মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :

বিদ্রোহী মেয়রের শুভেচ্ছা নিয়ে তুমুল সমালোচনা

আব্দুস সবুর, তানোর প্রতিনিধি (রাজশাহী) ঃ
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ২৩ বার পঠিত

মুন্ডুমালা পৌরসভার বিদ্রোহী মেয়র সাইদুর রহমান আওয়ামী লীগের সদ্য প্রেসিডিয়াম সদস্য রাজশাহী সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনকে ফুলেল শুভেচ্ছা দেওয়া নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। কারন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নেতারা হুশিয়ারি করে বলছেন নৌকা প্রতীকের বিরুদ্ধে যারা অবস্থান নিবেন তাদের দলে কোন জায়গা হবে না।

তাহলে প্রশ্ন একজন প্রেসিডিয়াম সদস্য কিভাবে বিদ্রোহী মেয়রের কাছ থেকে শুভেচ্ছা নিয়ে কি বিতর্কের জন্ম দিচ্ছে কিনা।০৫ ডিসেম্বর রবিবার বিদ্রোহী মেয়র নগর ভবন কার্যালয়ে গিয়ে ফুলেল শুভেচ্ছা দেন।সেই চিত্র সন্ধ্যার দিকে সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম ফেসবুকে পাওয়া যায়।

উল্লেখ্য চলতি বছরের শুরুর দিকে মুন্ডুমালা পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সেই নির্বাচনে নৌকার বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে মাত্র ৬২ভোটে মেয়র নির্বাচিত হন সাইদুর রহমান। এরপর গত মাসের ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় ধাপে উপজেলার ছয়টি ইউপির নির্বাচন। এই নির্বাচনে মুন্ডুমালা পৌরসভা সংলগ্ন বাধাইড় ইউপিতে নৌকার বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী দেন রাব্বানী মামুন। সেই প্রার্থীর পক্ষে ভোট যুদ্ধে নামেন বিদ্রোহী মেয়র সাইদুর।

নৌকার বিরুদ্ধে তানোর উপজেলার স্হানীয় নির্বাচনে যারাই বিদ্রোহ করেছেন কেবল তারাই শুভেচছা দিচ্ছেন। এসব নিয়ে নৌকার পক্ষের নেতাকর্মীদের মাঝে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। সেই সাথে দেখা দিয়েছে নানা ধরনের প্রশ্ন।বিদ্রোহী নেতাদের কি আশ্রয় প্রশ্রয় দিচ্ছেন,নাকি অন্য কোন উদ্দেশ্য লুকিয়ে আছে।

নাম প্রকাশ না করে বেশকিছু সিনিয়র নেতারা জানান, শুভেচ্ছা দিতেই পারে।তাই বলে যারা প্রকাশ্যে বিদ্রোহ করেছে তারা কেন।তিনি জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামানের সুযোগ্য উত্তরসূরী। তানোর গোদাগাড়ী আসনের এমপিও ছিলেন তিনি।এই আসনের বর্তমান সাংসদেরও আপন মামা শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান।তাদের পরিবারের মাঝে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করছে কিনা সে ব্যাপারে সতর্ক থাকা একান্ত দরকার।

কারন এই এলাকা বিএনপি জামাতের অন্যতম আতুরঘর ছিল।কিন্তু সাংসদের সুশীল রাজনীতির কারনে সব কিছু তচনচ হয়ে গেছে।সিটি মেয়র যেমন প্রেসিডিয়াম সদস্য হওয়ায় আমরা গর্বিত ঠিক একই ভাবে শহীদ পরিবারের সন্তান সাংসদ ফারুক চৌধুরীর মত অভিভাবকের জন্যই আজ আওয়ামী লীগের জয়জয়কার অবস্থা। সেটাও ভাবা দরকার।

তিনি আছেন বলেই মাস্তানি,দালালী, একক আধিপত্য, নৈরাজ্য, মামলা,হামলা কোন কিছুই নেই।সবাই দারুন সম্প্রীতি নিয়ে চমৎকার ভাবে নিজনিজ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।এটা দিনের আলোর মত পরিস্কার। তিনি সাবেক প্রতি মন্ত্রী, সাবেক জেলা সম্পাদক ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন নিষ্ঠার সাথে। তিনি কোন সময় নৌকা প্রতীকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন নি বলেই কেন্দ্রে বা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনাাও অবশ্যই তার বিষয়ে অবগত।

Surfe.be - Banner advertising service




নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

<a href=”https://surfe.be/ext/446180″ target=”_blank”><img src=”https://static.surfe.be/images/banners/en/240x400_1.gif” alt=”Surfe.be – Banner advertising service”></a>

via Imgflip

Surfe.be - Banner advertising service

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি  © All rights reserved © 2011 Gnewsbd24
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazargewsbd451