সোমবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৩, ০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন

ব্রাজিলে একদিনে মৃত্যু ৪ হাজার, আক্রান্ত প্রায় ৯০ হাজার

জি-নিউজবিডি২৪ ডেস্ক :
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১ এপ্রিল, ২০২১

ল্যাটিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। মৃত্যুর নতুন রেকর্ড তৈরি করে একদিনে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত দেশটিতে প্রায় ৪ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

আর আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে অন্তত ৯০ হাজার।ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য মতে, বিশ্বজুড়ে করোনার তৃতীয় টেউয়ে হঠাৎ করেই সংক্রমণ এবং মৃত্যু বাড়ছে। ব্রাজিলে মহামারি করোনা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। ফেব্রুয়ারির পর থেকেই দেশটিতে একের পর এক মৃত্যুর নতুন রেকর্ড তৈরি হচ্ছে।

গত এক সপ্তাহে ব্রাজিলে প্রতিদিন গড়ে তিন হাজারের বেশি লোক মারা যাচ্ছে যা জানুয়ারির তুলনায় তিনগুণ। গত ২৬ মার্চ মৃত্যু ৩ হাজার ৬০০ জনের, ২৭ মার্চ ৩ হাজার ২৬৮, ২৮ মার্চ একটু কমে ১ হাজার ৬০৭ হলেও ৩০ মার্চ দেশটিতে একদিনে মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ৬৬৮ জন এবং একদিনের ব্যবধানে মৃত্যু বেড়ে ৩ হাজার ৯৫০ বা প্রায় ৪ হাজার মানুষ করোনায় মারা গেছে।

গত কয়েক সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যু কিছুটা কমলেও গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ১১৫ জন, আক্রান্ত হয়েছে ৬৮ হাজার ৭৭৫জন।

সংক্রমণের দিকে ২৪ ঘণ্টায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দেশ ভারত। দেশটিতে একদিনে আক্রান্ত ৭২ হাজার ১৮১,মৃত্যু ৪৯৮জন। ল্যাটিন আমেরিকার দেশ মেক্সিকোতে করোনার আক্রান্ত কম হলেও মৃত্যু একদিনে ৮০৭ জন।

ইউরোপ জুড়ে আবারও উত্তাল করোনা সংক্রমণ। ২৪ ঘণ্টায় ফ্রান্সে ৩০৩, ইটালি ৪৬৭, জার্মানি ২০৬, পোলান্ড ৬৫৩, স্পেনে ১৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরই মধ্যে ফ্রান্সে ৩ সপ্তাহের জন্য সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়াও সংক্রমণ ঠেকাতে দেশের ভেতরে সব ধরনের ভ্রমণ ১ মাসের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এছাড়াও সবাইকে বাসা থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। করোনার তৃতীয় ধাক্কা ঠেকাতে জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া এক ভাষণে দেশটির প্রেসিডেন্ট ইমান্যুঁয়েল ম্যাক্রো এসব ঘোষণা দেন।

সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ৩ মে পর্যন্ত সব ধরনের বিধিনিষেধ শিথিল করার পরিকল্পনা বাতিল করেছে সুইডেনও। ব্রাজিলের সাও পাওলো’তে সাউথ আফ্রিকার নতুন করোনার ধরণ চিহ্নিত হওয়াতে দেশটিতে মৃত্যু বাড়ছে।

ব্রাজিলে লোকজন সামাজিক দূরত্বের নিয়ম না মানায় এবং নতুন ধরনের করোনা ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। নতুন ধরনের করোনা অনেক বেশি সংক্রামক ও মারাত্মক।

এ ছাড়া দেশটির টিকা কার্যক্রমও খুব ধীর গতিতে চলছে। দেশটির ২১ কোটি ২০ লাখ লোকের মধ্যে মাত্র পাঁচ দশমিক নয় শতাংশ লোক টিকার এক ডোজ গ্রহণ করেছে।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। চীনে করোনায় প্রথম রোগীর মৃত্যু হয় গত বছরের বছরের ৯ জানুয়ারি। ওই বছরের ১৩ জানুয়ারি চীনের বাইরে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় থাইল্যান্ডে। পরে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে করোনা ছড়িয়ে পড়ে।

বর্তমানে সারাবিশ্বে ১২ কোটি ৯৪ লাখেরও বেশি মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত। মৃত্যু হয়েছে ২৮ লাখ ২৮ হাজারের বেশি মানুষ।

Surfe.be - Banner advertising service

https://www.facebook.com/gnewsbd24

Leave a Reply

More News Of This Category
<script async src="https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js?client=ca-pub-3423136311593782"
     crossorigin="anonymous"></script>
© All rights reserved © 2011 Live Media
কারিগরি সহযোগিতায়: মোঃ শাহরিয়ার হোসাইন
freelancerzone