সোমবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:৩৫ অপরাহ্ন

তানোরে বদলি হয়েও দায়ীত্ব দিচ্ছেন না মহিলা কর্মকর্তা

আব্দুস সবুর, তানোর প্রতিনিধি(রাজশাহী) ঃ
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২০
  • ৮০ বার পঠিত

রাজশাহীর তানোর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফাতেমা বেগম বদলির আদেশ পেয়েও দায়ীত্ব বুঝে না দিয়ে চেয়ারে অটুট আছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও নবাগত মহিলা কর্মকর্তা মাহমুদার বিরুদ্ধে মারধর সহ নানা অভিযোগ তুলেছেন বলেও নিশ্চিত হওয়া গেছে। এঘটনায় অফিস পাড়ায় দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সেই সাথে চার্জ বুঝে না দিয়ে উল্টো দোষারোপ করায় ক্ষোভে ভাসছে অফিস পাড়া। ফলে ঘটনাটি টক অব দ্যা অফিস পাড়ায় পরিণত হয়েছে।

জানা গেছে, তানোর উপজেলার মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফাতেমা বেগমের চলতি মাসের গত বৃহস্পতিবার জেলার বাগমারা উপজেলায় বদলির আদেশ আসে। আর নওগাঁ জেলার রানিনগর উপজেলার মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা খোন্দকার মোকামাম মাহমুদার বদলির আদেশ হয় এই উপজেলায়। মাহমুদা আদেশ অনুযায়ী গত ১৫ নভেম্বর সকাল প্রায় নয়টার দিকে জেলা মহিলা অধিদপ্তরে যোগদান করে ওই দিন প্রায় ১২ টার দিকে কর্মস্থল তানোরে এসে চার্জ বুঝিয়ে চাইলে বদলি হওয়া মহিলা কর্মকর্তা ফাতেমা বেগম কোনভাবেই চেয়ারও ছাড়েন নি চার্জও বুঝিয়ে দেননি। এমনকি তাঁর রুমেও বসতে দেন নি দাপটে কর্মকর্তা ফাতেমা বেগম।

গত রোববার দুপুরের দিকে সরেজমিনে দেখা যায়, বদলি হওয়া ফাতেমা বেগম নিজের কক্ষের চেয়ারে বসে দুপুরের খাবার খাচ্ছিলেন। এসময় তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয় আপনার বদলি হওয়ার পরো চার্জ বুঝিয়ে দেয়া হয়নি তিনি জানান আমি বদলির বিষয়টি গত বৃহস্পতিবারে ওয়েব সাইডে দেখেছি। নবাগতা কর্মকর্তা কোথায় জানান পার্শের রুমে আছেন।

পার্শের রুমে এসে দেখা যায় মাহমুদা কর্মচারীদের সাথে খাবার খাওয়া অবস্থায় জানান নিয়ম অনুযায়ী এখানে আসার পরো আমাকে কোন ধরণের চার্জ তো বুঝে দেননি এমনকি রুমেই বসতে দেয়নি। আমি ইউএনও স্যারের অপেক্ষায় আছি। পুনরায় ফাতেমা বেগমের কাছে এসব বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান বদলি হলেও ১০/১৫ দিন থাকা যায়। কর্মকর্তা আসার পরো কি ভাবে থাকা যায় তখন এক প্রকার রেগে বলেন আমার সাধারন বদলি হয়েছে তাঁর হয়তো মানিসমেন্টে বদলি হয়েছে। মিডিয়া কর্মীদের সাথে এব্যাপারে কোন কথা বলা যাবেনা বলেও দম্ভক্তি প্রকাশ করেন বদলি হওয়া কর্মকর্তা।

গত সোমবার সন্ধ্যার দিকে নবাগতা কর্মকর্তার সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান আমি নাকি তাকে মারধর করেছি এমন মিথ্যা বানোয়াট কথা ছড়িয়েছেন। আমি ইউএনও স্যার কে অনেকবার ফোন দিয়েছি কিন্তু রিসিভ হয়নি। আমি যেমন নিয়ম অনুযায়ী এসেছে তাঁর যেতে সমস্যা কোথায় সেটাই বুঝতে পারছিনা।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুশান্ত কুমার মাহাতোর সরকারী মোবাইলে ফোন দেয়া হলে রিসিভ না করার কারনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) আব্দুল জলিলের সরকারী ফোন দেয়া হলে তিনি এক প্রকার রাগান্বিত ভাবে উল্টো প্রশ্ন করে বলেন আপনাকে কি ওই কর্মকর্তা বিচার দিয়েছে, না বিচার কেন দিবে আর আমি কি বিচারক ইউএনও ফোন রিসিভ না করার জন্য আপনাকে ফোন দেয়া হয়েছে, তখন জেলা প্রশাসক একই ভাবে বলেন ওই কর্মকর্তাকে আমার কাছে পাঠান।

 

Surfe.be - Banner advertising service




নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এ জাতীয় আরো খবর..

<a href=”https://surfe.be/ext/446180″ target=”_blank”><img src=”https://static.surfe.be/images/banners/en/240x400_1.gif” alt=”Surfe.be – Banner advertising service”></a>

via Imgflip

Surfe.be - Banner advertising service

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি  © All rights reserved © 2011 Gnewsbd24
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazargewsbd451