বুধবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৮:১৩ পূর্বাহ্ন

আমতলীতে ডায়েরীয়ার প্রকোপ হাসপাতালে এন্টিবায়োটিক ও কলেরা স্যালাইন সংঙ্কট

আব্দুল্লাহ আল নোমান, আমতলী প্রতিনিধি ( বরগুনা) :
  • Update Time : রবিবার, ২১ মার্চ, ২০২১

বরগুনার আামতলীতে ডায়েরীয়ার প্রকোপ দেখা দিয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের রোগীদের সামাল দিতে হিমশীম খেতে হচ্ছে। স্থান সংকুলন না হওয়ায় রোগীদের বারান্দায় অবস্থান নিয়েছে। হাসপাতালে এন্টিবায়োটিক ও কলেরা স্যালাইন না থাকায় বাহির থেকে কিনতে হচ্ছে এমন অভিযোগ রোগীর স্বজনদের।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ শংকর প্রসাদ অধিকারী বলেন, হাসপাতালে এন্টিবায়োটিক ও কলেরা স্যালাইনের কোন সংঙ্কট নেই।
জানাগেছে, গত ৮ দিনে দুই শতাধিক রোগী ডায়েরীয়া আক্রান্ত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ২০-২৫ জন ডায়েরীয়া আক্রান্ত রোগী ভর্তি হচ্ছে।

চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য সেবিকাদের রোগীদের সামাল দিতে হিমশীম খেতে হচ্ছে এমন দাবী ডাঃ মোশের্^দ আলমের। ৬ শয্যা ডায়েরী রোগীর স্থলে অর্ধ-শতাধিক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। বেড না থাকায় হাসপাতালের বারান্দায় রোগীরা বিছানা পেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

রোগীর স্বজনদের অভিযোগ এন্টিবায়োটিক ও কলেরা স্যালাইন সরবরাহ না থাকায় হাসপাতাল থেকে রোগীদের এন্টিবায়োটিক ও কলেরা স্যালাইন দেয়া হচ্ছে না। এন্টিবায়োটিক ও কলেরা স্যালাইন বাহির থেকে কিনতে হচ্ছে। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দাবী করেন এন্টিবায়োটিক ও কলেরা স্যালাইনের কোন সংঙ্কট নেই।

গত শনিবার বিকেলে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ঘুরে দেখাগেছে, হাসপাতালে রোগীদের উপচে পরা ভীড়। তিল পরিমান জায়গা ফাঁকা নেই। বারান্দার ফ্লোরে বিছানা পেতে রোগীরা চিকিৎসা নিচ্ছে।

ডায়েরীর রোগী জুয়েল মুন্সি স্ত্রী হাওয়া বেগম বলেন, হাসপাতাল থেকে শুরু স্যালাইন দেওয়া হচ্ছে। এন্টিবায়োটিক বাহির থেকে কিনে এনেছি।
আমতলী পৌরসভার টিএন্ডটি সড়কের মোঃ ফারুক হোসেন বলেন, দুইদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছি। এখন কিছুটা সুস্থ্য। হাসপাতাল থেকে শুধুই স্যালাইন দেয়া হচ্ছে। এন্টিবায়েটিকসহ বাকী ঔষধ বাহির থেকে কিনে এনেছি।

ছুটিকাটা গ্রামের রোগী সোনিয়ার স্বামী মোঃ মমিন বলেন, এন্টিবায়োটিক এবং আইভি স্যালাইন বাহির থেকে কিনে এনেছি। হাসপাতাল থেকে খাবার স্যালাইন ছাড়া কিছুই দেয়নি।

আমতলী পৌরসভার লোচা গ্রামের রোগী সজিব হাওলাদারের বাবা মোঃ কাদের হাওলাদার বলেন, হাসপাতালে ভর্তির সময় নার্স একটি স্লিপ ধরিয়ে দিয়েছে। ৯’শ টাকায় ওই স্লিপের ঔষধ এনেছি। হাসপাতাল থেকে এখন পর্যন্ত কিছুই দেয়নি।

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শংকর প্রসাদ অধিকারী এন্টিবায়োটিক ও আইভি স্যালাইনের সংঙ্কটের কথা অস্বীকার করে বলেন, ঋতু পরিবর্তনের কারনে প্রচুর ডায়েরীয়ার প্রকোপ দেখা দিয়েছে। হাসপাতালের স্টোরে পর্যাপ্ত এন্টিবায়োটিক ও আইভি স্যালাইন রয়েছে। তিনি আরো বলেন, হাসপাতালে বেড নেই। তাই রোগীদের বারান্দায় বিছানা পেতে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

Surfe.be - Banner advertising service

https://www.facebook.com/gnewsbd24

Leave a Reply

More News Of This Category
<script async src="https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js?client=ca-pub-3423136311593782"
     crossorigin="anonymous"></script>
© All rights reserved © 2011 Live Media
কারিগরি সহযোগিতায়: মোঃ শাহরিয়ার হোসাইন
freelancerzone