মঙ্গলবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২১, ০৯:০০ পূর্বাহ্ন

সৈয়দপুর দখলদারদের চোখ রেলপথের দু’পাশ

জহুরুল ইসলাম খোকন, সৈয়দপুর প্রতিনিধি (নীলফামারী) ঃ
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২০
  • ১২৫ বার পঠিত

নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলপথের দু পাশের প্রায় সব জমিই দখল হয়ে গেছে। রাজনৈতিক দলের নেতা পরিচয়ে ও রেল বিভাগের কয়েকজন অসাধু কর্মকর্তার মদদে স্থানীয় ভুমিদস্যূরা রেলের জমি অবৈধভাবে দখল করে সেখানে পাকা ঘরবাড়ী ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। কেউ আবার দখলের পর পজিশন বিক্রি করেও ভাড়ায় দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছেন মোটা অংকের অর্থ। অনেকে রেল বিভাগের কাছে জমি লিজ নিয়েছেন এমন কথা বলে দখলকৃত জমিতে নির্মাণ করেছেন বহুতল ভবন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, সৈয়দপুর শহরের প্রায় ২ কিলোমিটার রেলপথের দু’ পাশের জমিতে অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ঘরবাড়ী। শহরের ১ নং রেলগেট সংলগ্ন জমির পজিশনের দাম বেশি হওয়ায় দখলদারদের চোখ পড়ে সেই স্থানে। এর পর শুরু হয় ওই সব জমি দখল করে দোকান পাট নির্মাণের প্রতিযোগিতা।

দেখা গেছে, দখলকৃত ওই সব রেলের জমিতে স্থাপিত রেলপথ সংলগ্ন জেনারেটর মেশিনের শব্দে ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ক্রেতাদের সওদা কেনাকাটায় চেচামেচির শব্দে ট্রেনের হুইসেল শুনতে না পেরে প্রায় প্রতিবছরই কাটা পড়ে মানুষ বা পশু মারা গেলেও কোন ব্যবস্থাই নিচ্ছেন না সংশ্লিষ্টরা।
এলাকাবাসী জানান, রেললাইন সংলগ্ন যতগুলি দোকানপাঠ নির্মাণ হয়েছে সেগুলি শহরের বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব পরিচয়ে ও রেলকর্মকর্তার মদদে হয়েছে। যার ফলে ট্রেন চলাচলে বাঁধাগ্রস্থসহ কাটা পড়ে মানুষ মারা গেলেও আমলে না কেউই।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রেল পথ ঘেষে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং সেখানে ক্রেতা সাধারণ কেনাকাটা করছেন রেলপথে দাড়িয়েই। ১ নং রেল গেট দিয়ে ট্রেন রেলওয়ে স্টেশনে আসা ও অতিক্রম করার সময় অবৈধ দোকানপাটে চেচামেচি ও জেনারেটরের শব্দে মানুষ তা বুঝতে পারছেন না। এর ফলে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে মৃতের হার বেড়েই চলেছে।

১নং রেল গেটের গেট ম্যান লিটনসহ অনেকেই জানান, রেল লাইন সংলগ্ন যেসব দোকানপাট নির্মাণ হয়েছে সেগুলির দখলদাররা দৈনিক ২শত থেকে ৪ শত টাকায় ভাড়ায় দিয়ে রেখেছেন। এবং রেলওয়ে পুলিশ ও কর্মকর্তা পরিচয়ে সেখান থেকে ১০০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা দৈনিক আদায় করে চলেছেন। যার ফলে ট্রেনে কাটা পড়ে জনসাধারণ মারা গেলেও সেগুলি উচ্ছেদ করতে মাথা ব্যথা নেই তাদের। জনসাধারণের মৃতের হার কমাতে রেললাইন সংলগ্ন অবৈধ সকল দোকান পাট উচ্ছেদ জরুরি বলে তারা মনে করেন।

এ ব্যাপারে সৈয়দপুর জিআরপি থানার ওসি ওয়াদুদ হোসেন জানান, রেললাইন সংলগ্ন এলাকায় অবৈধ দোকানপাট নির্মাণ হওয়া ও জেনারেটরের শব্দের কারণে ট্রেনে কাটা পড়ার ঝুকি বেড়েছে। রেল কর্তৃপক্ষ এগুলি উচ্ছেদের নির্দেশ না দিলে ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন ঘটবে এবং মৃতের হারও দ্বিগুন হবে বলে জানান তিনি।

 

Surfe.be - Banner advertising service




নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এ জাতীয় আরো খবর..

<a href=”https://surfe.be/ext/446180″ target=”_blank”><img src=”https://static.surfe.be/images/banners/en/240x400_1.gif” alt=”Surfe.be – Banner advertising service”></a>

via Imgflip

Surfe.be - Banner advertising service

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি  © All rights reserved © 2011 Gnewsbd24
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazargewsbd451