বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ০৯:০৭ অপরাহ্ন

খুলনা খুচরা বাজারে বেড়েই চলেছে চালের দাম

গাজী যুবায়ের আলম, ব্যুরো প্রধান, খুলনা ঃ
  • Update Time : রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২০

খুলনা খুচরা বাজারে বেড়েই চলেছে চালের দাম নিয়মিত বাজার মনিটরিং দাবি নগরীর দৌলতপুর বাজারের চালের মূল্য। খুলনা খুচরা বাজার গুলিতে থেমে থেমে চালের দাম বাড়ছে এমনই মন্তব্য করেছে ক্রেতা-বিক্রেতাদের। চাল আমদানি না হওয়ার দরুন পাইকারি ও খুচরা বাজারে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে, যার কারনে বাজারে চালের দাম বাড়তি, এমনি মন্তব্য করছে খুলনার খুচরা চাল ব্যবসায়ীরা।

খুচরা বাজারে বর্তমানে বাসমতি কেজি প্রতি ৫৩ টাকা, যা ২/৩ দিন আগে ছিল ৫১ টাকা, নাটোর ছয়তারা চাল ৫০ হতে ৫২ টাকা, সাতক্ষীরা পাচতারা মিনিকেট চাল ৪৫ হতে ৪৭ টাকা, ২৮ বালাম চাল ৪৪ হতে ৪৬ টাকা, সিদ্ধ কাটারী চাল ৪৪ হতে ৪৫ টাকা, নাজিরশাহী চাল ৫২ হতে ৫৪ টাকা, হরিণ ২৮ বাছাই চাল ৪৪ হতে ৪৬ টাকা, আতব চাল ৩৯ হতে ৪১ টাকা, গাজী আতব চাল ৩৩ হতে ৩৭ টাকা কেজি দরে কিনতে হচ্ছে ভোক্তাদের। সব মিলিয়ে বর্তমান বাজারে চালের দাম বেশ চড়া বলা যায়।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো বোরো মৌসুমের ধান ওঠা শেষে সাধারণত চালের দাম উলে¬খযোগ্য হারে কমে যায়। এবার বরং বাড়তির দিকে । খুলনা খুচরা বাজারের ব্যবসায়িরা উপরোক্ত দরে চাল বিক্রি করতে দেখা যায়। ব্যবসায়ীদের ধারনা থেমে থেমে দাম বৃদ্ধির কারন হিসাবে মনে করছেন শুল্ক না কমানোর দরুন ভারতীয় যে চাল আমদানীর হওয়ার কথা তা না হওয়া, পাইকারী মিলার এবং সিন্ডিকেটের মজুদকৃত চাল। এছাড়া আরেকটি বড় কারন হলো বাজার মনিটরিং না করা। চালের মূল্যবৃদ্ধি হলে সব মানুষের ওপরই কমবেশি নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

কারণ, চালের দামের কারণে বিভিন্ন পণ্য মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা দেখা দেয়। পাঁচ সদস্যের পরিবারে তিন বেলা খেতে লবণচরার বাসিন্দা আব্দুল মজিদ মাসে ৫০ কেজির মতো চাল কিনতে হয়। তিনি বলেন, ‘গত মাসে যে দামে চাল কিনেছি, তার চেয়ে এই দফায় ১৫০ টাকা বেশি দিতে হয়েছে।’ সৌরভ বলেন, ‘দাম যতই বাড়ুক, চাল তো কিনতেই হবে। কতিপয় চাল ব্যবসায়ীরা বলেন, বর্তমানে কেনাবেচা মোটামুটি। তবে চালের দাম কিছুটা বাড়তির কারণে অনেক ক্রেতা এখন এক সাথে ২৫ থেকে ৫০ কেজি চাল একত্রে কিনছে না।

তারা প্রতি সপ্তাহে ৫ থেকে ৭ কেজি করে চাল কিনছে। যার দরুন কিছুটা কেনাবেচা কম হচ্ছে। এ ছাড়া নিন্ম আয়ের মানুষ প্রতিদিনের চাল প্রতিদিনই কিনছে। তবে এক চাউল ব্যবসায়ি বলেন, বাজারে বর্তমানে যে চালের দাম যাচ্ছে তা আহামরি বেশি না। আমাদের দেশ কৃষি প্রধান দেশ। যদি কৃষকের উৎপাাদিত ধানের মূল্য বেশি না দেওয়া হয়, তবে কৃষক উৎপাদনে আগ্রহী হবে না।

ফলে উৎপাদন কমে যাবে। উৎপাদন কমে গেলে অধিক শুল্কে চাল আমদানী করতে হবে। যা দেশের জন্য চরম ক্ষতির কারণ হবে। সব মিলিয়ে ২ থেকে ৩ দিনের ব্যবধানে চালের যে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে তা নি¤œআয়ের মানুষ চাল কিনতে হিমশিম খাচ্ছে। তাই ক্রেতাদের দাবি, প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজার যথাযথ মনিটরিং করা হোক।

Surfe.be - Banner advertising service

https://www.facebook.com/gnewsbd24

Leave a Reply

More News Of This Category
<script async src="https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js?client=ca-pub-3423136311593782"
     crossorigin="anonymous"></script>
© All rights reserved © 2011 Live Media
কারিগরি সহযোগিতায়: মোঃ শাহরিয়ার হোসাইন
freelancerzone