বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন

মৃত্যুর আগে যা বলে গেলেন বগুড়ার ছাত্রলীগ নেতা

আব্দুল লতিফ, বগুড়া ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি :
  • Update Time : বুধবার, ১৭ মার্চ, ২০২১

বগুড়ায় ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘের্ষ ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন তাকবির ইসলাম। তাকবির জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

মৃত্যুর আগে তার ওপর হামলার বর্ণনা দিয়ে গেছেন তিনি। এর একটি ভিডিও প্রকাশ হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৩ টার দিকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান বলেন সদর থানার ওসি হুমায়ুন কবীর।

ছাত্রলীগ নেতা তাকবির ওই ভিডিওতে বলেন ‘ আমার ডান পায়ে হাঁটুর নিচে ফ্যাক্চার হইছে। ওখানে এসএফ পাইপ দিয়ে আর রড দিয়ে মারছে; চাপাতি দিয়ে আঘাত করছে। বাঁ হাতের কজি¦তে আর কনুইয়ের মাঝখানেও মারছে, সেখানে ফ্যাক্চার হইছে, ওখানে দুইটা সেলাইও পড়ছে। মাথার পিছনে চারটা সেলাই পড়ছে, ওখানে চাপাতি দিয়ে আঘাত করছে। আমার কোমরের পাঁজরের নিচে দুই পাশে^ই দুই স্টেপ (ছুরিকাঘাত) করছে, আট ইঞ্চি করে ক্ষত হইছে। চার চারে আটটা সেলাই পড়ছে, স্টেপটা রউফ নিজেই করছে। শরীর আরও অনেক জায়গায় ক্ষত হইছে, পুরো শরীরে পিঠাইছে।’

গত বৃহস্পতিবার রাতে মোটর সাইকেলের ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ হয়। বগুড়া শহরের টেম্পল রোডে জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের সামনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় ছাত্রলীগ নেতা তাকবিরসহ দুই গ্রুপের অন্তত ৯জন আহত হন।

সংঘর্ষের ঘটনায় সদর থানায় দুটি পাল্টাপাল্টি মামলা দায়ের হয়। গত শনিবার পৃথক দুটি মামলা করেন তাকবির ইসলামের মা আফরোজা ইসলাম ও আজিজুল হক কলেজ ছাত্রলীগের সদস্য সোহাগ হাসান।

ছাত্রলীগ নেতা তাকবিরের মায়ের করা মামলায় সরকারি আজিজুল হক কলেজ শাখার ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রউফকে প্রধান আসামী করা হয়। রউফসহ এ মামলায় সাতজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ৩০ থেকে ৩৫জনকে আসামী করা হয়েছে।

মামলায় অন্য নামীয় আসামীরা হলেন, জাহিদ হাসান, আনোয়ার হোসেন, মো. তারেক, বিধান চন্দ্র মোহন্ত , নিশাদ ও আরমান।
ছাত্রলীগ নেতা সোহাগের করা মামলায় তাকবিরকে প্রধান আসামী করা হয়। তাকবিরসহ এ মামলায় ১২জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এছাড়া অজ্ঞাত আরো ২০ থেকে ২৫জনকে আসামী করা হয়েছে।

সোহাগের করা মামলায় অন্য নামীয় আসামীরা হলেন, তোফায়েল আহমেদ, হাসিবুল হাসান শান্ত, আব্দুল্লাহ ঈমন, জয় কুমার দাস, শাহাদত জামান সঞ্জয়, সামিউল পরান সজল, সিজান রহমান, ফেরদৌস আলম সাফি, মাহবুবুল সাফিন, হাবিবুর রহমান ও মেহেদী হাসান।

জানতে চাইলে ওসি হুমায়ুন কবীর মঙ্গলবার রাত সোয়া ৮টার দিকে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত কোনো আসামীকে গ্রেফতার করা যায়নি। তবে গ্রেফতারের জোর চেষ্টা চলছে।’

Surfe.be - Banner advertising service

https://www.facebook.com/gnewsbd24

Leave a Reply

More News Of This Category
<script async src="https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js?client=ca-pub-3423136311593782"
     crossorigin="anonymous"></script>
© All rights reserved © 2011 Live Media
কারিগরি সহযোগিতায়: মোঃ শাহরিয়ার হোসাইন
freelancerzone