বৃহস্পতিবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন

খাদ্য সংকট নিরসনে সরকারকেই উপায় উদ্ভাবন করতে হবে – আ স ম রব

জি-নিউজবিডি২৪ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৮ আগস্ট, ২০২১
  • ৫৫ বার পঠিত

করোনা মহামারীতে ১৮ কোটি মানুষের দেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ। খাদ্য নিরাপত্তায় ন্যূনতম সংকট দেখা দিলে রাষ্ট্র ও সমাজ বড় ধরনের সংকটে নিপতিত হবে। সুতরাং খাদ্য সংকট নিরসন ও বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারকে অবশ্যই কার্যকর উপায় উদ্ভাবন করতে হবে। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

করোনা মহামারীতে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব গণমাধ্যমে এক বিবৃতি প্রদান করেছেন।

করোনার ভয়াবহ তাণ্ডবের কারণে বিশ্বের অনেক দেশের মতো বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এই তান্ডব যেমন পড়েছে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর তেমনি পড়েছে দারিদ্র্যের হারের ওপরও। বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার এখন ২৯ দশমিক ৫ শতাংশঅর্থাৎ বর্তমানে দেশে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা ৫ কোটির উপরে।

করোনার প্রভাব আরো বাড়ার কারণে চলতি বছরেও গরিব মানুষের সংখ্যা আরো বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। অন্যদিকে চালডালসহ নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ার প্রভাব আরও দুর্বিষহ পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছবে। করোনায় মানুষের আয়-রোজগারের পরিমাণ একদম তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। এর বিপরীতে যদি পণ্যের দাম অব্যাহতভাবে বাড়তে থাকে তবে কয়েক কোটি কর্মহীন অসহায় জনগোষ্ঠীর দুর্ভোগের সীমা থাকবেনা।

এমনিতেই এশিয়া অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে নিত্যপণ্যের দাম সবচেয়ে বেশি। চালের দাম বাড়ার প্রবণতায় চালের বাজারে চলছে অস্থিরতা। সরকার দ্রুত বিদেশ থেকে চাল আমদানি করার পরও চালের দর কমাতে পারেনি।

সরকারকে নিরাপদ খাদ্য মজুদ নিশ্চিত করার জন্য পূর্ব থেকেই পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। কারণ বিভিন্ন বাহিনীর রেশন, নিম্নআয়ের মানুষের জন্য খোলাবাজারে ন্যায্যমূল্যে খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি, কাবিখা, বিনামূল্যে খাদ্য বিতরণ কর্মসূচিসহ নানা কর্মসূচিতে চাল বিতরণ করতে হয়। সুতরাং সে অনুপাতে সরকারের ভান্ডারে খাদ্য মজুদ নিশ্চিত করতে হবে। এর পূর্বেও আমরা দেখেছি চাল আমদানিতে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়, এমনকি অনেকক্ষেত্রে চাল পাওয়া যায় না। ইতোমধ্যে ভারত থেকে নিম্নমানের চাল আমদানির অভিযোগে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ থেকে খালাস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ।

সরকারের উচিত বিদ্যমান পরিস্থিতিতে বাজার নিয়ন্ত্রণে কঠোর হওয়া। নিত্যপণ্যের দাম মজুরির তুলনায় বেশি মাত্রায় বেড়ে যাওয়ায় মানুষ নিম্নমানের পণ্য কিনতে বাধ্য হয়। এর ফলে অনেকেই পুষ্টিহীনতাসহ নানা ধরনের রোগ শোকে আক্রান্ত হয়।

খাদ্য ঘাটতি পূরণ ও বাজার নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে;
(১) চাল আমদানি ও সংগ্রহের মাধ্যমে খাদ্যের নিরাপদ মজুদ নিশ্চিত করা;:
(২) স্থায়ী মজুরি কমিশন গঠন করা;
(৩) আয় বৈষম্য দূর করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা;
(৪) জরুরি ভিত্তিতে বাজার নিয়ন্ত্রণ করার উদ্যোগ গ্রহণ করা;
(৫) খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির সম্প্রসারণ করতে হবে, ভাসমান জনগোষ্ঠীকে খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির আওতাধীন করতে হবে।
খাদ্য সংকট ও বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকার যথাযথ পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে না পারলে দেশ চরম সংকটে পড়বে। এ বিষয়ে সরকারকে দ্রুত উদ্যোগ নিতে হবে।

Surfe.be - Banner advertising service




নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

<a href=”https://surfe.be/ext/446180″ target=”_blank”><img src=”https://static.surfe.be/images/banners/en/240x400_1.gif” alt=”Surfe.be – Banner advertising service”></a>

via Imgflip

Surfe.be - Banner advertising service

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি  © All rights reserved © 2011 Gnewsbd24
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazargewsbd451