সোমবার, ২৮ নভেম্বর ২০২২, ০৬:১৭ অপরাহ্ন

দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর আলাদা তথ্য সংগ্রহ ও অন্তর্ভূক্তির দাবি

জি-নিউজবিডি২৪ ডেস্ক :
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০

বাংলাদেশ দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠী অধিকার আন্দোলন (বিডিইআরএম) এর আয়োজনে আজ ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০ তারিখ, বৃহস্পতিবার সকাল ১০.৩০ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বিডিইআরএম এর সভাপতি মনিরানী দাস এর সভাপতিত্বে মানববন্ধন ও সমাবেশে সংহতি বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ওয়ার্কাস পার্টির ঢাকা মহানগর এর সভাপতি আবুল হোসেন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি জাতিগত বৈচিত্রের দেশ। দলিত জনগোষ্ঠীর প্রায় ৬৫ লক্ষ মানুষ বিভিন্ন পেশা ও জন্মগত পরিচয়ে পরিচিত ভিন্ন ভিন্ন শতাধিক সম্প্রদায়ে মানুষ বাস করে।

এই জনগোষ্ঠীগুলো দলিত হিসেবে জাতীয়ভাবে পরিচিত। দলিতরা জন্ম ও পেশাগত পরিচয়ের কারণে বৈষম্য, অস্পৃশ্যতা ও বঞ্চনার শিকার। দেশে আদমশুমারী হবে ২০২১ সালে। সে জন্য আমি আমার পার্টির পক্ষ থেকে জোড় দাবি জানাচ্ছি যে, দলিতদের আলাদাভাবে তথ্য সংগহ ও অন্তর্ভূক্ত করা হোক।’

বিডিইআরএম এর সভাপতি মনি রানী দাস বলেন, বাংলাদেশে ৬৫ লাখ দলিত জনগোষ্ঠী অস্পৃশ্যতা ও সামাজিক বৈষম্যের শিকার। ২০০৮ এর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বর্তমান সরকার তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেছিল। ইশতেহারের ১৮.১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছিল, “….সংখ্যালঘু, আদিবাসী, ক্ষুদ্র নৃ-জাতিগোষ্ঠী এবং দলিতদের প্রতি বৈষম্যমূলক সকল প্রকার আইন ও অন্যান্য ব্যবস্থার অবসান করা হবে। ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু এবং আদিবাসীদের জন্য চাকরি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিশেষ সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।” সে প্রতিশ্রুতি অনুসারে সরকার কাজ করেছে কিন্তু তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। তাই এই জনগোষ্ঠীকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করে উন্নয়নের ব্যবস্থা করা জরুরী।

বিডিইআরএম এর সাংগঠনিক সম্পাদক ভীম্পাল্লী ডেভিড রাজু বলেন, ‘আমাদের দেশে দলিত জনগোষ্ঠীর কোনো সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান না থাকায় এই মোট বরাদ্দের কতটুকু কোন জেলায় কতজন দলিতের কাছে পৌঁছাবে, তার কোনো হিসাব পাওয়া যায় না। বর্তমান জাতীয় বাজেটে ‘দলিত’ শব্দটি উল্লেখ না করে অনগ্রসর শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে, দলিতরা বর্তমান বাজেটে পূর্বের তুলনায় অধিক বরাদ্দ পেলেও প্রকৃতপক্ষেই কতখানি সুবিধা ভোগ করতে পারবে সে বিষয়ে যথেষ্ট আশঙ্কা থেকেই যায়। কাজেই সরকারি নীতিমালায় ‘দলিত’ শব্দটি বহাল রেখে দলিত জনগোষ্ঠীর জন্য জীবনমান উন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

মানব বন্ধন ও সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন বিডিইআরএম এর আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক তামান্না সিং বাড়াইক, নাগরিক উদ্যোগের প্রকল্প সমন্বয়কারী এবিএম আনিসুজ্জামান, নাদিরা পারভীন প্রমুখ।

আগামী আদমশুমারীতে (২০২১) দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর আলাদা তথ্য সংগ্রহ ও অন্তর্ভূক্তির দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশে সঞ্চালনা করেন বিডিইআরএম এর সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কৈলাশ রবিদাস।

একই দাবিতে বাংলাদেশ দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠী অধিকার আন্দোলন (বিডিইআরএম) ঢাকাসহ সারা দেশে ২০ টি জেলায় মানববন্ধন করে।

Surfe.be - Banner advertising service

https://www.facebook.com/gnewsbd24

Leave a Reply

More News Of This Category
<script async src="https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js?client=ca-pub-3423136311593782"
     crossorigin="anonymous"></script>
© All rights reserved © 2011 Live Media
কারিগরি সহযোগিতায়: মোঃ শাহরিয়ার হোসাইন
freelancerzone