসরকারি ক্লিনিক আছে ৫০টি, এর মধ্যে নিবন্ধন নবায়নের আবেদন করেছে ২৫টি। আর ৭৬টি ডায়াগনস্টিকের মধ্যে নবায়নের আবেদন করেছে ৩৪টি। স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, অধিদপ্তরের নির্দেশনা পেলে নিবন্ধনহীন হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক বন্ধে অভিযান শুরু হবে। জানা যায়, সারাদেশে ররিবার পর্যন্ত নিববন্ধন নবায়ন হয়েছে ৪ হাজার ৫১৯টি। অপেক্ষমান আবেদনের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৭ হাজার।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলছেন, মন্ত্রনালয়ের সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে অপেক্ষমান তালিকার বিষয়ে। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিবছর বেসরকারি হাসপাতাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার নিবন্ধন নবায়ন করার বাধ্যবাধকতা থাকলেও বেশির ভাগই তা’ মানেনি। আবার নিবন্ধন না করে প্রতিষ্ঠানে কার্যক্রম পরিচালনা করার অভিযোগও রয়েছে। ফলে বেসরকারি হাসপাতালের বড় একটি অংশ নিবন্ধন নবায়ন ও নিবন্ধন ছাড়াই ছাড়া তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

২৬ জুলাই করোনা বিষয়ক টাস্কফোর্স গঠন করে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়। ৮ আগষ্ট দ্বিতীয় সভায় জানানো হয়, ২৩ আগষ্টের মধ্যে যে সমস্ত বেসরকারি হাসপাতাল নিবন্ধন নবায়ন করবে না, তাদের হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হবে। সারাদেশে প্রায় ১৬ হাজার বেসরকারি হাসপাতাল ক্লিনিক ডায়গসিস্টিক সেনটটর রয়েছে। রবিবার পর্যন্ত আবেদন জমা পড়েছে ১২২১২টি। নবায়ন হয়েছে ৪৫১৯টি। নিবন্ধন নবায়নের জন্য আবেদন করেনি প্রায় ৩ হাজার বেসরকারি হাসপাতার।

জানা গেছে, বেশির ভাগ হাসপাতালের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আবডেট না থাকায় তাদের নিবন্ধন নবায়ন করতে চায় না। তবে হাসপাতাল মালিকদের দাবি- ২০১৮ সালের পর থেকে অতিরিক্ত নিবন্ধন ফি, বিভাগীয় পর্যায়ে নিবন্ধন নবায়নের ক্ষমতা বাতিল ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নবায়নে ধীর গতিতে অনেক প্রতিষ্ঠান নিবন্ধনহীন অবস্থায় রয়েছে।

বাংলাদেশ প্রাইভেট হাসপাতাল ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনষ্টিক ওনার্স এসোসিয়েশনের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি ডা. গাজী মিজানুর রহমান জানান, ২০১৮ সাল থেকে নিবন্ধন ও নবায়ন ফি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি করা হয়েছে।

বেসরকারি মেডিকেল কলেজে, ডায়াগনস্টিক প্যাথলজির নিবন্ধন ও নবায়ন ফি প্রায় ৪০ গুন বৃদ্ধি করা হয়েছে। এছাড়া নিবন্ধন নবায়নের ক্ষমতা বিভাগীয় পর্যায় থেকে সরিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সেখানে অনলাইনে আবেদনের পর তা’ দীর্ঘদিন ঝুলে থাকে। সারাদেশের হাসপাতাল ক্লিনিকের চাপ তারা নিতে পারে না। এ কারণে ২০১৮ সালের পর থেকে খুলনার অনেক হাসপাতাল ক্লিনিকের নিবন্ধন নবায়ন করা যায়নি।

Surfe.be - Banner advertising service

https://www.facebook.com/gnewsbd24

Leave a Reply

More News Of This Category
<script async src="https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js?client=ca-pub-3423136311593782"
     crossorigin="anonymous"></script>
© All rights reserved © 2011 Live Media
কারিগরি সহযোগিতায়: মোঃ শাহরিয়ার হোসাইন
freelancerzone