বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২২, ০২:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :

খুলনায় নবায়ন ছাড়াই চলছে বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার

গাজী যুবায়ের আলম, ব্যুরো প্রধান, খুলনা ঃ
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ১৩১ বার পঠিত

লাইসেন্স নবায়ন ছাড়াই খুলনায় চলছে ২শ’ ১২টি বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। আবার অনেক প্রতিষ্ঠানের নেই নিবন্ধনও। চলতি বছরের ২৩ আগস্ট অনলাইনে লাইসেন্স নিবন্ধনের শেষদিন থাকলেও নবায়ন করেননি অনেকেই। এতে সরকারের রাজস্ব আদায় যেমন ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি হচ্ছে আইনের অবমাননা।

২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের নিবন্ধন ফি পাঁচ হাজার থেকে বাড়িয়ে সর্বনিম্ন ৫০ হাজার ও সর্বোচ্চ আড়াই লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়। নিবন্ধনের নবায়ন ফি একই করা হয়েছে। অপর দিকে, বিভাগীয় ও সিটি করপোরেশন এলাকায় ১০ থেকে ৫০ শয্যার বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের নবায়ন ফি ৫০ হাজার টাকা, ৫১ থেকে ১০০ শয্যার জন্য এক লাখ টাকা, ১০০ থেকে ১৪৯ শয্যার জন্য দেড় লাখ টাকা, আর ২৫০ শয্যার জন্য নির্ধারণ হয় দুই লাখ টাকা।

একই ভাবে একই শয্যা সংখ্যা ধরে জেলা হাসপাতালগুলোর জন্য ধরা হয় ৪০ হাজার টাকা, ৭৫ হাজার টাকা ও এক লাখ টাকা। উপজেলা পর্যায়ে একই শয্যা সংখ্যা ধরে ফি নির্ধারণ হয় ২৫ হাজার, ৫০ হাজার, ৭৫ হাজার ও এক লাখ টাকা করে। খুলনা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মহানগরীতে মোট ২শ’ ৩২টি বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে।

এর মধ্যে মাত্র ৭০টি প্রতিষ্ঠান তাদের লাইসেন্স নবায়ন করেছে। বাকি ১শ’ ২৩টি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স নবায়ন হয়নি। এছাড়া অনলাইনের মাধ্যমে ৩৯টি প্রতিষ্ঠান লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেছে বলে সূত্রটি নিশ্চিত করেছে। এ সব হাসপাতালে কমপক্ষে তিনজন এমবিবিএস চিকিৎসক, ছয়জন নার্স ও দুইজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী থাকার কথা থাকলেও মানছে না অনেক বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টার।

এছাড়াও অনেক প্রতিষ্ঠানের নেই ট্রেড লাইসেন্স, টিআইএন (টেক্স আইডেনটিফিকেশন নম্বর) ও বিআইএন (বিজনেস আইডেনটিফিকেশন নম্বর), সঙ্গে পরিবেশ অধিদফতরের ছাড়পত্র। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর খুলনার পরিচালক ডাঃ রাশেদা সুলতানা বলেন, অনেক প্রতিষ্ঠানই প্রয়োজনীয় লাইসেন্স বা লাইসেন্সের নবায়ন ছাড়া চালিয়ে যাচ্ছে তাদের প্রতিষ্ঠান। তালিকা অনুযায়ী তাদের সবাইকে ১৫ দিনের কারন দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

এই সময়ের মধ্যে নবায়নের আবেদন না করলে এবং নির্দিষ্ট সময়ে নবায়ন না করার সঠিক কারণ দর্শাতে না পারলে লাইসেন্স বাতিলসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান বিভাগের শীর্ষ এ কর্মকর্তা। জেলা সিভিল সার্জন অফিসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জেলার বিভিন্ন উপজেলায় মোট ১শ’ ২৪টি বেসরকারি হাসপাতাল এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে। ৫১টি বেসরকারি হাসপাতালের মধ্যে নবায়ন হয়েছে ৩১টি। বাকি ২০টি এখনও নবায়ন করেনি। জেলায় মোট ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে ৭৩টি।

এর মধ্যে অনলাইনে নবায়ন হয়েছে ৪২টি। আর নবায়ন ছাড়া চলছে ৩১টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার। খুলনা সিভিল সার্জন ডাঃ সুজাত আহম্মেদ জানান, গত মাসে লাইসেন্স নবায়নের শেষ তারিখ থাকলেও অনেক বেসরকারী হাসপাতাল এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টার তাদের লাইসেন্স নবায়ন করেনি। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে নতুন করে লাইসেন্স নবায়নের জন্য প্রত্যেককে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে লাইসেন্স নবায়ন না করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

 

Surfe.be - Banner advertising service




নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এ জাতীয় আরো খবর..

<a href=”https://surfe.be/ext/446180″ target=”_blank”><img src=”https://static.surfe.be/images/banners/en/240x400_1.gif” alt=”Surfe.be – Banner advertising service”></a>

via Imgflip

Surfe.be - Banner advertising service

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি  © All rights reserved © 2011 Gnewsbd24
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazargewsbd451