সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২২, ০১:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :

মহম্মদপুরের কৃষক আমিন মোল্যা কোরবানির জন্য পালিত গরু নিয়ে দুশ্চিন্তা ভুগছেন

সাইদুর রহমান, বিশেষ প্রতিনিধি মাগুরা :
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১০ জুলাই, ২০২১
  • ৮২ বার পঠিত

কোরবানিতে অধীক মূল্যে বিক্রির জন্য অন্যদের ন্যয় মাগুরার মহম্মদপুরের দাতিয়াদহ গ্রামের এক সময়ের হৃত দরিদ্র কৃষক আমিন মোল্যা (৫০) গরু পালনের উদ্যো ন্যায়। আর গরুর খামার করে গরু পালন করেন। তার খামারের কোরবানির উপযোগি ৫টি গরু নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভুগছেন। করোনা পরিস্থিতির কারণে কোরবানির পশুর দাম কমে যাওয়ায় আমিন মোল্যার এ দুশ্চিন্তার কারণ বলে তিনি জানান।

আমিন মোল্যা জানান, ১০ বছর আগে অভাবগ্রস্ত সংসারে সাবলম্বী হতে তিনি স্থানীয় একটি হাট থেকে ১৯ হাজার টাকায় ফ্রিজিয়ান জাতের একটি বকনা বাছুর ক্রয় করেণ।। নিরলস পরিশ্রম ও পরিচর্যায় মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই এ বকনা বাছুর বাচ্চা দিতে শুরু করে। একে একে বাড়তে থাকে খামারের পরিসর। ১০ বছরে তিনি মালিক হন ৩২টি গরুর। যার মধ্যে ১৪ টি গরু তিনি বিক্রি করেছেন। বর্তমানে তার খামারে আছে ১৮টি গরু। এসব গরুর মধ্যে ৬ টি গাভী নিয়মিত দুধ দিচ্ছে। যার পরিমাণ প্রতিদিন ৮০ লিটার। এ দুধ বিক্রির টাকায় এখন সচ্ছলভাবে চলছে তার সংসার।

এছাড়া ইতিপুর্বে গরুর বিক্রিত টাকায় তিনি কাঁচা ঘরের স্থলে বাড়িতে পাকা ঘর দিয়েছেন। কিনেছেন ৬০ শতাংশ জমি। গরুগুলোকে তিনি নিজের সন্তানের মতোই লালন পালন করেন। পাশাপাশি বিভিন্ন নামে ডাকেন গরু গুলোকে। কোরবানির উপযোগি ৫টি গরুর নাম দিয়েছেন ঝুমুর ওজন ২৬ মণ, জলহস্তির ওজন ২৫ মণ, রাজা বাবুর ওজন ২৪ মণ, বাহাদুরের ওজন ১৬ মণ ও টাইগারের ওজন ১২ মণ। এদিকে করোনা পরিস্থিতির কারণে বিভিন্ন হাটে কোরবানির পশুর দাম কমে যাওয়ায় আমিন মোল্যার তার খামারে থাকা কোরবানির উপযোগি ৫টি গরু নিয়ে দুশ্চিন্তা ভুগছেন বলে জানিয়েছেন।

আমিন মোল্যার খামার ঘুরে দেখা গেছে, সেখানে থাকা সবগুলি গরুই উন্নত জাতের। আমিন মোল্যাসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা নিয়মিতভাবে এখানে শ্রম দেন। গরুগুলোকে তিনি সাধারণত নিজের ক্ষেতে উৎপাদিত নেপিয়ার ঘাস খাওয়ান। এছাড়া ভুসি, খড় ও বিভিন্ন জাতের ফল শাক সবজি। এই গরুগুলাকে কখনই কারখানায় উৎপাদিত কোন খাবার খাওয়ান নি বলে জানিয়েছেন আমিন মোল্যা। যে কারণে এ গুলো দেশি জাতের গরুর মতোই বেড়ে উঠছে।

গ্রামবাসী ফুল মিয়া জানান, আমিন মোল্যার এ সাফল্য দেখে এলাকার অনেকে এখন এ ধরণের খামার তৈরীতে উদ্যোগী হয়ে উঠছে। স্থানীয় মানুষ এখন তাকে সফল কৃষি উদ্যোক্তা হিসেবে চেনেন।

এ বিষয়ে প্রাণি সম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা ডাক্তার মোহাম্মদ হাদিউজ্জামান জানিয়েছেন, এ ধরণের খামারিদের উন্নয়নে তারা প্রতিনিয়ত পরামর্শ দেয়াসহ বিভিন্ন সহযোগিতা করে আসছেন। তবে বর্তমানে করোনা পরিস্থিতির কারণে কোরবানির পশু বিক্রির ক্ষেত্রে কিছুটা সমস্যা তৈরী হয়েছে। এই সমস্যা নিরসনে প্রাণিসম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকেমাগুরা সদর উপজেলাসহ ৪ উপজেলায় ৫টি অনলাইন হাটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যেখানে যে কোনো খামারী তাদের কোরবানির পশু বিক্রির সুযোগ পাবেন।

 

Surfe.be - Banner advertising service




নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

<a href=”https://surfe.be/ext/446180″ target=”_blank”><img src=”https://static.surfe.be/images/banners/en/240x400_1.gif” alt=”Surfe.be – Banner advertising service”></a>

via Imgflip

Surfe.be - Banner advertising service

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি  © All rights reserved © 2011 Gnewsbd24
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazargewsbd451