বৃহস্পতিবার, ০৬ অক্টোবর ২০২২, ১২:২৯ পূর্বাহ্ন

সৈয়দপুর পৌরসভা নির্বাচন: সম্ভাব্য প্রার্থীদের আগাম দৌড়ঝাপ

জহুরুল ইসলাম খোকন, সৈয়দপুর প্রতিনিধি (নীলফামারী) ঃ
  • Update Time : শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০

নীলফামারীর জেলার সৈয়দপুর পৌরসভার নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাপ শুরু হয়ে গেছে। আগামী ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে পারে এ পৌরসভার নির্বাচন। প্রায় তিন মাস আগেই সম্ভাব্য প্রার্থীগণ ছুটে চলেছেন বিভিন্ন এলাকায়। সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীরা নানা ওসিলায় উর্দুভাষীদের সমর্থন পেতে হোটেল, রেস্তোরায় আগাম প্রচার প্রচারনা ও মতবিনিময়সহ কুশল বিনিময় করে চলেছেন।

অন্যদিকে পৌর নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে দলের প্রার্থীরা ততই লবিং ও গোপন কোন্দলে জড়িয়ে পড়ছেন। ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় আওয়ামীলীগের কোন্দলের বিষয়টি প্রায় স্পষ্ট। বিএনপি ও জাতীয় পার্টির শীর্ষ নেতাদের মতামতের উপর নির্ভর করছে প্রার্থীতার মনোনয়ন।

সৈয়দপুর পৌরসভার আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামীলীগের সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে উপজেলার আওয়ামীলীগের সভাপতি আখতার হোসেন বাদল উর্দুভাষীদের সমর্থন পেতে হোটেল, রোস্তারায় মতবিনিময় ও কুশল বিনিময় শুরু করে দিয়েছেন।

এছাড়া ২০১৫ সালে সামান্য ভোটের ব্যবধানে হেরে যাওয়া প্রার্থী অধ্যাপক সাখাওয়াৎ হোসেন খোকন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও সৈয়দপুর সরকারী ডিগ্রী কলেজের সাবেক ভিপি মোস্তফা ফিরোজ, ইঞ্জিনিয়ার রাশেদুজ্জামান রাশেদ ও হিটলার চৌধুরীও ভোটারদের সমর্থন পেতে ছুটে চলেছেন এলাকাবাসীর দ্বারে দ্বারে। বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা হচ্ছেন অধ্যাপক শওকত হায়াত শাহ, এ্যাড. ওবায়দুর রহমান ও বর্তমান মেয়র হেবী ওয়েট প্রার্থী আমজাদ হোসেন সরকার।

জাতীয় পার্টির তালিকায় রয়েছেন শিল্পপতি সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিক ও আলহাজ্ব জয়নাল আবেদীন, নীলফামারী-৪ আসনের সাবেক সাংসদ আলহাজ্ব শওকত চৌধুরীর নামও মেয়র প্রার্থীর হিসেবে শোনা যাচ্ছে। এছাড়া ওয়ার্কাস পার্টি সৈয়দপুর শাখার সভাপতি রুহুল আমিন মাষ্টারও রয়েছেন সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকায়। বিএনপির প্রার্থী আমজাদ হোসেন সরকার হলেন একজন হেবী ওয়েট প্রার্থী। তিনি ছিলেন একাধারে সংসদ সদস্য, উপজেলা চেয়ারম্যান ও ৫ বারের নির্বাচিত মেয়র।

সর্বশেষ ২০১৫ সালে দলীয় প্রতীকে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী আমজাদ হোসেন সরকার পেয়েছিলেন ২৯ হাজার ৯শ ১২ ভোট। এর নিকটতম প্রতিদ্বন্দী ছিলেন নৌকা প্রতীকের অধ্যাপক সাখাওয়াৎ হোসেন খোকন। তিনি পেয়েছিলেন ২২ হাজার ৬৫ ভোট। ওই নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীকে ৭ হাজার ৮শ ৪৭ ভোটে পরাজিত করে বিএনপির প্রার্থী আমজাদ হোসেন সরকার মেয়র নির্বাচিত হন। তবে এবারে আর পরাজিত নয়।

বিএনপির প্রার্থীকে পরাজিত করে আওয়ামীলীগ প্রার্থীকে বিজয়ী করতে প্রায় প্রত্যেকেই দলীয় মনোনয় কেন্দ্রে তদবীর ও সেই সাথে গোপনে সকলের সমর্থন পেতে সম্ভাব্য প্রার্থীরা ছুটে চলেনে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। পুনরায় অধ্যাপক সাখাওয়াৎ হোসেন খোকন কে মনোনয়ন দেয়া হলে অথবা নতুন মুখ মোস্তফা ফিরোজকে প্রার্থীতা ঘোষনা করা হলে আওয়ামীলীগের বিজয় নিশ্চিত বলে ভোটারদের মতামত। অনেক ভোটাররা জানায় উপজেলা চেয়ারম্যান মোখছেদুল মোমিন হলেন ভোট মেকার।

কিভাবে ভোটারদের রায় নিতে হয় সে কৌশল তার জানা রয়েছে। মোখছেদুল মোমিন যদি পৌর পরিষদ নির্বাচনে মেয়র প্রার্থি হন তাহলে নৌকার প্রার্থিই মেয়র নির্বাচিত হবেন এতে কোনো সন্দেহ নেই।

সৈয়দপুর পৌরসভাটি ১৫টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত হয়। লোক সংখ্যা ১ লাখ ৪২ হাজার ৬শ ৪৫ জন হলেও ভোটার রয়েছেন ৯৯ হাজার ১শ ৮৮টি।

 

Surfe.be - Banner advertising service

https://www.facebook.com/gnewsbd24

Leave a Reply

More News Of This Category
<script async src="https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js?client=ca-pub-3423136311593782"
     crossorigin="anonymous"></script>
© All rights reserved © 2011 Live Media
কারিগরি সহযোগিতায়: মোঃ শাহরিয়ার হোসাইন
freelancerzone