মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৮:২০ পূর্বাহ্ন

মুণ্ডুমালা পৌরবাসির হৃদয়ে আ”লীগ নেতা সাইদুর

আব্দুস সবুর, তানোর প্রতিনিধি(রাজশাহী) ঃ
  • Update Time : শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০

রাজনীতি মানে হিংসা না, রাজনীতি মানে মামলাবাজি না, রাজনীতি মানে ক্ষমতার দাম্ভিকতা না, রাজনীতি মানে শোষণ না, রাজনীতি মানে শাসক না, রাজনীতি মানে অন্যকে অপমান করা না। রাজনীতি হচ্ছে সম্প্রীতি ভালোবাসা স্নেহ শ্রদ্ধা, অন্যের বা নেতাকর্মীদের বিপদে পাশে দাড়িয়ে উপকার করতে না পারলেও ক্ষতি না করা।

যা সবার চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন রাজশাহীর তানোর উপজেলার মুণ্ডুমালা পৌর আ”লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তরুণ উদীয়মান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সাইদুর রহমান। তিনি করোনা কালিন টানা লকডাউনের সময় পৌরবাসির ঘরেঘরে একাধিকবার খাবার নিত্যপণ্য এবং ঈদুল ফিতরে ঈদ সামগ্রীসহ ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ঈদ উপহার দিয়ে দল মত নির্বিশেষে সবার হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। ফলে প্রতিদান হিসেবে পৌরবাসিও আগামী নির্বাচনে তাকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে দেখতে চাই।

এমনকি যারা তাঁর বিরোধী তারাও স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছেন যে তিনি যে ভাবে ক্লান্তি কালীন সময় নিজ অর্থে অসহায় দরিদ্র জনসাধারণ থেকে শুরু করে সবাইকে সহযোগিতা করেছেন তা পৌরবাসি কখনই ভুলে যাবেনা। শুধু তাই না লকডাউনের সময় মুণ্ডুমালা দলীয় কার্যালয় মানবতার ঘর হিসেবে পরিচিত লাভ করে।

জানা গেছে , উপজেলার মুণ্ডুমালা বাজারে জেলা পরিষদ থেকে জায়গা লিজ নিয়ে নিজ খরচে সাইদুর রহমান দ্বি তলা বিশিষ্ট কার্যালয় নির্মাণ করেন। যা উপজেলা সদর থেকে শুরু করে এমন দলীয় কার্যালয় কোথাও নেই। সাইদুর পেশায় একজন ঠিকাদার এবং জেলার মধ্যে সেরা কর দাতা। করোনা কালিন সময় পৌরবাসিকে সহায়তা করেও তিনি রাজশাহী সিটি মেয়রের ত্রান তহবিলে ৫০ হাজার টাকা অনুদান দিয়েছিলেন। এসমস্ত কাজ থেকে শুরু করে নানা ধরনের সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন প্রতিটি সময়। যার ফলে নবীন প্রবীণ সবার কাছে প্রিয় পাত্র হয়ে উঠেছেন সাইদুর রহমান।

দলীয় সুত্র মতে, উপজেলায় আ”লীগ দুই ভাগে বিভক্ত। এক পক্ষে আছেন স্থানীয় সাংসদ ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান। অপর পক্ষে আছেন উপজেলা আ”লীগের সভাপতি মুণ্ডুমালা পৌর মেয়র গোলাম রাব্বানী ও সাধারন সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন। সভাপতির প্যানেলে রয়েছেন পৌর আ”লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমান। মুণ্ডুমালা পৌর মেয়র গোলাম রাব্বানী মেয়র পদে আর ভোট করবেননা। যার ফলে আগামী পৌর নির্বাচনে দলমত নির্বিশেষে সাইদুর রহমানকেই যোগ্য প্রার্থী হিসেবে পৌরবাসি মেয়র দেখতে চান।

যদিও ঘোষণা এসেছে আগামী ডিসেম্বরে পৌরসভার ভোট অনুষ্ঠিত হবে। আবার সেটা পরিবর্তনও হতে পারে। কারন দেশে প্রাণঘাতী করোনা নামক অদৃশ্য ভাইরাসটি যদি শীতের সময় ব্যাপক আকার ধারন করে। যেহেতু এখনো গড়ে প্রতিদিন মৃত্যুর হার একই ভাবে চলছে। তবে জনসাধারণের মাঝ থেকে প্রথম দিকে করোনার যে ভয়টি ছিল সেটা নেই বললেই চলে। এজন্য সবাই মনে করছেন সময়মতই নির্বাচন হবে। যার কারনে দলীয় মনোনায়ন পেতে দোড়ঝাপ শুরু করে দিয়েছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম ফেসবুকেও শুরু হয়েছে প্রচার প্রচারনা।

নাম প্রকাশ না করে মুণ্ডুমালা বাজারের বেশ কিছু ব্যাক্তি জানান, কিছু দিন আগে স্কুলে পৌর আ”লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। সে সভায় প্রধান অথিতি বলেন মুণ্ডুমালার নেতারা তৃণমূলের নেতাকর্মী বা সাধারন মানুষের কাছে যেতে চাইনা, কারন টাকা খরচের ভয়ে। অথচ সাইদুর যে ভাবে ভোটের মাঠ তৈরি করেছেন তা কল্পনাতিত।

মুণ্ডুমালা পৌর এলাকার একাধিক ব্যাক্তিরা জানান, যদি সাইদুর রহমান দলীয় মনোনায়ন পান তাহলে তাকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাওয়া লাগবেনা। তিনি যে ভাবে পৌরবাসিকে সেবা দিয়েছেন তাঁর প্রতিদান দিতেও ভোটারেরা প্রস্তুত আছেন।

এবিষয়ে সাইদুর রহমান জানান, রাজনীতিতে আসার পর থেকে আমার দ্বারাই কারো ক্ষতি হয়েছে এটা কেউ বলতে পারবেনা। করোনার সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনার নির্দেশ এবং আমার রাজনৈতিক অভিভাবক রাব্বানী ভায়ের পরামর্শে যে ভাবে পৌরবাসির ঘরে ঘরে খাবার সামগ্রী নিজ অর্থে দিয়েছি। এখানে কোন ধরনের স্বার্থ দেখিনি যে আমি ভোট করব এজন্য সহযোগিতা করছি, দুঃসময়ে মানুষের পাশে দাড়াতে পেরেছি এটাই আমার কাছে অনেক।

যতদিন বেচে থাকব মহান আল্লাহ যেন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর তৌফিক দেন। মেয়র হিসেবে ভোট করার ইচ্ছে আছে। যদি দল আমাকে মনোনায়ন দেয় তাহলেই ভোট করব অন্য কাউকে দিলেও তাঁর হয়ে কাজ করব।

উপজেলা আ”লীগের সভাপতি বর্তমান মুণ্ডুমালা পৌর মেয়র গোলাম রাব্বানী জানান সাইদুর যে ভাবে নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারন মানুষের সেবা করছেন আমি তাঁর বিকল্প প্রার্থী দেখছিনা। তারপরও মনোনায়ন একক সিদ্ধান্তে হয়না। দল যদি মনে করে সাইদুরকে মনোনায়ন দেয়া হবে তাহলে সে ভোট করবে।

নচেৎ দলের বাহিরে গিয়ে সাইদুর ভোট করবেনা। আমি আসা করব নির্বাচনের আগে বা মনোনায়ন দেওয়ার আগে যেন সব কিছু যাচাই বাছাই করা হয়। তাহলেই কার কত জনপ্রিয়তা সেটা মনোনায়ন বোর্ড বুঝতে পারবেন। তাছাড়া কারো একক সিদ্ধান্তে মনোনায়ন দেয়া হলে হয়তোবা পৌরসভা অন্য দলের দখলে যেতে পারে বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।#

Surfe.be - Banner advertising service

https://www.facebook.com/gnewsbd24

Leave a Reply

More News Of This Category
<script async src="https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js?client=ca-pub-3423136311593782"
     crossorigin="anonymous"></script>
© All rights reserved © 2011 Live Media
কারিগরি সহযোগিতায়: মোঃ শাহরিয়ার হোসাইন
freelancerzone